মানুষের হতো যদি বায়ু পরাগায়ন
যুবতী মেয়েরা হতো গর্ভবতী যখন তখন
ধুনুরির হাতের মতো দ্রুতবেগে;
রাত্রি কিংবা ভোর- কিছুরই থাকতো না কোন হিসেব নিকেশ
জলজ গুল্মের মতো সর্ববালিকা খুলে নিতো আপন কপাট...
চড়–ই জীবনে বন্ধ হয়ে গেলে সকল ভেন্টিলেটর
জলের সিম্ফনি শুনতে শুনতে রাত্রি যাপন
আহা! কী যে সুখের এই জীবন, সিল্কবৃষ্টি যেনো...
শূন্যতা আমাকে নিয়ে কানামাছি খেলে সারারাত
দেবীহীন শূন্য মন্দিরে কার কাছে জানাবো আকুতি?
আরব্য রজনীর আধারে সার্কাসের বাঘেরা খেলা করে
বৃন্তচ্যুত ফুলের মতো বসে আছি জোনাকী আগুনে
মগজে কিছু নেই, বসে আছি মৃতের অনুকরণে
ক্ষয়ে যাওয়া মানুষের মতো নপুংসক হতে পারি নি বলে
সময় চলে যায় হৃদয়ের সুতো কেটে... নির্জন সুরে সুরে...
সমুদ্রের অস্থিরতা ভুলে গিয়ে
বিকেলের ধুলোপথে... রৌদ্রবিভায়
ছড়িয়ে দিলাম জীবনের শেষ চিরকুট...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



