সারাদিন কত কত কথা মাথায় ঘোরে। চোখের সামনে আছে এমন হেন জিনিস নেই যা নিয়ে নিজের সাথে নিজে কথা বলিনা। তবু কিছু লিখতে বসলেই মাথাটা খালি হয়ে যায়।
ভাগ্যিস আমি লিখলাম কিনা, বা কী লিখলাম তা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। এই ব্লগ বলি আর নেট-ই বলি, এরা আমাদের অবারিত স্বাধীনতা দিয়েছে বলার। সুখের বিষয়, সবার কথা শোনার মত মাথার দিব্যি এখানে কেউ কাউকে দেয়নি। আমি দিনের পর দিন আসি বা না আসি, বাঁচি না মরি তার খোঁজ কেউ নেবেনা। সবাই সবার হলেও কেউ আর কারো নয়।
এই বেশ ভালো, চাইলেই অদৃশ্য থাকা যায়। তবে সামুতে আসার পর নিজের মাঝে একটা অদ্ভুত ব্যপার খেয়াল করলাম। যদিও জানি আমার লেখা কেউ পড়বেনা, কারন আমি হলেই এমন লেখা পড়তাম না, তবু মনের মধ্যে খচখচ করে। মনের কোন কোণ থেকে যেন খোঁচা খাই, আহা! কেউ পড়লোনা
অথচ আমার চেয়ে ভালো করে এই অনুভূতির অসারতা, যুক্তিহীনতা আর কে জানে? তারপরও এমনটা হয়। আমার মত অতি সাধারণ মানুষেরা অসাধারণ না হয়েও তার জন্য হাপিত্যেশ করে। শালা! একটা, নয় আধখানা দিক দিয়েও যদি অসাধারণ হওয়া যেত।
একটা মজার কথা মনে পড়লো। আমি প্রতিবার ঈদে অনেক ঘুরেফিরে যে পোশাকটা কিনি, তা কেমন কেমন করে যেন অত্যন্ত কমন হয়ে যায়। তার মানেটা হল, এমনকি আমার পছন্দ পর্যন্ত অতি সাধারণ। তাই আমার মত গাধারা যদি সুযোগ পেত নিজেকে অন্যরকম করে বদলে নেয়ার, বোধহয় তারা সবাই একইরকম ভাবে বদলাতো। ফরে আসলে বদলাতোনা কিছুই।
আচ্ছা, সাধারণ বলে নিজেকে আবার অতিবিশেষায়ণ করে ফেলছি নাতো! ধুর ছাই! আসলেই তো, আমি যে নিম্নবুদ্ধিবৃত্তির অধিকারী, সেটা ধামাচাপা দেয়ার জন্যই বুঝি এত কথা বললাম। তবে কিনা আমি এমনই অকর্মণ্য যে ধামাচাপা দেয়ার কাজটাও ঠিকমত করতে পারিনি। নির্বোধ আমার পরিচয় ফাঁস হয়েই গেল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

