তুই পাশে থাকলে
মনে হয়
ফুলেল বাগানে আছি
সেথায় কুহু ধ্বনিতে কোকিল ডাকে
বাতাসে বয় মধুর সুবাস
কিংবা মনে হয়
গভীর সমুদ্রের অন্ধকার অতলে
পড়ে ছিলাম, নি:সার
তোর ডাক পেয়ে ডাঙ্গায় উঠে আসি
আলোয়
হাওয়ায় প্রান ভরে শ্বাষ নেই
কিংবা
দৌড়ে বেড়াই সরষে হলুদে
আনন্দে
মনে হয়
সব কেন রং-ধনু হয়না
আদর করে ফুলকে শুধাই
তোমরা কেন লাল হও না
কিংবা, মনে হয়
পাতা ঝড়ার দিনে দমকা বাতাসে
আব্রু ঢেকে
শরশর শুকনো পাতার খয়েরি রং কে বলি
তোমরা কেন বার্লিনের মত হলুদ হও না
তুই'ও কি এই রকম হলুদ-খয়েরি রং এর আলাপ করিস?
এখন
শরতের বিকেলটা হুট করেই চলে যায়
ঝিরঝির স্নিগ্ধ সমীরনে ভাসে
বাতাবি লেবু আর পাকা তালের সুবাস
মনটা তখন উদাস হয়
স্মৃতির ঘোর লাগে
এই রকম ভাবতে ভাবতে যখন
নীল আকাশের ভেলাগুলো
রক্তের রং মেখে পশ্চিমাকাশে ডুব দেয়
নীল সমুদ্রকে অন্ধকারের কালিমা দিয়ে
আর ঠিক তক্ষুনি মনে পড়ে
কাটে, টিয়ার স্বরে ঘোর কাটে
দেখি
জামরুল গাছের টিয়া দু'টো
আজো, ঝগড়া বাধিয়েছে
প্রচন্ড ঝাপটা-ঝাপটিতে
একটা গাড় সবুজ পালক খসে পরে
দুস্ট বুদ্ধি গজায়
আমি তাতে লতা জাড়িয়ে
মুকুট বানিয়ে
তোকে পড়াতাম
রাজপুত্র বলে ক্ষেপাতাম
তখন তুই'ও ঝগড়া করতি বেদম
বলতি
তোর'তো পালক নেই
দে না একটা পাগড়ী বানিয়ে
তোর ওড়না দিয়ে
তেমন'টি আমি পারিনি
যেমন
আজো পারিনি বলতে
তুই আছিস আমার অন্তরের ঘরে।।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



