জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ঃ
‘বাবারা আমাকে মারবেন না। আমি বৃদ্ধ মানুষ, আপনাদের বাবার বয়সী, আমাকে ছেড়ে দেন। তার পরও আমাকে মারতে মারতে হলের মধ্যে নিয়ে গেলো। সারা শরীরে এখন ব্যাথা, বিছানাই শুতেও পারছিনা’। এ ভাবেই কান্না জড়িত কণ্ঠে বলছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের পার্শবর্তী পুকুরের প্রহরী ষাটোর্ধ বয়সী মো: শহীদুল ইসলাম। মাছ না ধরতে দেওয়ায় মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ কর্মী নাহিদের (৩৯ তম ব্যাচ, বিবিএ) নেতৃত্বে ৮/১০ জন কর্মী ওই ব্যাক্তিকে ৩ ঘন্টা মারপিট করে। ওরা হলের বড় ভাইয়ের রাজনীতি করে বলে কেউ কিছু করতে পারবেনা বলে এ মারপিট করে জানায় হামলাকারীরা।
সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকালে নাহিদ মীর মশাররফ হোসেন হলের পার্শবর্তী পুকুর থেকে মাছ ধরতে গেলে ওই পুকুরের প্রহরী মো: শহীদুল ইসলাম মাছ না ধরার অনুরোধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাহিদ তার সহযোগী ছাত্রলীগ কর্মীদের ডেকে আনে এবং ওই প্রহরীকে মারপিট করে। একপর্যায়ে মারতে মারতে হলে ধরে নিয়ে যায় এবং হলের অতিথি কক্ষে নিয়ে ৩ ঘন্টা ধরে বেদম প্রহর করে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন তাকে উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলো প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর লীজ দেওয়া হয়। ওই লেকটিও ৩ লক্ষ ৬১ হাজার টাকায় তিন বছরের জন্য লীজ দেওয়া হয়েছে। লীজ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মাছ ধরার বিষয়ে কোন অনুমতি সম্বলিত শর্ত নাই বলে জানা গেছে। কিন্তু মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীরা প্রতিনিয়ত মাছ ধরে। আর এতে বাধার দিলেই হামলার স্বীকার হতে হয় প্রহরীদের। একই সাথে চরম লোকসান গুনতে হয় মালিকদেরকে। ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও অবহিত করতে পারে না। অভিযুক্ত নাহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ওই ব্যাক্তির কাছে ক্ষমা চেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরজু মিয়া বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
#......................................
মাহফুুজল হক
০১৯১২ ৫৪৫৭৯৯
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ঃ
‘বাবারা আমাকে মারবেন না। আমি বৃদ্ধ মানুষ, আপনাদের বাবার বয়সী, আমাকে ছেড়ে দেন। তার পরও আমাকে মারতে মারতে হলের মধ্যে নিয়ে গেলো। সারা শরীরে এখন ব্যাথা, বিছানাই শুতেও পারছিনা’। এ ভাবেই কান্না জড়িত কণ্ঠে বলছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের পার্শবর্তী পুকুরের প্রহরী ষাটোর্ধ বয়সী মো: শহীদুল ইসলাম। মাছ না ধরতে দেওয়ায় মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ কর্মী নাহিদের (৩৯ তম ব্যাচ, বিবিএ) নেতৃত্বে ৮/১০ জন কর্মী ওই ব্যাক্তিকে ৩ ঘন্টা মারপিট করে। ওরা হলের বড় ভাইয়ের রাজনীতি করে বলে কেউ কিছু করতে পারবেনা বলে এ মারপিট করে জানায় হামলাকারীরা।
সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকালে নাহিদ মীর মশাররফ হোসেন হলের পার্শবর্তী পুকুর থেকে মাছ ধরতে গেলে ওই পুকুরের প্রহরী মো: শহীদুল ইসলাম মাছ না ধরার অনুরোধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাহিদ তার সহযোগী ছাত্রলীগ কর্মীদের ডেকে আনে এবং ওই প্রহরীকে মারপিট করে। একপর্যায়ে মারতে মারতে হলে ধরে নিয়ে যায় এবং হলের অতিথি কক্ষে নিয়ে ৩ ঘন্টা ধরে বেদম প্রহর করে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন তাকে উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলো প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর লীজ দেওয়া হয়। ওই লেকটিও ৩ লক্ষ ৬১ হাজার টাকায় তিন বছরের জন্য লীজ দেওয়া হয়েছে। লীজ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মাছ ধরার বিষয়ে কোন অনুমতি সম্বলিত শর্ত নাই বলে জানা গেছে। কিন্তু মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীরা প্রতিনিয়ত মাছ ধরে। আর এতে বাধার দিলেই হামলার স্বীকার হতে হয় প্রহরীদের। একই সাথে চরম লোকসান গুনতে হয় মালিকদেরকে। ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও অবহিত করতে পারে না। অভিযুক্ত নাহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ওই ব্যাক্তির কাছে ক্ষমা চেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরজু মিয়া বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
#......................................
মাহফুুজল হক
০১৯১২ ৫৪৫৭৯৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

