ধর্ষক যুবকের বয়স ২৬/২৭ বছর। সে কবর স্থানে পানি দেয়ার কাজ করতো। সে ও তার আরেক সহকর্মী মিলে ৪৮ টি মৃত নারীকে কবর খুঁড়ে তুলে ধর্ষণ করেছিল।
যুবক ৪৮টি ধর্ষনের কথা সরাসরি স্বীকার করলেও, দেখা গেছে, সে এরপর এককভাবে আরো কিছু ধর্ষণ করে। যুবক এখানে কখনো দু’টো/তিনটে এমন সংখ্যা বলে।
তবে অন্যান্য রিপোর্টে দেখা যায় — যুবক কর্তৃক কবর খুঁড়ে নারী শব ধর্ষণ সংখ্যা ৬৫!!!
কবর স্থানের অন্যান্য কর্মীরা জানান, যুবক নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাযও পড়ত। মানুষের এমন পৈশাচিক আচরনে হতবাক বা বিহবল কোনোটাই হওয়া যায়না। এমন ধরনের ঘৃণ্য কাজের কি শাস্তি হতে পারে তা শুধু অনুধাবনই নয় বরং এর দ্রুত বাস্তবায়নই আশা করে সাধারন সমাজ।
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি , মানসিক ভারসাম্যহীনতা ছাড়া এরুপ আচরণ অসম্ভবপ্রায় !!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


