কিন্তু ভিন্ন তত্ত্ব কি যা দার্শনিক গভীরতার উভয় দিক নিয়ে আলোচনা করেছে?
এই বার্তার উদ্দেশ্য কি?
হাজার হাজার বছর পুর্বে, অন্যগ্রহ থেকে আসা বিজ্ঞানীরা জীবনের রহস্য খুজতে গিয়ে পৃথিবীর সন্ধান পান এবং পৃথিবীতে সমস্ত প্রান সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের কাছে সংরক্ষিত ডিএনএ দ্বারা ক্লোনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিরুপেই তারা বর্তমান মানব সম্প্রদায়কেও সৃষ্টি করেছেন। ভিনগ্রহ থেকে আসা এই বিজ্ঞানীদের অস্তিস্থ পাওয়া যায় শুধু মাত্র অতিপুরান কাহিনীগুলোতে। তাদের এই অতি উন্নত প্রযুক্তির কারনে অতীতের সভ্যতা তাদের ঈশ্বর, ভগবান, আল্লাহ’সহ বিভিন্ন নামে আখ্যায়িত করেছে এবং তাদেরকে “ইলোহিম” নামেও তাওরাত, জবুর ইঞ্জিল তথা বাইবেলসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও পুরানে আথ্যায়িত করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হিব্রু ভাষায় “ইলোহিম” শব্দের অর্থ “যারা নক্ষত্র থেকে এসেছে”।
যদিও ইলোহিম বহুবাচক শব্দ কিন্তু ভুল অনুবাদের কারনে শব্দটি একবাচক শব্দ ‘ইশ্বর বা God’এ রুপান্তরিত হয়েছে।
যাইহোক, যারা আকাশ থেকে এসেছে; (ইলোহিম ) বিভিন্ন বার্তাবাহকের মাধ্যমে পৃখিবীর মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন যাদেরকে “নবী” বলা
রায়েলি আন্দোলন হচ্ছে একটি অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংস্থা। এটা তাদেরই জন্য যারা সেচ্ছায় মানব সভ্যতার প্রকৃত সত্য সম্পর্কে জানতে চায় এবং মানুষকে জানাতে চায় ইলোহিমদের বার্তা সম্পর্কে। ইলোহিম- অতি উচ্চ বৈজ্ঞানিক ক্ষমতা ও প্রযুক্তি সম্পন্ন বহিঃজাগতিক সভ্যতা যারা পৃথিবীতে মানুষসহ সমস্ত প্রান সৃষ্টি করেছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



