somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গিয়াসুদ্দিন আল মামুন - বাংলার রাজনীতির আদর্শ নমুনা।

২৯ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংগৃহীত ও সংকলিতঃ উপরের যেই লোকটিকে দেখা যাচ্ছে, তার নাম গিয়াসুদ্দিন আল মামুন।এদেশের একজন সাধারণ ও মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে এই মামুন। প্রকৃত পক্ষে মামুনই হচ্ছে এদেশের রাজনীতিবিদদের আর্দশ নমুনা। মামুনের বেরে ওঠার ভেতর সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে বাংলার মূলধারার রাজনীতিবিদদের মৌলিক লক্ষ্য, অর্জন, আদর্শ ও মৌলিক চরিত্র। রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মামুনের সাথে শহীদ জিয়াউর রহমানের পরিচয় হয় ১৯৭৮ সালে। উপ সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান যখন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখন তিনি একবার গিয়েছিলেন সেই স্কুলে এক কর্মসূচিতে। ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরন আছে, অনেক কিবদন্তী নেতার রাজনৈতিক জীবনের সূচনাই হয়েছিল এমন কোন ঘটনায়। তো সেবার এই রাষ্ট্রপ্রধানের সামনে গিয়ে মামুন স্কুলের পক্ষে বলে বসেন, তাদের স্কুলে একটি ভালো মাঠের প্রয়োজন। ইতিহাসের গল্পের মত, জিয়াউর রহমান এই কিশরের সাহসে মুগ্ধ হন। গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের ভেতর দেশ ও জাতীর বিপুল সম্ভাবনা দেখতে পান।জিয়াউর রহমান তৎক্ষনাৎ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন এই স্কুলে একটি মাঠ তৈরী করে দিতে।সেই থেকেই মামুন জিয়ার ভক্ত। এবং জিয়াউর রহমানও ক্ষমতায় এসেই যেহেতু একটি রাজনৈতিক দল করার অভিপ্রায়ে সাহসী ও মেধাবী ছাত্রদের ভক্তছিলেন -এমন কি তৎকালীন এসএসসি ও এইচএসসিতে স্ট্যান্ড করা অভি ভাই, ইলিয়াস ভাইদের বিভিন্ন দেশ সফরের সময় সাথে রাখতেন তাই গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের কপাল খুলে গেল।

১৯৮৩ সালে মামুন ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হন। সেখানেই তার পরিচয় হয় বাংলাদেশের তারেক রহমানের সাথে। তারেক রহমানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুতে পরিনত হয় মামুন। সেসময় মামুনদের পরিবার নির্বাহের জন্য তাদের একমাত্র সম্বল ছিলো একটি ঔষধের দোকান, এলিফেন্ট রোডে বাটার সিগনালের সাথে। নাম ছিলো পূবালী ফার্মেসি।তারেক মামুন আরও বন্ধুদের সাথে এই দোকানে আড্ডা দিত। মামুনের ভাই হাফিজ ইব্রাহীম -পরে এম্পি হন - ভাইও তখন তাদের দোকানে নিয়মিত বসত। মামুনেরও বর্তমান সংসদে এমপি হিসাবে থাকার কথা ছিল কিন্তু ভাগ্য খারাপ। তবে ভবিষ্যতে হবে, মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রাখে সে।

এভাবেই তারেকের সাথে মামুনের সখ্যতা বেড়ে উঠতে থাকে। মামুনের নিয়মিত যাতায়াত ছিলো ক্যান্টনমেন্টে তারেকদের বাড়ীতে। যেখানে জিয়ার আরেক ছেলে কোকোর সাথেও মামুনের পরিচয় হয়।তারেকদের বাসার উলটো দিকেই থাকতো তারেকের মামা সাঈদ ইস্কান্দর। সাঈদ ইস্কান্দরের সাথেও মামুন একসময় ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। ক্রমান্বয়ে তারেক আর তার মামার শিপিং,টাওয়েল গার্মেন্টস ইত্যাদি ব্যাবসার সাথে মামুনের সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে। ১৯৯৫-১৯৯৮ সালের সময় মামুন নিজেই তার স্ত্রী আর পরিবারকে নিয়ে মিরপুর থেকে চলে আসে ক্যান্টনমেন্টের নাজির রোডে। তড়িত উন্নতি করতে থাকে !!

মানুনের ইতিহাস স্বর্নযুগ শুরু হয় ২০০১ সালে বি এনপি ক্ষমতায় আসার পর। এ সময়ে বিস্বস্ততা ও দক্ষতার গুনে মৃত রাজা জিয়ার পূত্র তারেক ও কোকোর নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিতে পরিনত হয় মামুন। মাত্র ৬ বছরে অগাধ সম্পত্তির মালিক হয়ে যান মামুন।যার সঠিক হিসাব জাতির অজানাই থেকে যাবে। নিচে বিভিন্ন জিজ্ঞাসাবাদে যেটুকু এসেছে তার একটি আংশিক বর্ননা দেয়া হলো।

জমি ও বাড়িঃ ১. মৌচাকে ২০ বিঘা জমি।
২. ইন্দিরা রোডে ১৩০০ স্ক্য়ার ফিটের ফ্ল্যাট।
৩. ওল্ড ডি ও এইচ এ ফ্ল্যাট।
৪. চ্যানেল ওয়ানের নামে ১৭ কাঠা সরকারী জমি বরাদ্দ মামুনের নামে।
৫. ভোলার বোরহান উদ্দিন থানায় তিন বিঘার উপরে একটি বাড়ী আছে।
৬. গাজী পুরে তার সেই বিখ্যাত বাড়ী "খোয়াব" যার মালিক মামুন।
৭. পুরানো ডি ও এইচ এস এ তার স্ত্রীর নামে একটি বাড়ী আছে। বাড়ীর নম্বর ৭৮, রোড ৬, বাড়িটি তৈরী করতে খরচ হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা। জমির মূল্য ২ কোটি। বাড়ীটি অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মান্নানের কাছ থেকে কেনা হয়েছে।

ব্যাংকে জমা টাকাঃ মামুনের স্ত্রীর নামে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে প্রায় চার কোটি টাকার মত এফ ডি আর।মামুনের এইচ এস বি সি ব্যাঙ্কে আছে ২১ লক্ষ ১৮ হাজার ৩১ টাকা(গুলশান ব্রাঞ্চ),স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্কে আছে ৯৬ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪১৭ টাকা ( মতিঝিল ও কাওরান বাজার শাখা), ৫০ লক্ষ টাকা (স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্কের গুলশান শাখা), ঢাকা ব্যাঙ্কের বনানী ব্রাঞ্চে আচে ১০ লক্ষ।

ব্যক্তিগত গাড়িঃ ১. 4000CC BMW ১টি
২. Lexus (sedan) ১টি
৩. Volvo ১টি
৪. 2500CC microbus ১টি
৫. Pajero ১টি

কোম্পানীঃ ১. রহমান নেভিগেশন এন্ড কোং -মামুনের ৩০% শেয়ার।
২. রহমান শিপিংস বাংলাদেশ - মামুনের ২৫% শেয়ার।
৩. খাম্বা লিমিটেড -মামুনের ২০% শেয়ার।
৪. পি সি আই এল -মামুনের ৬০% শেয়ার।
৫. অয়ান কম্পোসিট মিলস লিমিটেড -মামুনের ৪১% শেয়ার।
৬. ওয়ান স্পিনিং মিলস লিমিটেড -মামুনের ৫৫% শেয়ার।
৭. ওয়ান ডেনিম ফ্যাক্টরী মামুনের ৩০% শেয়ার।
৮. চ্যানেল ওয়ান -মামুনের ২১% শেয়ার।
৯. ওয়ান হোল্ডিং লিমিটেড -মামুনের ৭৫% শেয়ার।

সাঈদ ইস্কান্দর ও তারেক রহমানের সাথে ব্যাবসায় নেমে মামুন আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেয় ৬০ লক্ষ টাকা এবং এই ব্যাঙ্কের অর্থায়নেই আব্দুল গণী সিকদারের কাছ থেকে দুইটি জাহাজ কেনার অর্থায়ন করা হয়। ১৯৯৭ সালে তারা ৪ টি জাহাজ ক্রয় করে ২০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ দেখিয়ে এবং আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেয় ১ কোটি ৮০ হাজার টাকা, সাইদ ইস্কান্দরের স্ত্রী নাসরিন সাইদ পরবর্তীতে এই ব্যাবসায় নামে।

সাঈদ ইস্কান্দরের সাথে গার্মেন্টস ব্যাবসায় মামুনের বিনিয়োগ আছে। তারা ইউনিটেক্স এপারালস নামে এক্টি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী স্থাপন করে ৯০ টি মেশিন নিয়ে। যেখানে বিনিয়োগ করা হয় ২০ লক্ষ টাকার মতন এবং আই এফ আই সি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেয়া হয় ৫০ লক্ষ টাকা। এই প্রজক্টটি ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সালের সময়ে ১ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়।

প্রাক্তন এমপি এম এইচ সেলিম যে কিনা সিলভার সেলিম নামেও পরিচিত। তার সেথা মামুন একটি মিল, সিল্ভার লাইন কম্পোসিট মিলস লিমিটেড স্থাপন করে গাজীপুরে। সেলিমের জমিতে ৩০ -৪০ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করে আইএফআইসি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেয় ৬০ কোটি টাকার মতন এই মিল পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এই অংশ মামুনের শেয়ার ছিলো ২৫%।

মামুনের আর যেসব ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান আছে-ওয়ান টেক্স ডাইং ফ্যাক্টরী, খাম্বা লিমিটেড, প্রি-কাস্ট কনক্রিট লিমিটেড, ওয়ান কম্পোসিট লিমিটেড, ওয়ান শিপিং,আর ই বি টেন্ডার, ওয়ান কনসিউমার, ওয়ান ডেনিম ফ্যাক্টরী।

মামুনের উপার্জনের মধ্যে একটা বড় অংশ ছিলো কোনো কন্ট্রাক্ট করিয়ে দেবার নামে টাকা গ্রহন। ধরা যাক আপনি একটা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গঠনের অনুমতি পাইয়ে দিবেন, ব্যাঙ্ক স্থাপন করার অনুমতি পাইয়ে দিবেন, ইন্ড্রাস্ট্রী বানাবেন, কারখানা বানাবেন, শিপ কিনবেন, কন্সট্রাকশন করবেন, যাই করবেন না কেন তা মামুন আর তারেকের কাছ থেকে অনুমতি ও চাঁদা দিয়ে তা করতে হবে। তাদের মূল কার্যালয় হাওয়াভবন থেকেই এটি নির্ধারিত হত। এই কাজের জন্য মামুনকে সাহায্য করত মীর আক্তার লিমিটেড, আমদুল মোনেম লিমিটেড, রেজা কন্সট্রাকশন,বিডিসি,পি বি এল ইত্যাদি।

রোডস এন্ড হাইওয়েতে বিভিন্ন কন্ট্রাক্ট তার পরিচিতজনদের পাইয়ে দিয়ে ২০০১-২০০৫ সাল পর্যন্ত মামুনের এই খাতে আয় ছিলো ২০ কোটি টাকার মতন।

রেলওয়ের দুইটি টেন্ডার পাইয়ে দিয়ে মামুন পকেটে ভরে নেয় ৭৫ লক্ষ টাকা।

সেলিম ভুইয়া নামে একজন যে ছিলো নিক্কো রিসোর্সের এজেন্ট, তার কাছ থেকে কাজ পাইয়ে দিয়ে পকেটে ভরে ৮০ লক্ষ টাকা।

মিসেস খাদিজা ইসলাম কে ফেঞ্চুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের চুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য সেখান থেকে বদল দাবা করা হয় ১কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। এই কন্ট্রাক্টের প্রোপাইটার ছিলো নির্মাণ কন্সট্রাকশন।

সালমা ইসলামকেই টংগী পাওয়ার স্টেশনের চুক্তি পাইয়ে পাইয়ে দেয়া হয়েছিলো ৭ লক্ষ বিশ হাজার ডলারে যা জমা হয়েছিলো মামুনের সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাঙ্ক একাউন্টে। ( রবিনসন রোডের ব্রাঞ্চ,po box-1195, Singapore)

বাংলাদেশের হোসাফ গ্রুপ থেকে ৬ কোটি টাকা নেয়া হয়েছিলো ২০০১-২০০২ সালের দিকে একটা পাওয়ার স্টেশনের কন্ট্রাক্ট পাইয়ে দেবার বিনিময়ে। যে টাকা জমা হয়েছিলো আলাদা আলাদা লন্ডন ন্যাট ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক এবং সিটি ব্যাঙ্ক সিঙ্গাপুর।

অবসর প্রাপ্ত ক্যাপ্টেন রেজা, গিয়াসুদ্দিন আল মামুনকে ২ কোটি টাকা দেয় ময়মনসিংহে ফেইস-২ পাওয়ার স্টেশনের কাজ এবং ঢাকা উত্তর পাওয়ার স্টেশনের কাজ পাইয়ে দেবার জন্য।

তার এক বন্ধুর জন্য এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের সাথে (জিয়াউল হক জিয়া) মামুন লবিং করে। সেই বন্ধুর কোম্পানীর নাম কেআইসিএল। সেখান থেকে মামুন পকেট দাবা করে ৭৫ লক্ষ টাকা।

নরটেল কোম্পানির মুশফিকের কাছ থেকে মামুন ৫০,০০০ ইউ এস ডলার নেয় একটি চুক্তি নিশ্চিত করণের মাধ্যমে। এটি ২০০১-২০০২ সালের ঘটনা।

ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান আলী আসগর লবীকে ২০০২ সালে টি এন্ড টি’র একটা চুক্তি পাইয়ে দেয় ৬০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে।

ওয়াহিদ সালাম নামে এক ব্যাক্তিকে বিভিন্ন কন্সাল্টেন্সি জাতীয় সাহায্য দেয়ার জন্য ওয়াহিস সালাম নামের এক ব্যাক্তির কাছ থেকে নেয়া হয় ৫০ লক্ষ টাকা।

জিএম সিরাজ এমপি’র সাথে একটা ব্যাবসায় নামে মামুন। যেখানে উত্তরা মটর্স থেকে ৬০০ সি এন জি’র একটা চালান থেকে মামুন আর সিরাজ প্রফিট করে প্রত্যেকে ২ কোটি টাকার মত।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির একটি চুক্তি বাবদ মামুন আয় করে ২৫ লক্ষ টাকা। সূত্রঃ এদের চিনে রাখুন,একদিন এরাই আপনাকে ছিড়ে-খুঁড়ে খাবে ( ২য় পর্ব)
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:৩৮
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×