কবিতার ছুটি চাই
তসিকুল ইসলাম
কতোদিন কবিতার মুখোমুখি হইনি ঠিক তো মনে নেই
ডয়েরীর পাতাগুলো কেমন দেখি ধবধবে সাদা
যেন মুখ থুবড়ে পড়ে আছে শস্যহীন জমিন
সেখানে উর্বর মাটি সবুজ সার জল আর বীজ অভাবে
আর আমার মতো ভীরু অলস দুর্বল শ্রমিক
যাদের ঘাড়ে শুধু বোঝার ঋণ
কোনক্রমেই পারিনি ফলাতে সোনালী ফসল
আর কতদূরে সেই শৃংখল মুক্তির সোনালী দিন।
কতোদিন কবিতার বাগানে ফুল ফোটেনা ঠিক তো মনে নেই
কতোদিন তার চাঁদমুখের উপমা কবিতায় খুঁজিন
কতোদিন রাতের আঁধারে বুকের মিনারে তার স্পর্শ অনুভব করিনি
কতোদিন, কতোদিন সেই খোঁপায় সেই প্রিয় ফুল দেখিনি
ঠিক মনে নেই
মনে নেই ঠিক
সে কারণেই আজ আামি কবিতার ছুটি চাই
পূর্ণিমার চাঁদ এখন আমার কাছে ঝলসানো রুটি
তাই কবিতার ছুরি হাতে হৃদয় কেটে কেটে
বিশাল ক্যানভাসে যে ছবি আঁকি
জীবন্ত সে ছবি মারত্মক উচ্চস্বরে কথা বলে
উলঙ্গ-ন্যাংটা চোখে ভালো করে চেয়ে দেখি
মাথা উঁচু করে অহংকার চোখে মুখেও যেন রণবীর টোকাই।
তারপর বহুকষ্টে হাতে ধরি শক্তির কলম
বড় বড় ভাব নূতন নূতন বিষয় আঙ্গিক চিত্রকল্প
সব যেন আশ্বিনের মেঘের মতো দূরে বহুদূরে ভেসে চলে যায়
তারপর শেষ চেষ্টায় ছন্দহীন কবিতার বাগানে যাত্রা করি শুরু
যতো কাক ততো নাকি কবির দেশে সবশেষে
কবিতার শরীরে নিজের রক্তাক্ত দেহের ব্যানারে ব্যানারে
লিখে দিতে চাই আমাদের বেদনার গান
কবিতার ভূবনে কৃত্রিম প্রেমের ব্যর্থ উল্লাস আর করো কাম্য নয়
তাহলে বলুন সবাই ক্ষমতা লোভীদের কেন করি ভয়?
বি.দ্র. কবিতাটির শেষের কয়েকটি লাইনে মিল খুঁজে পেলাম না। হতে পারে এটা ছাপার ত্রুটি তাই কবিতাটি কারো সংগ্রহে থাকলে অথবা এ বিষয়ে করো অন্য কোন মতামত থাকলে তা শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


