somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হজরত ঈসার (আঃ) অলৌকিক জন্ম বা ‘ভার্জিন বার্থ’ কি বিজ্ঞান সমর্থন করে ? হ্যা, করে আসুন বিষয়টা আরো একটু আলোচনা করি ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হজরত ঈসার (আঃ) অলৌকিক জন্ম বা ‘ভার্জিন বার্থ’ কি বিজ্ঞান সমর্থন করে ? হ্যা, করে আসুন বিষয়টা আরো একটু আলোচনা করি । (বিশেষ করে ব্লগার নতুন, কলাবাগান১ আরো চাঁদগাজী সাহেব অংশ নিন আলোচনায় । অন্যান্য সবাইকেও আমন্ত্রণ । )

এই ডিসেম্বরের দুই তারিখেই পুরাতন ব্লগার নতুন একটি পোস্ট লিখেছেন যার শিরোনাম ছিল “অলৌকিক ভাবে জন্মগ্রহন,অতি প্রাচীন কাল থেকেই বিখ্যাত মানুষের ব্যাপারে অনেক অলৌকিক ঘটনার কাহিনি প্রচলিত হয়ে আসছে” ।এই লেখাটার গেট আপ,মেক আপ, রাইট আপ সবই সুন্দর। লেখার টাইটেল ফটো থেকে শুরু করে গ্রিক মিথলজির বাকি ফটোগুলো সবই মনোহর, চোখ জুড়ানো (বলে রাখি আমি গ্রিক মিথোলজির ভক্ত সেই ক্লাস ফাইভ থেকেই )। নতুনের লেখা ফটোগুলোর মতোই সুন্দর হবে মনে করে পড়া শুরু করলাম ।একটানে পড়ে যাবার মতো লেখা।কিন্তু পড়তে পড়তেই বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলাম যেই শিরোনাম দেখে পড়া শুরু করেছিলাম লেখাটা সে’রকম না।লেখার শিরোনামের সাথে ভেতরের কন্টেন্টের একটা বড় দ্বন্দ্ব প্রায় শুরু থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেটা হলো শিরোনামের "...অতি প্রাচীন কাল থেকেই বিখ্যাত মানুষের ব্যাপারে অনেক অলৌকিক ঘটনার কাহিনি প্রচলিত হয়ে আসছে..." কথাটার সাথে সাংঘর্ষিক ভাবে ব্লগার নতুন গ্রিক মিথিওলজির কাল্পনিক চরিত্রগুলোর অলৌকিক কাহিনীর সাথে মেরির ভার্জিন বার্থ বা হজরত ঈসার (আঃ) অলৌকিক জন্মের ব্যাপারটাকে একসাথে করে ফেলেছেন । গ্রিক দেবতা জিউস, তার স্ত্রী হেরা, মেয়ে আথেনিসহ আরো কিছু কাল্পনিক চরিত্রের অলৌকিক জন্মসংক্রান্ত পিওর মিথগুলোকে হজরত ঈসার (আঃ) জন্মকে মিলিয়ে ফেলার সমস্যা হলো বাস্তবের সাথে কল্পনা গুলিয়ে ফেলার মতো । নতুনের লেখার মূল কথাটার একটা চমৎকার সিনথেথিস হলো চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য -- "স্ত্রী ও পুরুষের মিলনের ফলে বাচ্চা জন্মেছে, হোক সেইজন যীশু, কিংবা আলেকজান্ডার; জন্ম নিয়ে মিথ হয় না, ছিলো মিথ্যার আশ্রয়।" হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম সম্পর্কে নতুন আর চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য/বক্তব্য কুরআনের বক্তব্যের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক ।

যাহোক, নতুনের লেখার এই প্রব্লেমটা মেনশন করে আমি একটা কমেন্ট করলাম । কুরআন বা ইসলামের যে বিষয় ও বক্তব্যগুলো পৃথিবীর সাথে সম্পর্কিত, যেমন হজরত ঈসার (আঃ) অস্তিত্ব, নিয়ে বিজ্ঞান ও ইতিহাসের মধ্যে দিয়েই দেখতে পছন্দ করি । এই সব বিষয়ে আমি যুক্তির বাইরে যাওয়াতে স্বছন্দ বোধ করি না । তাই হজরত ঈসা সম্পর্কে কুরআনের বা হাদিসের কোনো উদ্ধৃতি না দিয়েই আমি কিছু বিজ্ঞানের কথা বললাম তার ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে । নতুনের লেখা নিয়ে আমার কমেন্টের মূল কথা ছিল :

১. গ্রিক মিথলজির দেবতারা কাল্পনিক (যদি তাদের সম্পর্কে সামগ্রিক তথ্যগুলো বিবেচনা করা হয়)
২. হজরত ঈসা (আঃ) বাস্তব চরিত্র । ইতিহাস তার উপস্থিতির সত্যায়ন করে ।
৩. ভার্জিন বার্থ বা হজরত ঈসার (আঃ ) অলৌকিক জন্ম অসম্ভব না । বিশেষ করে নতুনের লেখার সারমর্ম সমর্থন করে চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য 'স্ত্রী ও পুরুষের মিলনের ফলে বাচ্চা জন্মেছে, হোক সেইজন যীশু..." কথাটা আসলে সত্যি না । জন্মের জন্য সব সময় মেল্ ফিমেল ইন্টারাকশনের প্রয়োজন নাও হতে পারে । আমি আমার সমর্থনে আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আলোচনা Bdelloid Rotifer-এর কথা বললাম । পুরো প্যারাটা তুলে দিচ্ছি নিচে ।

“--প্রজননের জন্য একটা মেল্ আর ফিমেলের দরকার নাও হতে পারে । Bdelloid Rotifer হলো একধরণের লিচ (leech)। এরা প্রায় বিলিয়ন বছর ধরে বেঁচে আছে পৃথিবীতে ।এরা ফ্রেশ ওয়াটারেও বেঁচে থাকতে পারে । এদের কোনো মেল্ স্পিসিস নেই ।এদের ফিমেলরা বংশবৃদ্ধি করে পার্থেনোজেনেসিস (parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় যাতে বংশ বৃদ্ধির জন্য কোনো ধরণের ফার্টিলাইজেশনের দরকার পরে না । আপনি বলতেই পারেন Bdelloid Rotifer মানুষ না । সত্যি। কিন্তু পৃথিবীর প্রাণী সম্পর্কে যেই ধাৰণাটা আছে যে ফার্টিলাইজেশনের জন্য একটা মেল্ ফিমেল ইন্টারএকশন লাগবে সেটা কিন্তু ধ্রুব সত্যি না । আমাদের জানার অতীত কখনো পন্থায় যে এভাবেই যীশুর জন্ম হয়নি সেটাতো বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করা যাবে না এখন তাই না ? তাই হাজার বছর ধরে পৃথিবীর একমাত্র যেই মানুষটার সম্পর্কে এই বাবা ছাড়া জন্মগ্রহণের যে কথাটা চলে আসছে, তার সাথে তার অন্যান্য অসাধারণ বৈশিষ্ঠ্যগুলো সাথে চিন্তা করলে, সেটাকে মিথ্যে বা কল্প কাহিনী বলে উড়িয়ে দেওয়াটা কিন্তু সহজ না বলেই আমি মনে করি।“

আমার মন্তব্যের যৌক্তিক রেস্পন্স করে নতুন যা বললেন তার মূল কথা হলো :

১. আপনি বলেছেন যীষূখৃস্ট বাস্তবে ছিলেন, কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে ততকালিন কোন ইতিহাসবিদের লেখায় যীষুখৃস্টের নাম নেই। তার নাম আছে তারপরের বাইবেলে এবং বিবলিক্যাল লেখকের লেখায়।
২. আপনি ঠিকই বলেছেন parthenogenesis এর মাধ্যমে ফিমেইল বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
৩. মানুষের সেক্স ক্রমজম এক্স আর উয়াই (Y) তাই নারীর ডিম্বানু দিয়ে যদি সন্তান হয় তবে তা কখনোই ছেলে হতে পারেনা।
৪.মানুষের মাঝে নারী তার ডিম্বানু থেকে পুরুষ ভ্রুন সৃস্টি করতে অনেকগুলি অসম্ভব বিষয়কে সম্ভব হতে হবে। সেটা সম্ভব বলে মানুষ বিশ্বাস করে!!!

নতুনের মন্তব্যের পরেই তাকে সমর্থন করে কলাবাগান১ও বিজ্ঞান ভিত্তিক একটা মন্তব্য করেন ! তার সংযত মন্তব্যটা পুরো সত্যি না বললেও আমার পছন্দের ছিল সেটা বলতেই হবে । কিন্তু সেই সংযত বিজ্ঞানময় বক্ত্যবে এক ব্লগ পুরুত কিছু না বুঝেই মনে হয় চেঁচিয়ে উঠলেন কলার চোচায় কলাবাগান১ আমার মতো বিশ্বাসীদের কি যে আছাড়টাই না খাইয়ে দিলেন বলে, আশ্চর্য ! আমার মন্তব্যের উত্তরে নতুনের বক্তব্যটিই আসলে কলাবাগান১ আরো সফিস্টিকেট ভাষায় বললেন I কলাবাগান ১-র মন্তব্যটা নীচে কোট করলাম :

“যীশু যদি parthenogenesis এর মাধ্যমে জন্মগ্রহন করে থাকেন তাহলে তো মেয়ে থেকে মেয়েই হওয়ার কথা। আর Parthenogenesis in humans never produces viable embryos।
কোন প্রমান নাই যে মানুষ parthenogenesis এর মাধ্যমে জন্মগ্রহন করেছে
-আর একটা কথা , যীশু তো ছেলে ছিল তাহলে তার তো XY chromosome ছিল। আর তার মায়ের ছিল XX chromosome, তাহলে যীশু কোথা থেকে Y chromosome পেল???
XX chromosome থাকার পরও পৃথিবীতে খুবই খুবই অল্প সংখ্যক লোক পুরুষ হিসাবে আছে কিন্তু তাদের ও Y chromosome এর SRY gene তাদের XX chromosome পাওয়া যায়...তাহলে যীশু SRY gene কোথা থেকে পেল?????”

ধীরে বন্ধু ধীরে । Y ক্রোমোজোম পাওয়া যাবে । কিন্তু তার আগে বলি নতুন আর কলাবাগান১ -র মন্তব্যগুলো ঐতিহাসিক আর বিজ্ঞানভিত্তিক এই দুই ভাবে ভাগ করে দেখা যেতে পারে (যদিও কলাবাগানের মন্তব্য পুরোই সাইন্টিফিক)।নতুনের ইতিহাসকেন্দ্রিক প্রথম মন্তব্যটা মুটামুটি মারাত্মক । সেটা হলো "আপনি বলেছেন যীষূখৃস্ট বাস্তবে ছিলেন, কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে ততকালিন কোন ইতিহাসবিদের লেখায় যীষুখৃস্টের নাম নেই। তার নাম আছে তারপরের বাইবেলে এবং বিবলিক্যাল লেখকের লেখায় । " এ’ধরণের জোরজবস্তি মন্তব্য করে নিজের পজিশন জাস্টিফাই করাটা খুবই আশ্চর্যজনক লেগেছে আমার কাছে । আমি অনেক কন্সপাইরেসি থিয়োরির কথা শুনেছি হজরত ঈসা (আঃ) সম্পর্কে । কিন্তু তার সম্পর্কে এই কথা শুনিনি যে সমসাময়িক কোনোই রিলায়েবল সোর্স হজরত ঈসার (আঃ) কথা বলেনি ! বিবলিকাল লেখকরা ছাড়াও সমসাময়িক মেইনস্ট্রিম ইতিহাসবিদদের লেখাতেই হজরত ঈসার (আঃ) উল্লেখ আছে যা এখনকার স্কলাররা অনুমোদন করেন । আমার কথার সপক্ষে কিছু প্রমান দেই ।

কেম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটি ফ্যাকাল্টি Dr. Simon Gathercole ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বিখ্যাত ইংলিশ দৈনিক দ্যা গার্ডিয়ানের একটা আর্টিকেলে হজরত ঈসার (আঃ) সম্পর্কে লেখেন যে “ The historical evidence for Jesus of Nazareth is both long-established and widespread. Within a few decades of his supposed lifetime, he is mentioned by Jewish and Roman historians, as well as by dozens of Christian writings.“ স্কলাররা এব্যাপারে একমত যে জেসাস সম্পর্কে সবচেয়ে পুরোনো উলেলখ পাওয়া যায় এপোস্টল সেন্ট পলের চিঠিতে যেগুলোর সময় নির্ধারিত হয়েছে জেসাসের মৃত্যুর ২৫ বছরের মধ্যেই । নিউটেস্টামেন্টের গস্পেলগুলো আরেকটু পরে জেসাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানায় যার শুরু হজরত ঈসার (আঃ)মৃত্যুর ৪০ বছরের মধ্যেই । Dr. Simon Gathercole এ'সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন “These all appeared within the lifetimes of numerous eyewitnesses, and provide descriptions that comport with the culture and geography of first-century Palestine.” সমসাময়িক নির্ভরযোগ্য নন ক্রিশ্চান সোর্সগুলোতেও হজরত ঈসার (আঃ) উলেলখ আছে ।যেমন একজন প্রসিদ্ধ ইহুদি ইতিহাসবিদ হলেন ফ্লাভিয়াস জোসেফাস (Flavius Josephus)। জুডাইজমের ইতিহাস নিয়ে তার একটা কাজ খুব প্রসিদ্ধ । ৯৩ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার প্রসিদ্ধ এই কাজটা তিনি করেন । এই ঐতিহাসিক কাজের দুই জায়গায় তিনি হজরত ঈসার (আঃ) উল্লেখ করেছেন। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো তিনি এপস্টোল জেমস (গসপেলের অন্যতম লেখক ) সপর্কে লিখেছেন brother of “Jesus, the so-called Christ” ! হজরত ঈসা (আঃ) সম্পর্কে এই ঘৃণাটা এখনো ইহুদিদের মধ্যে আছে তাই না ? এ থেকেইতো প্রমান হয়ে যায় তার অস্তিত্ব সম্পর্কে । কেউ যদি কাল্পনিক অস্তিত্ব হয় তার সম্পর্কেতো "so called " কথাটা বলার বা জেমসকে তার ভাই বলার দরকার নেই।নতুনের ইতিহাসকেন্দ্রিক যুক্তিটা তাহলে ডিবাঙ্ক হলো তাই না ?

এখন আসুন তাদের মন্তব্যের বিজ্ঞান ভিত্তিক বক্তব্যটা একটু আলোচনা করি । আলোচনার শুরুতেই বলি নতুন আর কলাবাগান১ দুজনেই বলেছেন আমি বলেছি পার্থেনোজেনেসিস (parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় হজরত ঈসা (আঃ) জন্ম নিয়েছেন ।এই কথাটা আমি কিন্তু আমার মন্তব্যে বলিনি আসলে (তখনো)। পার্থেনোজেনেসিসের কথা বলে আমি একটা ধাৰণা পুরোই খণ্ডন করতে চেয়েছি সেটা হলো ফার্টিলাইজেশনের বা ভার্জিন বার্থের জন্য মেল্ ফিমেল ইন্টারাকশনের দরকার আছে সেটা ধ্রুব সত্যি নয় । আমার এই বক্তব্য সত্যি । আর তাদের বক্তব্য পার্থেনোজেনেসিসের মধ্য দিয়ে শুধু মেয়েই হবে ছেলে হতে পারবে না এর উত্তরে আমি আমার দ্বিতীয় মন্তব্যে বলেছি তাদের বক্তব্য সত্যি না ।পার্থনোজেনেসিসের মধ্যে দিয়ে ছেলেও হতে পারে যেই প্রক্রিয়াকে Arrhenotoky বলে । কলাবাগান১ আমার উত্তরে ঠিক ভাবেই বলেছেন, "Arrhenotoky হল haploid (haplodiploidy) এখন আপনি ই বলেন এক সেট ক্রমোযোম নিয়ে কোন মানুষ বাচতে পারবে???" না,পারবে না ।কিন্তু আমিতো বলিনি যে হজরত ঈসার (আঃ) ক্ষেত্রে Arrhenotoky প্রক্রিয়াটাই ফলো করতে হয়েছে ! নতুন আর কলাবাগান১ দুজনেই আমার কথার উত্তরে উপসংহার টেনেছেন প্রায় একই ভাবে । নতুন বলেছেন, "মানুষের মাঝে নারী তার ডিম্বানু থেকে পুরুষ ভ্রুন সৃস্টি করতে অনেকগুলি অসম্ভব বিষয়কে সম্ভব হতে হবে। সেটা সম্ভব বলে মানুষ বিশ্বাস করে!!!" আর কলাবাগান১ বিজ্ঞানময়তার মতো স্পষ্ট করে বলেছেন 'তাই আমার কথা ছিল..মানুষের মাঝে parthenogenesis কোন ভাবেই সম্ভব না "! Arrhenotoky প্রক্রিয়াটা ফলো না করেও মানুষের ক্ষেত্রে পার্থনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সফল হতে পারে । আসুন দেখি এক্সপার্টরা এ বিষয়টা কিভাবে ব্যাখ্যা করছেন I

এখানে একটা কথা একটু পরিষ্কার করে আবার বলে নেই যার কিছুটা নতুনের লেখার মন্তব্যে আমি বলেছিলাম।সেটা হলো বিজ্ঞান বলে ভার্জিন বার্থ সম্ভব। মানুষের ক্ষেত্রেও পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে ।Arrhenotoky প্রক্রিয়াটা/ ধাৰণাটা মানুষের ক্ষেত্রে ভ্যালিড না । সেটা ফলো না করেও মানুষের ক্ষেত্রে ভার্জিন বার্থ ফার্টিলাজেশন সম্ভব আর একজন মেয়ের ছেলে জন্ম দান করাও সম্ভব । কিন্তু এই বাস্তব প্রক্রিয়াটাই হজরত ঈসার (আঃ) ক্ষেত্রে ঘটে ছিল কিনা আমরা জানিনা । সেটা এখন প্রমান করারও কোনো সুযোগ নেই কোনো ভাবেই । কারণ হজরত ঈসা (আঃ) বা তার মা-র কোনো ফরেনসিক টেস্ট এখন করার সুযোগ নেই । কিন্তু সম্ভাব্য দুটো অবস্থায় ভার্জিন বার্থের ব্যাপারটা বাস্তবেই ঘটতে পারে । সেটা মাথায় রেখে আশাকরি নিজের অংশটুকু সবাই পড়বেন ।

ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে ?
ভার্জিন বার্থখুবই রেয়ার কিন্তু একেবারেই কি অসম্ভব ধারণা এটা আধুনিক জেনেটিক্সের চোখে ?

স্যাম বেরি (Sam Berry) হলেন লন্ডন কলেজের একজন এমিরেট প্রফেসর । প্রফেসর বেরি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভার্জিন বার্থ যা একসময় যা ছিল একটা "implausible possibilities" বা অকল্পনীয় ধারণা সেটার বাস্তবতা সম্পর্কে বলেছেন । তিনি ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে মেরি একজন সুস্থ্য ছেলের জন্ম দিতে পারেন ভার্জিন হয়েও ।

নতুন আর কলাবাগান১ -র আগে উল্লেখ করা মন্তব্য থেকে নিশ্চই সবার মনে আছে যে ভার্জিন বার্থের বিষয়ে দুটি বায়োলজিকাল রোডব্লক হলো হজরত ঈসার (আঃ)কোনো পিতা ছিলেন না আর হজরত ঈসা(আঃ) ছেলে ছিলেন।এখানে আপাতঃ দৃষ্টিতে মেরির ভার্জিন বার্থের মধ্য দিয়ে ছেলে জন্ম দেওয়া অসম্ভব ।

মেরির ভার্জিন বার্থ বলতে বোঝায় ফার্টিলাইজেশন প্রসেসটা কোনো স্পার্ম ছাড়াই হতে হবে । এতে সমস্যাটা হচ্ছে তাহলো লিঙ্গ নির্ধারণী ক্রোমোজোমের ক্ষেত্রে । ম্যামাল বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর ফিমেল স্পেসিসের থাকে XX ক্রোমোজম আর ছেলেদের থেকে XY ক্রোমোজম । আর তাতেই সমস্যাটা হলো একজন মেয়ের পক্ষে কখনো একটি ছেলে জন্ম দেয়া হওয়া সম্ভব না y ক্রোমোজোম ছাড়া যা ভার্জিন বার্থের ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক (নতুন আর কলাবাগান১ খুশি হবেন না বেশি এখনই ! ) আর একজন পিতার থেকেই শুধু Y ক্রোমোজোম পেতে পারে একজন সন্তান।

তাহলে পার্থিব এমন কি কোনো সুযোগ আছে যাতে মেরির পক্ষে ভার্জিন বার্থে হজরত ঈসাকে (সাঃ) দেওয়া সম্ভব ধর্মগ্রন্থগুলো যা বলছে ? ধর্মগ্রন্থগুলোর দাবি কি কোনো ভাবে বিজ্ঞানের দৃষিটতে সমর্থনযোগ্য ? মূল প্রশ্নটা হলো এটা কি আসলেই সম্ভব ? প্রফেসর বেরি বলেছেন মেরির পক্ষে ভার্জিন বার্থ সম্ভব যদি তার একটা ফিজিক্যাল কন্ডিশন থাকতে হবে যাকে বলে 'testicular feminisation' ( androgen insensitivity syndrome -ও বলা হয় )। এই সিনড্রোম বা ফিজিক্যাল কন্ডিশনে একজন মেয়ের যে কোনো একটি ছেলের মতোই XএবংY দুটো ক্রোমোজোম থাকে কিন্তু তাদের X ক্রমোজোমে মিউটেশনের কারণে তাদের বডি খুব ইনসেন্সিটিভ হয় টেসটসটেরোনের (testosterone ), যা পুরুষ হরমোন, ব্যাপারে । আর এই ইনসেন্সিটিভিটি তাদের মেয়ে হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে । এর ফলে আপাত দৃষ্টিতে মেরি সন্তান ধৰণে অক্ষম মনে হলেও সে স্পন্টেনিয়াসলি সন্তান ধাৰণ করতে পারে আর তার সন্তান তার Y ক্রোমজম থেকেই ইন্ট্যাক্ট y ক্রোমোজোম পেতে পারে অর্থাৎ সে হতে পারে ছেলে I (এখানেই মানুষের পার্থেনোজেনেসিসের কথা চলে আসে । কলাবাগান১ যে প্রসেসটা অসম্ভব বলছেন সেটা আসলে অসম্ভব না ।হয়ত খুবই রেয়ার কিন্তু অসম্ভব বা অকল্পনীয় না ) । এই প্রক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে সন্তান মেয়ে না হয়ে ছেলে হবার ক্ষেত্রে কারণ হিসেবে জেনেটিসিস্টরা আরো একটা শর্তের কথা বলেছেন যা হলো "back mutation" অর্থাৎ X ক্রমোজোমের খুবই রেয়ার একটা রিভার্স ম্যালফাংশন যেটা ফার্টিলাইজেশনের প্রথম থেকেই 'testicular feminisation' সিন্ড্রোম হবার কারণ বা কন্ডিশনগুলোকে থামিয়ে দেয় ।আর তাতে এম্ব্রায়োর মেয়ে হবার সুযোগ থাকেনা ।

প্রফেসর বেরী ভার্জিন বার্থের আরেকটা সম্ভাবনার কথা বলেছেন তা হলো মেরি সম্ভবত ছিলেন 'জেনেটিক মোজাইক' (genetic mosaic) বা ‘genetic chimera’ অর্থাৎ ছেলে ও মেয়ের পৃথক দুটো ভ্রূণ জেনেটিক মিউটেশনের কাৰণে (একটার ভেতর আরেকটি প্রবিষ্ট হয়ে) একটি ভ্রূণ হিসেবে বিকাশ লাভ করেছে গর্ভে I মেরির ক্ষেত্রে ভ্রূণটা ছিল ফিমেল । যার ফলে তার ফিমেল বডিতেই সে X এবং Y দুটো ক্রোমোজমই ধাৰণ করেছে।তাতেই তার সন্তান ছেলে হয়েছে পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় । লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজের ক্যান্সার জেনেটিক্সের রিসার্চার ডক্টর আরতি প্রাসাদ ২০১২ সালে প্রকাশিত তার Like A Virgin-বইয়ে এই ধাৰণাকে আরো বিস্তৃত করে ব্যাখ্যা করেন । তার তত্ব অনুযায়ী মেরি হতে পারেন এমন একজন genetic chimera যিনি জন্ম নিয়েছেন একটি ছেলে ও মেয়ের যৌথ এম্ব্রায়ো থেকে ovotestes -সহ যার অর্থ এমন একটা ফিজিক্যাল কন্ডিশনে যেই ফিজিক্যাল কন্ডিসনে একজন মেয়ে তার বাবার থেকে পেতে পারে X ক্রোমোজম যাতে থাকতে পারে 'sprinkle of Y' ক্রোমোজম যা একটি ' hybrid ovary-testes organ' সৃষিট করতে পারে । মেরির ওভারিতে যদি একটা সুষম ব্যালান্স থাকে তার মেল্ আর ফিমেল টিস্যু ও হরমোনে তথা মেইল ফিমেল মেটারিয়ালসে তাহলে তার গর্ভাশয় একইসাথে স্পার্ম আর ডিম্বাণু ক্রিয়েট করে ফার্টিলাইজেশন প্রক্রিয়া সক্রিয় করতে পারে আর তা থেকে সন্তান জন্মদানের বাকি প্রক্রিয়া সমাপ্ত করতে পারে (If Mary only manifested her male material in her gonads and, again, had a perfect balance of masculine and feminine tissues and hormones, her ovotestes could have produced sperm and eggs simultaneously, sending them down the fallopian tubes together, and resulting in fertilization and implantation within her functional uterus.)। হজরত ঈসার (আঃ) ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে এই পার্থেনোজেনেসিস প্রসেসটার সম্ভাব্যতার কথাই আমি খানিকটা বলার চেষ্টা করেছিলাম নতুনের পোস্টে । নতুন আর কলাবাগান১ -এর মতে যেই প্রক্রিয়ায় মানুষের ছেলে সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব নয় । কিন্তু জেনেটিক্সের বিশেষজ্ঞরা কিন্তু এর সম্ভাব্যতার কথা অস্বীকার করছেন না ! উল্টো কলাবাগান১-এর কনফিডান্ট এলিয়ানা সিম্পসন আমার মন্তব্য সম্পর্কে বলেছেন: 'মলাসইলমুইনা এরকম ফালতু কমেন্ট কিভাবে করল?' আমি মাইক্রো-বায়োলজিস্ট বা জেনেটিসিস্ট নই মানছি কিন্তু আমার অল্প খানিকটা পড়াশোনা আছে এই নিয়ে । আমি খুবই ডেভোটেড স্টুডেন্ট এই বিষয়ের এখনো ।এলিয়ানা সিম্পসনের (এটা যদি কলাবাগান১ -এর নিক না হয় I সে একটাই মাত্র কমেন্ট করেছে সেদিন ব্লগে আর সেটা এই লেখায় ! কি করে করলো আল্লাহই জানেন !) মন্তব্যটা আমাকে ভীষণ অবাক করেছে ।

এই 'জেনেটিকাল মোজাইক' মানুষের ধাৰণা কিন্তু শুধু থিওরিটিক্যাল না । ডাচ স্প্রিন্টার Foekje Dillema -কে ১৯৫০ সালে ন্যাশনাল টিম থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল যখন সে বাধ্যতা মূলক সেক্স টেস্ট করতে অস্বীকার করে । পরে ইনভেস্টিগেশন থেকে জানা যায় তার শরীরে Y ক্রোমোজম আছে । তার ফিজিক্যাল এনালাইসিসে দেখা যায় সম্ভবত Foekje Dillema ছিল 46,XX/46,XY মোজাইক ফিমেল । আরেকটা উদাহরণ দেই এই জেনেটিকালি মোজাইক মানুষদের । ২০০২ আমেরিকার সালে ওয়াশিংটন স্টেটের লিডিয়া ফেয়ারচাইল্ড ডিভোর্সের পর চাইল্ড সাপোর্টের জন্য তার দুই বাচ্চার জন্য চাইল্ড সাপোর্টের আবেদন করলে ডিএনএ টেস্টের রেজাল্টের ভিতিত্তে তাকে তার বাচ্চার মা হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকার করে কর্তৃপক্ষ । কাৰণ ডিএনে টেস্টে দেখা যাচ্ছিলো লিডিয়া তার বাচ্চাদের মা নয় ! তাকে কর্তৃপক্ষ চাইল্ড সাপোর্ট ফ্রডের জন্য অভিযুক্ত করে । ডিভোর্সের সময় লিডিয়া প্রেগন্যান্ট থাকায় জাজ তার তৃতীয় বাচ্চা হবার সময় একজন অবজারভার রাখার নির্দেশ দেয় । আর ডেলিভারির পর পরই ব্লাড স্যাম্পল কালেক্ট কর হয় মা এবং নববর্ন বেবির ।কিন্তু সেই বাচ্চার ডিএনএ টেস্টেও দেখা যায় লিডিয়া তার বাচ্চার মা নন ! এই পাজল থেকে মুক্তি পাওয়া যায় যখন লিডিয়ার এটর্নি বোস্টনের 'জেনেটিক মোজাইক' Karen Keegan সম্পকে জানতে পারেন নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিকেল সাইন্স থেকে । তখন জানা যায় লিডিয়া দুই সেট ডিএনএ বহন করছে যা জেনেটিকালি মোজাইক মানুষের প্রধান চিহ্ন ! মানুষের মধ্যে এই 'জেনেটিক মোজাইক' কন্ডিশনটা খুবই রেয়ার । এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র ৩০-১০০ টি 'জেনেটিকাল মোজাইক' (বিভিন্ন প্রকৃতির) মানুষের খবর পাওয়া গেছে ।

আমার শেষ কথা

এই উপসংহারে একটা কথা বলা জরুরি। আমি কিন্তু বলছিনা যে প্রফেসর বেরী বা ডক্টর আরতি প্রাসাদের বলা এই পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমেই হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম হয়েছে ।সেটা হতে পারে নাও হতে পারে।মানুষের জানার সম্পূর্ণ বাইরে কোনো প্রক্রিয়াতেও সেটা হতে পারে। কোন প্রক্রিয়ায় সেটা হয়েছে সেটা আজ নিশ্চিত করে বলবার কোনো সুযোগ আর নেই।এখানে কোনো ডিএনএ টেস্ট করার সুযোগ নেই।আমি শুধু বলতে চাইছি যে ইসলামে বলা ভার্জিন বার্থের ব্যাপারটা কিছু মানুষ যেমন সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিতে চান ব্যাপারটা তেমন না।এটার সম্ভাব্যতার কথা খুব সম্প্রতিক গবেষণার কাৰণে এখনকার জেনেটিসিস্টরা স্বীকার করেন। কতগুলো শর্ত, যেগুলো খুব রেয়ার,অনেকটাই অকল্পনীয় কিন্তু অবশ্যই অসম্ভব না, পূরণ হলেই মানুষের ক্ষেত্রেও পার্থেনোজেনেসিসে ভার্জিন বার্থ-এর মধ্য দিয়ে ছেলের জন্মদান সম্ভব। লেখার শেষে আমি নতুন আর কলাবাগান১ দুজনকেই ধন্যবাদ দেই । ব্লগ লেখা থেকে তাদের বিশ্বাসগত অবস্থানটা সম্পর্কে আমি অনুমান করতে পারি। ধারণা করি,আমার বিশ্বাস তাদের বিশ্বাসের বিপরীত । তারাও সম্ভবত সেটা জানেন ।তবুও কঠিন ভাষার ব্যবহার ছাড়াই তারা একটা যৌক্তিক ও পরিশীলিত আলোচনা করেছেন নতুনের লেখায় আমার কমেন্টের উত্তরে একটা আপাতঃ অসম্ভব বিষয় নিয়ে ।

সবাইকেই এই আলোচনায় স্বাগতম ।


সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৬
৫৯টি মন্তব্য ৫৯টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

করোনা

লিখেছেন ম্যাড ফর সামু, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২২




বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ভর্তি হলেন কোন একজন মন্ত্রী মহোদয়, যিনি সিঙ্গাপুর থেকে আক্রান্ত হয়ে দেশে এসে ভর্তি হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ।

তাঁকে আপাতত কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় এসেছে ঘরে ঘরে মুসলিম,হিন্দু ঐক্যবদ্ধ সংঘঠন গড়ে তুলতে হবে

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২০

ভ্স্মীভূত কোরআন এভাবেই মাটিতে পুঁতে রাখছেন স্থানীয়রা। ছবি: এএফপি[/sb
আজকাল কথায় কথায় ব্লগ সহ প্রায় সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে নানান ধরনের কমেন্টে দেখা যায়,এক পক্ষ আছেন
যারা বিভিন্ন সংঘাত বা ঝামেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্লিজ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫


কিছু কথা আছে,
ফোনটা রেখোনা …………প্লিজ।

একা বসে আছি তোমারই অপেক্ষায়,
আর নিজেকে সামলাতে পারছিনা কিছুতেই
জানো কিনা জানিনা.
বোঝ কিনা বুঝিনা।
আমি সত্যি আর পারছিনা প্রিয়তমা।
আমার ঘেটে যাওয়া জীবনটাতে তোমাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনআরসি প্রতিবাদে মুসলমানদের রাস্তায় নামা কি ঠিক?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০৮



প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেইদিন দিল্লী এলো, সেইদিনটি কি রাস্তায় এনআরসি প্রতিবাদের জন্য "উপযুক্ত দিন" ছিলো? ট্রাম্পের ভিজিট মাত্র ১ দিন, এই দিন সম্পর্কে মোদীর সরকার ও বিজেপি খুবই সেন্সসেটিভ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতের মুসলিমদের উপর অত্যাচার এবং বাংলাদেশে মুজিব বর্ষে মোদির প্রাসঙ্গিকতা।

লিখেছেন রাজজাকুর, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৫

ভারতের Citizenship Amendment Act (CAA) এর উদ্দেশ্য আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিষ্টান এই ছয় ধর্মাবলম্বী অভিবাসীদের ভারতীয় নাগরকিত্ব দেয়া। কিন্তু প্রশ্ন হলো-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×