শাওন বলে আমার বড় বোন শিরিন আপাকে আব্বা বিয়ে দিল সতর্কহীনভাবে। টাইকনা মাওলানার সাথে। ফি বছর শুধু প্রডাক্টশন দিতে জানে। বউ অসুস্থ থাকলেও সহবাস মিস করে না একদিনও। আল্লাহর দান র্বীর্য সব বেতালে ফেলতে নাই। বার্থ কন্ট্রোল ব্যবহার করলে মার খেতে হয় স্বামীর হাতে। দিনে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দেয়। রাতে বউ পাশ ঘেষে ঘুমানো।
জোর করে আদায় করে নেয়া। সেক্স বিষয়টা পুরুষের ব্যাপার যখন চাইবে সাথে সাথে দিতে হবে।
শ্বশুর বাড়ী থেকে খাওয়া। মুটকি হওয়া । আর কুচির শলা দিয়ে বউকে পেটানো কি নির্মম হতে পারে। টাইটেল পাশ মাওলাণা। ডাবল এম এম পাশ। সেকি চাকুরী করবে। দ্বীনি তরিকায় বউ পিটাবে আর খাবে। জামাই যখন হইছি তখন খা বসে বসে কিন্তু বউকে মারবি কেন।
এবার থামে শাওন। নি:শ্বাস নেয়। দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে আবার বলে। স্কুলের পড়া পড়ব । নাকি প্রতিদিনের হৈচৈ শুনব।
সকালে বড় শিরিণ আপাকে কুচি শলা দিয়া মারে দুলাভাই। তারপর মেজ আপা শায়লা যখন স্কুল থেকে আসে তখন দুলাভাইকে বকা দেয়।
নিলজ্জ
শয়তান
শ্বশুর বাড়ী খাবে আর বউকে মরবে।
মুরোদ নেই বউকে খাওয়ানোর।
লজ্জায় মাথা হেট হয়ে আসে।
পাড়া শুদ্ধ সবাই ছিছি করতে থাকে।
শকুনের থাবা মেলে শালির দিকে ছুটে আসে শোকেসের নিচে থাকা দা নিয়ে।
মাগো বাঁচাও । আমারে বাচাঁও
হঠাৎ চিৎকারে সবাই জড়ো হয়।
পাশের বাসা থেকে ছুটে আসে শ্যামল ও পরিমল চাচা। সাথে তার বোন প্রিয়াংকা।
প্রিয়াংকা
ধর ধর শালরে পিটা।
শ্যামল কি করছ পিটা! শালারে পিটা!
শুরু হলো ধুম ধুম। কিল ঘুসি লাথি।
ওরে মাগো গেলাম। মরে গেলাম
নাটকের প্রথমঅঙ্ক শেষ
এবার দোকানে খবর যায়। শিরিনের ভাই সাগর আসে।
এসে যখন শুনে এই কান্ড সাথে সাথে
হাতে থাকা টিফিন ফেলে দিয়ে মস্ত বড় এক ইট নিয়ে । জালানা দিয়ে ছুড়ে মারে টাইটেল পাশ মলানার দিকে। ইটের গতিতে সুপারিগাছের চেরার তৈরী শিক ভেঙ্গে গতি স্লথ হয়ে যায়।
বেচে যায় টাইটেল পাশ মাওলানা।
পাশের ঘরে যায় জামাই।
মাওলানা শাকুর আলী দুপুর ও রাতের খাবার খায় না
চাচি শ্বশুড়ী, মামী শ্বশুড়ী যেই সাদুক খাবার খায় না।
পরিমল পেশায় উকিল। প্রতিবেশী শ্বশুড়। মাইর দিতে গিয়ে জামাইর হাতে বুকে লাথি খায়।
সে এবার গোমস্থা অলককে পঠায় তার কাছে মাফ চাওয়ার জন্য।
জামাই মাফ চাইবে না।
রাতে পরিমল উকিল আসে। কথা বলে শিরিনের বাবা রকমান মিয়ার সাথে
পর্দার পাশে দাড়ায় আলেয়া বানু।
সুখ শান্তি আল্লাহর দান কপালে থাকলে হবে। জোর করে সুখ হয় না।
শালিকে কেউ মারতে যায়। আমার জীবনে এই প্রথম দেখলাম।
আরে শালি হইচে সবচেয়ে কাছের মানুষ্।
দুলাভাই শালি সম্পর্ক হল সব চেয়ে কোতুকপূর্ন।
[চলবে]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

