তোমাকে দেখতে যাবো সাধু যোশেফের সমাবেশে
উনিশ শ' একাশি খ্রিস্টাব্দের সোনালি উৎসবে;
তখন আমার দুঃখ মাধ্যমিক, আর তুমি নিম্নমাধ্যমিকে___
এ রকম উৎসব পুনরায় স্মৃতিতে সম্ভব। তোমাকে দেখতে
যাবো অনুতপ্ত স্মৃতিসম্মেলনে। যে রকম প্রাথমিক
গণিতের দিনে দেখতে গিয়েছি সেই জোয়াড়ির
বিশীদের বাড়ি; বাড়িতে মানুষ নেই__ বাড়িটিও নেই___
তবু আমি ঘুরে ঘুরে কেন দেখি সারাটি দুপুর?
তুমি নেই, কখনও ছিলে না___ অস্তিত্ব বিষয়ে এই
চিরায়ত অনুজ্ঞাও অস্বীকার করছি বিনয়ে; আমার যে কোনও পণ
সবিনয় জেদ। অতএব যাবো, তোমাকে দেখতে যাবো স্থাপনদিঘিতে;
রাণীভবানীর ছাদে যে রকম সারারাত তোমাকে দেখেছি___
শিশিরের ছলে শুধু রক্ত ঝরেছে সারারাত___ রাতভর
নক্ষত্রের বীভৎস শরীর থেকে সহিংসার অগ্নি ঝরেছে ...
ঝলসে যাওয়া দেহে তবু পালিয়ে আসিনি; সাহসী ইচ্ছায়
দৃঢ় ভষ্মে হতভম্ব দাঁড়িয়ে থেকেছি আর দেখেছি তোমার নৃত্য
ভয়ঙ্কর অগ্নিদিঘিতে ...
তোমাকে দেখতে যাবো, চন্দ্রাবতী কবিতা আশ্রমে____
গীতিকা উৎসব যদি ব্যর্থ হয়___ অসম্ভব স্বপ্ন হয়ে যায়___
তবু যাবো; রোদ ভেঙে, শিশির মাড়িয়ে, বাসে-ট্রেনে,
পায়ে হেঁটে, ঘুমের ভেতরে ... অবিকল্প, নিশ্চয় যাবো!
একবার, তোমাকে দেখতে যাবো, অ স ম্ভ বে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

