একদিন মাঝরাতে নক্ষত্রেরা
রায়হান হেলাল
একদিন মাঝরাতে নক্ষত্রেরা
তাঁর পায়ের কাছে এসে সিজদায় নত হলো;
অস্ফুট স্বরে অন্ধকার থেকে কেউ বললো,
উনি এখনি রাতের কাছে তাঁর গচ্ছিত শব্দগুলো চাইবেন।
যারা ফিরে গেলো তাদের জন্য রাত
তার শব্দময়তার পরিরর্তন আনলো না,
কেবল ভক্তেরা গ্রীবা টান করে আরশের দিকে
এক পলক তাকিয়ে পুনরায় মধ্য আকাশের দিকে
দৃষ্টি ফেরালো, যেখানে প্রতিভু নক্ষত্রটি তখনো তার
স্পর্ধার অক্ষর সাজিয়ে কেবলি বলে যাচ্ছিলো,
এ রাত আপনার নয়, খেলাচ্ছলে
চাঁদের পাথরে কেন নাম লিখবেন? ফিরে যান,
ধ্বংসের অস্বচ্ছ ধোঁয়ার মুখ দেখুনগে।
তিনি দুর্বিনীত নক্ষত্রের দিকে বিনয়ের ধীর আলো ফেললেন;
অন্তর্গত অনালোক থেকে কালো ছায়ারা সরে গেলো,
অতঃপর রূপোলী জ্যোৎস্নায় সকলে এক ভিন্ন আলো
প্রত্যক্ষ করলোঃ অন্ধেরা বস্তুবিশেষের সাহচর্যে
এমন এক ভঙ্গী করতে লাগলো যেনো রাতের কাছে তারাও
অন্ধত্বের যাবতীয় দায়ভার ফিরিয়ে দিয়েছে।
তিনি স্রোতের মুখে একটি আলো রেখা এঁকে দিলেনঃ ওরা বললো,
উনি অযথা দুচোখে ধূলো দিয়ে যাচ্ছেন, এ ভুল আলো।
তিনি দেখুন ইচ্ছে যতক্ষণ মোহিনী দর্পণে তাঁরই নিপূণ নির্মাণ,
তাঁর নিরীক্ষার রূপময়তা দেখে
কী হবে শুধু এঁকে প্রতীক্ষার হতশ্রী তিমির?
যেনো তিনি শুনতে পাননি এমনি ভঙ্গী করে
হাতের পাখিগুলোকে আকাশের দিকে উড়িয়ে দিলেন।
বি.দ্র. উত্তর বঙ্গের কবিতা থেকে- কবিতা-১ অসম্ভব প্রিয় একটি কবিতা, নতুনদের জন্য লিংক দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


