দিবামণিতে আঁধারের ছোঁয়া লাগে
পূর্বাকাশে ফ্যাকাশে চান্দ্রায়ণ
ইন্দ্র জানে কি মোর প্রনতি ধরম
দিয়া ভাসাই গঙ্গার ঘাট ঘেসিয়া
মহপ্রাণতী হতে পারিনি তোর মননে।।
অমাবস্যা থেকে শুক্লা অহর্নিশ যায় চলে
দ্বাদশীর চাঁদ ক্ষয়ে যায়
নদী শুকিয়ে দাগ কেটে যায়
শৈলচূড়া দাড়িয়ে একঠায়
প্রান্তরের সীমানায়,
আমিও একাকীয়া হৃদয়ে
কলমে অক্ষর আঁকি
অন্ধকারের হিলিয়াম দেয়ালে
যার মুখচ্ছবিতে কোন চোখ থাকে না
সে চোখটি তোর,
তা আমার আত্মায় গ্রন্থিত বিম্বিত
সেখানে প্রানের ছোঁয়া দিতে পারি না
তাই
কেয়া পাতার নৌকা সাজাই
ছৈ'এর ভিতর থাকে
কাঁঠালী চাঁপা আর হাস্নুহেনার সৌরভ
অগ্নিপাটের শাড়ীর কোঁচড় ভরবো বলে
সু-মেরুর শুভ্রতায় পূর্ণ মেঘমালা ঘিরে
হিমবাহের কম্পনে হিমাংকের তাপে
প্রজাপতির রং বাহারে শতদল ঘিরে
তা ভাসাই, সে তোর তরে।।
গ্রীষ্ম তাপ উত্তর মেরুর বরফ গলা জলে
পদ্মার বর্ষা যৌবনে ইলিশের রুপোলি ঝিলিকে
শরতের পোয়াতী পালের মৃদু সমীরণে
ফসলের মাঠের মৌতাল ঘ্রানের অগ্রহায়নে
বুনকা ওঠা ধোঁয়া উত্তাপ সন্ধ্যার শীতে
ঝড়া পাতার দিন পেরিয়ে
কচি পাতার অবগাহনে কুহু ডাকের সূরে
কোন এক ফাগুনে
তোর সবগুলো পকেট ভরে দেখ
সুখের দ্যোতনার ফুলঝুড়ি
জানিস
এ নয় মিথ্যের বেসাতী
প্রকৃতি তোকে করবে সুখী
এইটুকু মোর আকুতি।।
ডেকে নিস সাথী হতে
দোয়েল চত্ত্বরে দু'দন্ড পথ হাটতে
কুশল বিনিময়ের সৌহার্দ্যে
ভালো লাগা বলার নির্বাসনে
বেঁচে আছি তোর তরে
চিরায়ুষ্মতী প্রানে
অক্ষিগোলকের মৈথুনে
পুজিবো একবার ঈশ্বর প্রনামে।।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



