এবার গোপাল কমলা বাগানের খোঁজে বাহির হইল। বহু দূর পথে সে এক বাগানের খোঁজ পাইল। উহাতে থরে থকে কমলা রঙের কমলা ঝুলিয়া রহিয়াছে। দেখিয়া গোপালের প্রান নাচিয়া উঠিল। এইবার একটা কিছু আবিষ্কার না হইয়াই যায় না।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন তলা দেখিয়া একটা কমলা গাছ বাছিয়া উহার নীচে গোপাল বিছানা পাতিল। বিছানায় শুইয়া বসিয়া সে সারাদিন কাটাইয়া দিল। মাঝে মাঝে উৎসুক নয়নে উপরদিকে তাকাইয়া পর্যবেক্ষনও করিল। কিন্তু হায়! কোন কমলা বৃক্ষচ্যুত হইয়া মাথা তো দূরের কথা এমনকি আশেপাশে কোথাও পড়িল না। আরও নিদারূন ব্যাপার হইলা আশেপাশের কোন গাছ হইতেই কোন কমলাকে গোপাল পতিত হইতে দেখিল না।
সন্ধ্যায় পাঠ্যপুস্তক প্রনেতাদের বকিতে বকিতে গোপাল বাটীর দিকে রওয়ানি দিল। এইরকম গাঁজাখুরি গল্প কেন যে উহারা বইয়ে প্রকাশ করে! আরেকটু হইলেই তো গোপাল গল্পটা বিশ্বাস করিয়া প্রায় ঠকিয়া গিয়াছিল। ভাগ্যিস হাতে কলমে পরীক্ষায় সে আসল সত্যটা ধরিতে পারিয়াছে! নিজের বুদ্ধিতে গোপাল নিজেই মুগ্ধ হইয়া নিজেকে তারিফ করিতে করিতে হাটিতে লাগিল.....
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০১২ রাত ১০:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



