পুলিশ ভাইরে প্লাস, তবে কি এমন হত আর একটু জোরে এই কুলাঙ্গারদের গলার নলিতে চাপ দিলে ?
'একটি গাড়িতে আগুন দিতে পারলেই পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল আমাদের। বিএনপি বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমরা জড়িত নই। লেগুনার হেলপারির কাজ করি।' গতকাল রবিবার হরতাল চলাকালে রাজধানীতে পুলিশের হাতে আটক দুই কিশোর এ স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমির পাশে একটি হিউম্যান হলারে আগুন দেওয়ার সময় বোতলভর্তি পেট্রলসহ ওই কিশোরদের আটক করে পুলিশ। তাদের নাম সাদ্দাম ও সাগর।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি মাহমুদ হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশের কাছে এমনই সরল স্বীকারোক্তি করে তারা। গতকাল দুপুর ২টার দিকে গাড়িতে আগুন দেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়। পরে থানায় এনে আগুন দেওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা ঘটনার বর্ণনা দেয়। তাদের সঙ্গে আরো ছয়জন ছিল। তবে তারা পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আটক সাদ্দাম ও সাগর দাবি করেছে, টাকার বিনিময়ে গাড়িতে আগুন দেওয়ার চুক্তি হয় তাদের সঙ্গে। মোহাম্মদপুর এলাকার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি হাজি ইউসুফ এ চুক্তি করেন। তাদের কিছু টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। এ ছাড়া আগুন লাগানোর জন্য মোটরসাইকেল থেকে পেট্রল বের করে দেওয়া হয়। শনিবার তারা মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি গাড়িতে আগুন ধরানোর চেষ্টাও করেছিল বলে জানায়।
ওসি মাহমুদ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুই কিশোর এ ঘটনার হোতাদের নামও জানিয়েছে। এর পরও তাদের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
অভিযোগের ব্যাপারে বিএনপি নেতা হাজি ইউসুফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
(কালের কণ্ঠঃ ০৬-০৬-১১)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



