খবরটা পড়ে প্রথমেই মনে প্রশ্ন আসলো, কোন অবস্থায় ফুটফুটে একটি কন্যাশিশু আর সুন্দর একটি সংসার রেখে একজন মানুষ আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়! আত্মহত্যা করার আগে একবারও কি কেউ ভাবে, এই আত্মহত্যার কারনে তার একসময়ের প্রিয় মানুষগুলো কতটা কষ্ট পাবে! কতটা বিপদগ্রস্থ হবে! কিভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে আরও কতগুলো জীবন। হয়তো ভাবে, হয়তো ভাবে না। ভাবার মতো মানসিকতা হয়তো আত্মহত্যাকারীর থাকে না।
শেয়ার বাজারে সর্বস্ব হারিয়ে লিয়াকত আলীর মতো হাজার হাজার মানুষ আজ আপনার-আমার আশেপাশেই আছে। হয়তো কারো স্বামী, কারো ভাই, কারো পুত্র অথবা কারো বাবা। হয়তো সে লিয়াকতের মতোই ভুগছে মানসিক অস্থিরতায়। আর আপনার সামান্য ভুলেই হয়তো ঝরে যেতে পারে আরেকটি প্রান। হ্যা, ভুলেও এরকম ক্ষতিগ্রস্থ কাউকে দায়ী করবেন না তার সিদ্ধান্তের জন্যে। বরঞ্চ তাকে শান্তনা দিন এই বলে, আবার সুদিন আসবে। কেটে যাবে খারাপ সময়টুকু। সব রকম ভাবে তাকে উদ্দীপিত করার চেষ্টা করুন। কমপক্ষে, তার ভুলের কারনেই যে এই ক্ষতি সেটা তাকে কখনো মুখে বলবেন না, বা কাজের মাধমে বুঝাবেন না। এতে সে আরও অস্থির হয় উঠবে। বরং তাকে সাহায্য করুন মানসিক অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে। তার সাথে থাকুন । খারাপ সময় হয়তো কেটে যাবে, কিন্তু, প্রিয় মানুষ চলে গেলে আর ফিরে আসবে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



