somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশেষ অতিথি (গল্প বা অনুগল্প)

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এক
অনেক্ষন ধরে বাইরের দরোজার কলিং বেলটা বাজছে |
রিঙের শব্দটা তিন তলার থেকেও শোনা যাচ্ছে |কলিম সাহেবের মুখটা কুঞ্চিত হয়ে উঠলো | কলিম সাহেব জরুরি ব্যবসায়িক কাগজ পত্র দেখছেন | তার মিলের জন্য একটা ব্যাংক লোনের জন্য এপ্লাই করেছিলেন কয়েক মাস আগে | ব্যাংক তার ব্যবসার নানান কাগজপত্র চেয়ে পাঠিয়েছিল লোন স্যাংশনের জন্য | তার গত কয়েক বছরের ট্যাক্সের কাগজ পত্রও সাথে দেওয়া হয়েছিল তার ব্যবসায়ের অর্থনৈতিক অবস্থা যাচাই করতে | প্রায় দুই মাস সব কাগজ যাচাই বাছাই করে ব্যাংক চূড়ান্তভাবে কলিম সাহেব কে জানিয়েছে তারা কলিম সাহেবকে লোনটা দিতে পারবে না | অনেক ভদ্র করে লেখা চিঠিটার একটি অর্থই আছে সেটা হলো তার ব্যবসায়ের অবস্থা ভালো না | তাই ব্যাংক মনে করে লোনটা দিলে কলিম সাহেব ঋণ শোধ করতে পারবেন না | তার মানেই হলো এই ঋণটার খেলাপি হবার সম্ভাবনা আছে | এই ব্যাংক লোনটা এই মুহূর্তে তার ব্যবসার জন্য খুবই দরকার ছিল | এই লোন না পেলে কতগুলো এলসি খোলা হবে না | ব্যবসায়ের নতুন মালপত্র কেনা যাবে না | মুটামুটিভাবে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেও এই লোনটার দরকার ছিল খুবই | এখন দ্রুত কথা থেকে আর লোন আপওয়া যেতে পারে সেটা ভাবতে হবে | কলিম সাহেব মুখে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে চাইলেন | কিন্তু নিজের ভেতরেই মনে হচ্ছে ভরসা পাচ্ছেন না |

কর্কশ রিংটা বেজেই যাচ্ছে | দারোয়ানটা করছে কী ? এখনো খুলছে না দরজাটা | বিরক্ত কলিম সাহেব নিজেই তিন তলার বারান্দাযা গেলেন | দেখতে হবে কে এলো | নিচে পাড়ার কয়েক জন পরিচিত ছেলেকে দেখা যাচ্ছে | তিনি উপর থেকে জানতে চাইলেন কে ? ছেলেদের মধ্যে থেকে একজন জোরে সালাম দিয়ে বললো, কলিম ভাই,"একটু দরকার ছিল" | কলিম সাহেব তাদের আসছি বলে ঘরে ঢুকলেন |

দুই.
কলিম সাহেব এই পাড়ায় এসেছেন তিন চার বছর | এরই মধ্যে তিনি পাড়ায় সবার কাছেই পরিচিত হয়ে উঠেছেন | বিশেষ করে পাড়ার উঠতি বয়সের ছেলেদের কাছে তিনি খুবই প্রিয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন | পাড়ার সব কর্মকাণ্ডেই তার সম্পৃক্ততা | বছরের শুরুতে নতুন বছরের অনুষ্ঠান তাতে বড় অংকের চাঁদা লাগবে, কলিম ভাই আছে | একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান হবে অনুষ্ঠান করতে টাকা লাগবে, কলিম ভাই আছে | এভাবেই ধীরে ধীরে পাড়ার তরুণ যুবকদের সাথে এই পাড়ায় আসার পর থেকেই তার পরিচয় ঘনিষ্ঠ হয়েছে | পাড়ার ছেলে পেলেরা তাকে কলিম ভাই বলে ডাকে | প্রৌঢ় কলিম সাহেব তাতে খুবই পুলকিত বোধ করেন | নিজেকে ইয়ং মনে হয় !

এখন কলিম ভাই ছাড়া পাড়ার কোনো অনুষ্ঠানই কল্পনাই করা যায় না | প্রথম প্রথম পাড়ার বা স্থানীয় অনুষ্ঠানগুলোর জন্য আর্থিক সাহায্য করলেও অনুষ্ঠানে যাবার জন্য কেউ বলতো না | বা অনেক সময় বললেও অনুষ্ঠানে পিছনের সারিতেই বসতে হতো | চাঁদার অঙ্ক বাড়ার সাথে সাথে অবস্থা অনেক বদলে গেছে | একুশে ফেব্রুয়ারী, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস এসব অনুষ্ঠানে বড় অংকের চাঁদা দেবার কারণে আস্তে আস্তে তার আসন পেছনের থেকে সামনের সারিতে এসেছে | স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের কাছেও ক্রমশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন কলিম সাহেব | এখনতো অনুষ্ঠানগুলোতে পাড়ার ছেলেরা রাজনৈতিক নেতাদের পাশেই স্টেজে বসায় তাকে | কিছু কিছু অনুষ্ঠানে কলিম সাহেব কথা বলারও সুযোগ পান | প্রথম প্রথম একটু আড়ষ্টতা ছিল কথা বলার ব্যাপারে | এখন আর সেটা নেই | এখন মাইক হাতে পেলেই আরো কথা বলতে ইচ্ছে করে | গত মাসেই ওয়ার্ড মেম্বার সাহেব বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতার ভূমিকা নিয়ে তার বক্তৃতা শুনে ভূয়সী খুব প্রশংসা করেছেন | কলিম সাহেব নিজের এই পরিচয়ে আত্মপ্রসাদ বোধ করেন |

তিন.
পাড়ার কয়েকজন ছেলে এসেছে |
এদের মধ্যে সরকার দলীয় ছাত্র সংঘঠনের সভাপতি ছেলেটা খুবই আদবের সাথে বললো, “কলিম ভাই আস সালামুআলাইকুম | কেমন আছেন?”
কলিম সাহেব বললেন, “ভালো | তোমরা কেমন আছো ? অনেক দিন দেখা নাই | কি খুবর তোমাদের,বলো?|
-কলিম ভাই, একুশে ফেব্রুয়রিত এগিয়ে আসছে | আপনিতো জানেনই আমাদের ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান করার ছিল আগের থেকেই |
-হ্যা,জানিতো |
-প্রত্যেক বছরের মতোই এবারও আমাদের ছোট খাটো একটা অনুষ্ঠায় করার কথা ছিল | কিন্তু হঠাৎ একটু ঝামেলা হয়ে গেছে |
-কি ঝামেলা ?
-এবারের অনুষ্ঠানে আমাদের এমপি সাহেব আসবেন বলে কথা দিয়েছেন | হঠাৎ করেই সব ঠিক হয়েছে | এমপি সাহেব সকালে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে আরেকটা প্রোগ্রামে যাবেন তারপরে আসবেন আমাদের প্রোগ্রামে | দুপুরের খাবার এখানেই খেয়ে দলের মন্ত্রীদের সাথে মিটিঙে যাবেন |
-হ্যা, হ্যা সব সুন্দর করে করতে হবে | আমিযে টাকা দিয়েছিলাম হবে তো ?
-কলিম ভাই, একটা কথা ছিল | আপনাকে কিন্তু ঐদিন কিন্তু ফ্রি থাকতে হবে |
-কেন ?
- আপনাকে কিন্তু একুশের প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি থাকতে হবে |
- আমাকে ?
-জ্বী | কিছু বলতেও হবে কিন্তু একুশে ফেব্রূয়ারি নিয়ে !

মনে মনে ভীষণ খুশী হলে কলিম সাহেব | এমপি সাহেব আসবেন ! তার সাথে একমঞ্চে শুধু বসবেন তাই না অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তিনি ! তাকে অনুষ্ঠানে বক্তৃতাও দিতে হবে ! খুশি লুকিয়ে কলিম সাহেব জিজ্ঞেস বললেন, “হ্যা হ্যা অনুষ্ঠানে সুন্দর করে করতেই হবে |আমাদের জাতির এতো বড় ঘটনা এটা | তোমাদের টাকা পয়সা লাগলে আমাকে বলবে কিন্তু !”

সভাপতি ছেলেটা একটু হেসে বললো, "আপনি ছাড়া আর কার কাছে যাবো আমরা বিপদে | হঠাৎ করে এমপি সাহেব আর দলের কেন্দ্রীয় কিছু নেতা আসার জন্য দুপুরের তাদের খাবারের আয়োজন করতে হবে | সে'জন্য অনুষ্টানের বাজেটটা একটু বেশি বেড়ে গেছে | কিন্তু প্রোগ্রামের টাকাটা এখনো জোগাড় হয়নি | ওপাড়ার মতলব সাহেব খাবারের জন্য টাকাটা দেবেন বলেছিলেন কিন্তু আজ বলেছেন এখন নাকি দিতে পারবেন না | তার কি যেন একটু অসুবিধা আছে |বড় সমস্যায় আছি | আপনি যদি একটু হেল্প করেন তাহলেই এবার সম্মানটা বাঁচে আমাদের" |
- কলিম সাহেব বললেন এমপি সাহেব আসবেন ! সুন্দর করে প্রোগ্রামটা করতে হবে | টাকা সমস্যা না | কত টাকা লাগবে"?

চার
কলিম সাহেব ডাক্তারের কাছে ফোন করলেন |
আজ তার স্ত্রী রেহানাকে নিয়ে বিকেলে ডাক্তারের কাছে যাবার এপয়েন্টমেন্ট আছে | অনেকবার পেছানোর পর আজকের আপোয়েনমেন্টটা পাওয়া গেছে | এই স্পেশালিস্ট ডাক্তার খুবই ব্যস্ত | একবার আপোয়েনমেন্ট মিস করলে এক মাসের আগে আরেকটা এপয়েনমেন্ট পাওয়া খুবই মুশকিল | রেহানার শরীরটা কিছুদিন ধরেই ভালো যাচ্ছে না | আজকের আপোয়েমেন্টটা রক্ষা করা খুবই দরকারি ছিল | ডাক্তারের অফিস থেকে আগেই জানানো হয়েছিল কতগুলো চেকাপ আর ফিজিক্যাল টেস্টের কথা আজ আর কাল পরশুর মধ্যে করতে হবে | টেস্টগুলোর জন্য আগেই সময়, ডাক্তার সব কনফার্ম করার জন্য টাকা আজ আপোয়েনমেন্টের সময়ই টাকাটা দিতে হবে | সব মিলিয়ে প্রায় পঞ্চাশ হাজার | সাধারণ সময়ে এই টাকা তেমন কোনো সমস্যা না | কিন্তু আজকে এই টাকাটা অনেক বেশি মনে হচ্ছে | ব্যাংক লোনটা পাওয়া যাচ্ছে না |

তাছাড়া,ছেলেদের কথা দিয়েছেন পঞ্চাশ হাজার টাকা দেবেন বিকেলের মধ্যে | একটা উৎসব আয়োজনের জন্য টাকা দরকার | টাকা হাতে না থাকলে সুন্দর করে অনুষ্ঠানটা করে অসম্ভব হয়ে যেতে পারে | এদিকে ছেলেরা তাকেই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হবার বায়না ধরেছে !

ফোনের ওপাশ থেকে একজন মেয়ের কণ্ঠ ভেসে আসলো, হ্যালো?
কলিম সাহেব নিজের পরিচয় দিয়ে বিকেলের এপয়েন্টমেন্টটা রিস্কেজিউল করার জন্য অনুরোধ করলেন| ওপাশ থেকে জানানো হলো সামনের তিন সপ্তাহের মধ্যে কোনো স্কেজিউল পাওয়া যাবে না | তারপরে নতুন ভিজিটের সময় পাওয়া যাবে |

পাঁচ
একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান ভালো হয়েছে |
কলিম সাহেব মঞ্চে বসেছেন এমপি সাহেবের পাশেই | বিশেষ অতিথি হিসেবে অল্প সময় বক্তৃতাও করারও সুযোগ পেয়েছেন | অনুষ্ঠানের শেষে এমপি সাহেব খাবার দাবারের বিশেষ প্রশংসা করেছেন | কলিম সাহেব লাঞ্চের সব ব্যয় বহন করেছেন বলে এমপি সাহেব খুশি হয়ে বলেছেন এমন পৃষ্ঠপোষক থাকা দলের জন্য সৌভাগ্য | কলিম সাহেব খুব খুশি হয়েছেন এমপি সাহেবের প্রশংসায় | আরো বেশি খুশি হলেন এমপি সাহেবের আশ্বাসে | লোনের একটা ব্যবস্থা তিনি করে দেবেন | একটু পরেই দলীয় মিটিঙে ওই ব্যাংকের মালিক ঢাকার এমপির সাথে তার কথা হবে | উনাকে বলে দেবেন | এমপি সাহেব ভিজিটিং কার্ড দিলেন | ব্যাংকের মালিকের সাথে দেখা করে দিতে হবে | যাক বড় অংকের টাকা চাঁদা দেবার ফলটা এতদিনে পাওয়া গেছে | কলিম সাহেব খুশি হলেন খুব | খুশির সাথে কলিম সাহেব বাসায় ফিরতে ফিরতে ভাবলেন, রেহানাকে বাসায় ঢুকেই সুখবরটা দিতে হবে |

কাজের মেয়েটা দরজা খুলে দিয়ে জানালো, আম্মার শরীরটা ভালো লাগতেছেনা তাই আম্মা একটু শুইছে |
কলিম সাহেব ড্রইং রুমে একটু বসলেন | সেদিনের দৈনিকটা হাতে নিতেই ফোনের রিংটা বেজে উঠলো | ডাক্তারের অফিস থেকে ফোন | ডাক্তার সাহেব নাকি কলিম সাহেবের সাথে কথা বলতে চান! আশ্চর্য কলিম সাহেব কিছু বলবার আগেই ডাক্তার সাহেবের লাইন কানেক্ট করেছে অফিস সেক্রেটারি |
-হ্যালো, কলিম সাহেব?
-জ্বি
-আপনার ‘ওয়াইফের টেস্ট রেজাল্টগুলো আমরা আজকে পেয়েছি’|
-‘জ্বি’
- ‘রেজাল্টগুলো খুব ভালো না’ |
-কলিম সাহেব উদ্বিগ্ন গলায় জানতে চাইলেন, ‘কেন কি হয়েছে’?
-‘ক্যান্সার খুব দ্রুত ছড়িয়ে গেছে শরীরে | আরো মাসখানেক আগে টেস্টগুলো করা গেলে হয়তো ছড়িয়ে যাওয়াটা থামানো যেত’ |
কলিম সাহেব স্তব্ধ হয়ে শুনতে পেলেন ফোনের অন্যদিকে থেকে ডাক্তার সাহেবের গলা ভেসে এলো, ‘আমি খুবই স্যরি’|


ফটো : ইন্টারনেট
-----------
আমি গল্প লিখতে পারি না | কখনো লিখিও নি | এই গল্পটা নিজেই সাহস করে যে পোস্ট করছি তাও না | আমাদের ব্লগেরই ওমেরা আমার এই গল্পটা পড়ে বললো ব্লগে পোস্ট করতে | ওর কথা মত কিছু মেরামতিও করতে হলো গল্পে | ব্লগে এটাই আমার প্রথম গল্প | এই গল্পটা তাই প্রিয় ওমেরাকেই উৎসর্গ করলাম |
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৩৯
২৯টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

করোনার মাঝে ভয়ংকর প্রতিবাদে জ্বলছে আমেরিকার অনেক শহর

লিখেছেন চাঁদগাজী, ৩০ শে মে, ২০২০ সকাল ৯:৪১



*** হোয়াইট হাউজের ২০০ গজের মধ্যে পুলিশ ও প্রতিবাদকারীদের মাঝে ধাক্কাধাক্কি চলছে , মানুষ হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করছে, অনেকেই আহত হয়েছে; এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেভাবে হত্যা করা হয় প্রেসিডেন্ট জিয়াকে-

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ৩০ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

১/



রাতের শেষ প্রহরে তিনটি সামরিক পিকআপ জিপ এসে দাঁড়ালো চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের গেটের সামনের রাস্তায়। একটি পিকআপ থেকে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলের কাঁধে র রকেট লঞ্চার থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:৫৬



আমি জিয়াকে পছন্দ করি।
কারন উনি একজন সৎ লোক ছিলেন। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে উনি কোনো দূর্নীতি করেন নি। কিন্তু অনেক ভুল কাজ করেছেন। রাজাকার গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অশিক্ষা, কুশিক্ষায় নিমজ্জিত, রাজনৈতিক জ্জানহীনরা সামরিক শাসনকে মিস করে।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ৩০ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮



১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা পরাজিত হলে, ২ কোটী বাংগালীর ঘরে জেনারেল ইয়াহিয়ার ছবি ঝুলতো সেদিন; কিছু বাংগালী আছে, মুরগীর মতো, চিলে বাচ্চা নিলে টের পায় না। নাকি আসলে মুসরগী টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবী বিখ্যাত ব্যক্তিদের মা'য়েরা .............. এট্টুসখানি রম্য :D

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ৮:০৫



পৃথিবীর সব মা’য়েরাই একদম মা’য়ের মতো ।
সন্তান বিখ্যাত কি অবিখ্যাত, সে জিনিষ তার কাছে কোনও ব্যাপার নয়। তার কাছে সে কোলের শিশুটির মতোই এই টুকুন । যাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×