ওপাশের হাসি-০৭
ওভাবে তুমি না তাকালেও ভাল হতো। হতো কি, ভাল ছিল সেটাই বরং।
বরং আমিই কেবল তাকাতুম , তুমি বসে থাকতে রিকশায়, দৃষ্টি তোমার সম্মুখে কোন রিকশার পেছনের হস্তআঁকা নায়ক নায়িকার চেহাররার সাথে প্রকৃতজনের মিল খোঁজায় ব্যস্ত থাকত। থাকত তোমার হাতের ডান বামে পদব্রজে সামনে কিংবা পেছনে এগিয়ে চলা অচেনা অজানা মানুষের সাথে আমার এই শুকনো কীষ্ট চেহারা খানাও অচেনা অজানা। অজানা ছাড়া খুব বেশী ইতিবাচক কোন শব্দ তোমার আর আমার মাঝে কোন সম্পর্কেও নাম বোধহয় আজ আর হয়না, সখ্যতাটুকুও তুমি মাটি চাপা দিচ্ছ রোজ একটু একটু করে যদিও জানি সে মাটির প্রতিটি ফোঁটায় যতটুকু সিক্ততা তার সবটুকু তোমারই সে অর্র্পূর্ব দুটি চোখ হতে ঝরে পরা কান্না। কান্না চোখে নেই আমার, মনের ভেতর তুমি দেখতে পাও কিনা আজ আর বলনা, তাই বুঝিনা আমিও, কিন্তু সামনে থেকে গলিটা বাঁক নিতেই রিকশায় তোমার মুখ টা একটুও ভাবতে দেয়নি , তুমি না অন্য কেউ , নিশ্চিত হবার আগেই আমি নিশ্চিত হয়েছিলাম এবং জিজ্ঞাস করব ভাবছিলাম, সেই কবরে কতটা মাটি দিয়েছ তোমারই হাতে। হাতের কোন দোষ দেবনা, সেটা তোমার দিকে স্বপ্রণোদনেই উঠেছিল, কণ্ঠও জিজ্ঞেস করেছিল, কোথাও যাচ্ছ, কবরের মাটির কথাটুকু নিরবে মনেতেই পরেছিল। পরেছিল মনে কতদিন দেখিনা তোমাকে, মুগ্ধতার কোন সীমা ছিলনা তাই। তাই বুঝি তোমার রিকশার গতিও বেড়ে গিয়েছিল , শুধু মাথাটা কিঞ্চিৎ তোমার বেঁকেছিল বামে , ওতে আমি সেই উতলা বেলায় কি আর বুঝব । বুঝব সামনে আরো যে কষ্ট কারন তারপরই শেষমুহূর্তে শুধু দেখলাম আমার ডান পাশ দিয়ে মিলিয়ে গেলো সবচেয়ে প্রিয়, তোমার সে হাসি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

