বালকরা সব ভাসিছে বালিকার জোয়ারে
আহারে! এই ব্লগে কত বালিকারে!!
শোন শোন শোন দিয়া মন,
রাশুর বালিকার কথা এখন,
করিব বণর্ন।
রাশু নামক বালকের ছিলো একখানি বালিকা
দুধের সাধ ঘোলেও মিটিল না,
নাই যে একটাও শ্যালিকা।
ছ্যাকাঁ খাইয়া তাই মনের দুঃখে
বালিকার ব্যাথা লইয়া বক্ষে
আইজ-কাইল-পরশু-তরশু
করিয়া রাখিয়া মুখটা পাংশু
রাশেদ হইতে হইলো "ছ্যাকুঢ়শূ"।
বেবী ট্যাক্সিতে একসাথে বসিয়া,
কত না কথা হাসিয়া হাসিয়া।
সেই সব দিন হাবিয়া ভাবিয়া
মন উচাটন করে,
ছ্যাঁকাটা কেন দিলেই তাহাকে?
ওহে, রাশুর বালিকারে!
বালিকা আজ অন্য বালকের ঘরে
ছ্যাকুঢ়শূর বুকটা পোড়ায়
পোড়াটা বাড়ে যখন চেয়ে
দেখে বালিকা ছেলের গায়ে
কাঁথাটা আলতো জড়ায়!
বালিকাদিগেরে লইয়া ফস্টি নস্টি
আর কতকাল করবিরে বাপ?
এইবেলা একটু ক্ষ্যান্ত দে,
নাইলে তোদের নাইরে মাপ।
এইদিন দিন না, আরো দিন আছে
এইদিনের বালিকার কাছে
আজিকের সবাই মিছে।
ভীমরতিতে কাটিবে জীবন,
বালক বয়সের স্মৃতিরোমন্থন।
কতই না খাইয়াছো ঝাড়ী...!
তোমরা চিরকাল বালকই রহিবে
বালিকারা হইবে বুড়ী,
বালিকার চর্চা করিতে থাকো,
শেষে তাহাদিগেই না বানাইতে
হয় তোমাদের শাশুড়ী!
(আসল কথাটা তো বলি নাই এখনো
সকলে একটুকু মন দিয়া শোন)
রাশুর বালিকা, ম্লুকার বালিকা;
নাদুর বালিকা, মানুর বালিকা;
তাহাদের বালিকা, উহাদের বালিকা....
বালিকায় বালিকায় ব্লগ বেশুমার
হায়রে! আজিকে যে
সব বালিকাই আমার!!!
করিয়া তাড়াহুড়া
লাগাইয়া জোড়া,
লিখিলাম কবিতাখানি
কি হইলো কি জানি?
লাগিল ঘন্টা দুই,
না কাতল না রুই।
'বালিকা' হইলো বিষয়,
দুইঘন্টায় কি হয়?
(To Be Continued)
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



