রক্তে রক্তে আরক্ত
জেছের আলী
বহুমুখী কষ্টের এই রাতে যে আয়না তুমি ঝুলিয়ে রেখেছো
শতাব্দীর কালো পিঠে-তা থেকে আমার হৃদয়
কামুক উদ্-ভ্রান্ত গোছের হীনমন্যতার কুটিল আর্তনাদ কুটে কুটে
জমা করেছে সীমিত সুখের একপ্রস্থ হাহাকার।
তোমার কাছে কি পাওয়ার ছিল আমারঃ
রক্তের বিয়াবান বিষন্ন পোশাকে পার্থিত বুকের
সামুদ্রিক উদ্ভাস!
নাকী লিলায়িত যৌবনচিত অজস্র পুস্পল ঘৃণা!
শুভ্রতার বিদীর্ণ কফিনে কবি পুরুষের নিঃসীম নীল মৃত্যু
জয় জয়ন্তীর আদিম উল্লাস রক্তের বিশ্রী নৃশংসতা
যা তোমার গৃবার উদ্ভিন্ন গোধূলী কাঙ্ক্ষিত সীমানায়
আরতির বকুল ছিটানো স্তব্ধতায় শুয়ে থাকে
কামোদ জ্বরে পুরনো কীর্তিনাশা!
এখনো তো অনেক উপরে আছো তুমিঃ
কাজেই কোনো শুভ্রাতি প্রত্যাশা কারিনা এখন
শুধু সময়ের বেগতিক গালে চোয়াল রেখে ভাবি
বিদায়ী নগ্নতা কতদিন গণিকার হতশ্রী যৌবন চিতায়
ফেনীল জ্যোৎস্নার নীচে
খুঁজবে ফেলে যাওয়া তোমার নিঃশব্দ মাধুরী
রক্তে রক্তে আদিম যৌবনের উৎকর্ষকলা?
===============================================
বি.দ্র.দেখতে দেখতে প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে উত্তর বঙ্গের কবিতা থেকে কবিতা।যদিও বলেছিলাম বইটিতে ছত্রিশ খানা কবিতা রয়েছে কিন্তু এ বিষয়ে আমি সকলের কাছে বিশেষ করে যারা প্রথম থেকেই এই শিরোনামের কবিতা গুলো পড়ছেন তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। আসলে বই টিতে ছাপা হয়েছিল বত্রিশ খানা কবিতা আর আমি ভাল করে না দেখেই ছত্রিশটার কথা বলেছিলাম ভূমিকা পোষ্টে।যাইহোক এখানেও বেশ খানিকটা ভূমিকাই হয়ে গেল।
তো!অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও সকলের কাছে ক্ষমা চাইছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


