"১২ মার্চ চলো চলো ঢাকা চলো কর্মসূচী নিয়ে কিছু কথা"
প্রথমে কিছু বক্তব্যঃ
বাধা দিলে পরিণাম শুভ হবে না-খালেদা জিয়া
অবশেষে বিকল্পধারার প্রতিষ্ঠাতা বি চৌধুরীকেও পাচ্ছেন খালেদা!
‘৩ লাখ র্যাব-পুলিশ নামিয়েও কাজ হবে না’-ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
১২ মার্চ ঢাকায় ২০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে’-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ।
সরকার নাশকতা ঘটিয়ে দায় চাপাতে পারে : বিএনপি
ঢাকা চলো’র নামে নাশকতা সহ্য করা হবে না: ফরিদপুর আ’লীগ
সারাদেশের শিবির ক্যাডাররা এখন ঢাকায়!
"চলো চলো ঢাকা চলো" কর্মসূচী দিয়ে বিএনপি তার দাবীগুলো আদায় করতে চাইছে! দাবীগুলো যায় হোক মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনরায় চালু করা আর জামায়াত ন'জন্মদের মুক্ত করার দাবিই প্রধান।আর আওয়ামীলীগ সেই কর্মসূচী রোধ করার জন্যও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মূলত সেই রাজনীতির পুরাতন কাঁদাছোড়াছুড়ি। দুদলেরই যুদ্ধাংদেহি মনোভাব। মাঠ প্রস্তুত দুপাশে দুদলও প্রস্তুত। খেলার বাশি বাজানো শুধু বাকি! ফুটবলটা কে? আবার জেগায় জনগণ ছাড়া আর কে হইব! এই দুদলের লাত্থি গুতা খাইতে খাইতে আমরা সাধারণ জনগণ আজ ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা!
এবার আসল কথাই আসি... বিএনপি খুব ভালো করেই জানে সরকার কোনভাবেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনরাই চালু করবে না। তাও যেদিন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার উঠিয়ে নেয়া হয়েছে সেদিন থেকেই বিএনপি মাঠে! আর দাবি সেই একটাই! দেশের আর কোনও সঙ্কটে তাদের মাথা ব্যাথা নেই! তাজ্জব! প্রমান কি হোল? সেই ক্ষমতা সেই ক্ষমতা হারাবার ভয়েই তাদের একটাই দাবি! আর আওয়ামীলীগ? সেই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতেই তাদের এই অনৈতিক ব্যবস্থা!
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা তুলে দেয়াটা একেবারেই অনুচিত। এর পক্ষে বিপক্ষে কথা থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের ইতিহাস বলে যদি কিছু হয়ে থাকে তাহলে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়েই হয়েছে। তাই বলে এই এক ইস্যুতে বছরের পর বছর ধরে আপনারা মুখে ফেনা তুলে ফেলবেন,সংসদ বর্জন করবেন,রাজপথে নাশকতা সৃষ্টি করবেন এটা কোন ধরনের রাজনীতি?
ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এখনও যদি দেশে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি,কিছু সত্যিকারের নেতা থেকে থাকেন তাহলে আছেন আওয়ামীলীগে । দলটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া হলেও এখন সেই আদর্শ অতি দুরের অস্ত!আর বিএনপিতে সেই তুলনাই খুব কমই আছেন। আর আছেন গোবরসর্বস্ব কিছু নেতা আছেন যাদের একটাই কাজ সকাল বিকাল খালেদার জিয়ার পাচাটা।
আমরা জনগণ সারাজীবন ফুটবলই হয়ে থাকবো। তবে হুঁশিয়ার ফুটবল ফেটে গেলে কিছু আণবিক বোমার মত বিস্ফোরণ ঘটবে। আর আমরা সেই দিনটির অপেক্ষাতে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


