মামাদের জিবনের তিন টা প্রথম যইবিক কাজ হচ্চে
১> আহার গ্রহন করা
২> টিক মত ঘুমান
৩> আর হচ্চে সান্তি মত আগা (আগু / পায়খানা করা) ।
একদা গেলাম এক ভাই এর বিয়েতে বর যাত্রি হয়ে। ত রাত কাটল ভালয় ভালয় । সকালে ঘুম হতে উটে দেক্ লাম এক টু এক টূ প্রকতি কল করচে ।তাই গেলাম আগু দিতে আগু খানায় । হায় এ কি পাপ করলাম ! এ ত দেখি আগু কারখানা । এত আগা আমি এ জিবনে দেকি নাই । খালি আগা আর আগা । আমি জন্ম সুত্রে শহরের পুলা । তাই গ্রামের এই পরিবেশ নিয়ে চিল না ধারনা । কি বলব খালি আগা আর আগা । দেকি যে কালা আগার মাজে হলুদ আগা । আর মাচিরা কত আনন্দ নিয়ে লাফালাফি করচে । আগু দিব ত পরে আমার কই যে গেল আগা । এত বাযে পরিবেশ আর দেকিনি । তারিতারি এলাম , কি করব বুযতে পারচি না কি করব ।
আবার কল করা হল সকালের নাস্তার জন্য কিন্ত আমার পেটের ভিতর যে নাস্তা তা কাকে , কুথায় দিব এই চিনায় আমার অবস্থা সেস । সবার জরাজরি করে খেতে নিল । খুব কস্ত করে খেলাম । কি করব ! না আচে পায়খানা , না পারচি তাক্তে । তাই যেতে সুরু করলাম গ্রামের মাঠের দিকে । অনেক দূর গিয়ে খালি যাইগা পেলাম । দেরি না করে বসে গেলাম আগতে । পেন্ট খলতে সময় লাগ্ ল কিন্ত চারতে সময় লাগে নি এক্ টু । আহ কি আরাম । তাই আগা ইজ বেস্ট । কিন্ত হায় এবার তলা পরিস্কার করব কেম নে । না পাচচি পানি, না পাচচি টিসু। কিচু না পেয়ে কচু পাতা দিয়ে .................................................
তাই বলচি সব কিচ নায়ে ফাযলামি সম্বব বাট নট ওয়িথ আগা।
তাই আগা ইয়উ আর দা বস ফর অল টাইম ।
সব ব্লগার যুরে বলেন আগা তুমি হলে বস আর সবাই হল তুমার চেলা চামুন্দা ।।
এই বাক্য দিয়েই সম্বব সবার মুক্তি, আর শান্তি ।
জয় হুক আগার আর আগার দুনিইয়ার ......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

