somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

আমার পরিসংখ্যান

আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

লালরঙের নীলকুঠি

লিখেছেন নিমগ্ন নির্জন, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:৩৩





সেদিন দুপুরে বৃষ্টি পড়ছিল খুব। চারিদিক ঘন কালো মেঘে আচ্ছন্ন। এই ঘোর দুর্যোগেও দুটো সাদা-কালো দেহ-- হাতে হাত-চোখে চোখ। দুজনে সাঁতরে পার হবে ইছামতি। নদী পেরোলেই ওপারে ঘন জঙ্গল। পারমাদন ফরেস্ট। বিষাক্ত সাপ, হরিণ, পাইথন, চিতাবাঘ, ছোট হায়না, শেয়াল, বুনো মুরগি'র পায়ে-পায়ে চলাচল। ছেলেটির... বাকিটুকু পড়ুন

৫ টি মন্তব্য      ১০০ বার পঠিত     like!

হিসিনল

লিখেছেন নিমগ্ন নির্জন, ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০৩




দু'হাজার সালের ভয়ঙ্কর বন্যা। চারিদিকে জল থৈ থৈ। ডাঙা প্রায় নেই বললেই চলে। যত দূরে চোখ যায় ধনী-দরিদ্রের সকল আস্ফালন-অভিমান বন্যার ঘোলা জলে মিলেমিশে আরো তেজিয়ান। জল বাড়ছে বই কমছে না। জাতি-ধর্ম-বর্ণ আজ মিলেমিশে একাকার। একই গাছে মানুষ-সাপ জড়াজড়ি ক'রে একটু বাঁচতে চাইছে একসাথে। কেউ কারো ক্ষতি করছে না।... বাকিটুকু পড়ুন

১৫ টি মন্তব্য      ১৪৯ বার পঠিত     like!

ধূসর গোধূলি

লিখেছেন নিমগ্ন নির্জন, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:৩০




যে বিকেলে গোধূলি বেলার লাল রঙে মিলেমিশে সোনাবৌয়ের প্রতিমার মতো রঙ সতীদাহের আগুনে পুড়ে কালচে কাঠ হয়ে গেল ,-তখনো খোল-করতাল-কাসর বাজছিলো উন্মাদের মতো, মৃত্যুযন্ত্রণা শব্দের তীব্রতায় ঢেকে দেবে বলে----
©
অধুনা বাংলাদেশের যশোহর জেলার অধীন নড়াইল সাবডিভিশনের লোহাগড়া-লক্ষ্মীপাশা-মল্লিকপুরে, তিনশো আটষট্টি ঘর গোঁড়া ব্রাক্ষ্মণ পরিবার একত্রে বাস করতেন। সারাদিন শাস্ত্র মেনে পূজোআর্চার সাথে... বাকিটুকু পড়ুন

২৪ টি মন্তব্য      ২৩৪ বার পঠিত     like!

তিসরি-মঞ্জিল

লিখেছেন নিমগ্ন নির্জন, ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২২



সত্যনারায়ণ কুন্ডু'র তখন রমরমা কাসা-পেতলের ব্যবসা। ষ্টিলের বাসন পত্রের ব্যবহার তখনো আসেনি। একটুআধটু এলুমিনিয়াম-হিন্দোলিয়াম এর বাহারী বাসন আসছে বাজারে। বাংলাদেশ থেকে অঝোর উদ্বাস্তুর ভিড় লেগেই আছে। অভাবে তাদের শেষ সম্বল কাঁসা-পেতলের ঘটি-বাটি-থালা বিকিয়ে যাচ্ছে জলের দামে। রাতারাতি আরো ফুলে ফেঁপে উঠছে আমাদের সত্যেন দাদু। এর সাথে চোরাপথে বাংলাদেশের... বাকিটুকু পড়ুন

৬ টি মন্তব্য      ১২৪ বার পঠিত     like!

বংশধর

লিখেছেন নিমগ্ন নির্জন, ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:২০



ভরা মাসের পোয়াতি আনজু বিবির ক'দিন থেকে শরীরটা মোটেই ভালো যাচ্ছেনা। পেটের মধ্যে দস্যিটার নড়াচড়া কখনো কমছে,- কখনো বাড়ছে। মাঝেমধ্যে একটা গনগনে গজাল্ পেরেক যেন তলপেট ফুঁড়ে উঠে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে,-- শূন্যে। ছামাদ মিঁয়া সকালবেলায় পটলের ফুল ছুঁইয়ে মাঠে লাঙ্গল দিতে যাবে। কদিন ধরেই বউয়ের এই নছল্লা আর সহ্য... বাকিটুকু পড়ুন

১৭ টি মন্তব্য      ২১৩ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৮৫৩ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ