ঁ
ঁযখন সময় ছিল খুবই সীমিত, অন্য কোন ব্যস্ততার অমোঘ আবশ্যকতায় স্থান ত্যাগ করা হয়ে ওঠে বাঞ্চনীয়, ঠিক তখনই একরাশ হাসি নিয়ে জানালায় এসে দাঁড়িয়েছিল সে। অথচ সকালে ঠোঁট দুটো ছিল একেবারেই নিশ্চল, যাকে বলা হয় খাশ বাংলায় - গোমড়া মুখ। ডিম্বাকার নান্দনিয় মুখাবয়য়ে যেন ঠোঁট দুটো ছিল ভীষন বেমানান। অভিমান টুকু যে পরিমাণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েও জমে গিয়েছিল সাত সকালে আমারই মাঝে কোন গোপনীয়তায় , তা যেন এই মুহূর্তে উবে গেলো মহাজাগতিক শূণ্যতায়। পা দুখানা নিরব আদেশ অমান্য করে অটল থাকতে চাইল। কিন্তু ব্যস্ততা বাস্তবিক সত্য হয়ে টানতে শুরু করেছিল ভীষণ বল প্রয়োগের সাহায্যে। ও হাসছিল , হাসি যেন ময়ূরের পেখম ছড়ানো শান্তি হয়ে বাতাসের কানে কানে সুরসুরি দিচ্ছিল আর আমি সে সুরসুরিতে হচ্ছিলাম আপ্লুত। ও হাসছিল, থামছিলনা। চোখ দুটোতে বোবা ভাষায় বলে দিচ্ছিল, দিঠি তার ওনে কেবলই দেখছিল এই আমাকেই। আমি ব্যস্ততার সেই অন্য মাত্রায় যাবার প্রয়োজন ভুলে যেতে বসছিলাম। ভাবছিলাম, জীবন কেন মুহূর্ত হয়ে হয়ে আমাদের কাছে আসে, এর সবই তো ক্ষণিক। ক্ষনিকেই ভাল লাগা, ক্ষনিকেই শান্তি ক্ষুধা,ক্ষণিকেই আবার ভুল, ক্ষনিকই কোন প্রয়োজন ভ্রষ্ট হয়ে চলার দিক ভুল। আসলেই কি ভুল , এই যে আসা যাওয়া এই ভুবনে, কোথা হতে , কেন কেউ কি জানি সে রহস্যের নিউকিয়াস না হলেও তার আশপাশ। মনে হয়না- জানি। তাহলে ভুল কি আর বেঠিক কি। ওপাশের হাসিটুকুরই ক্ষনিক ভাল লাগা। ব্যস্ততা তো আরও আসবেই। প্রয়োজন না হয় ভোল পাল্টে নেবে অন্যরূপে। কিন্তু অভিমান চুরি করা সে হাসি কি আর আসে বারেবারে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

