নৈপুণ্য প্রদর্শন করছে দু'ছাত্রলীগ কর্মী।
বর্তমান সরকারের অনেকগুলো কলংকের মাঝে অন্যতম কলংকের নাম ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য অনেক আগে থেকেই দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। সেসব দাবির প্রতি সরকারের মনযোগহীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে গরম মাঠ ঠান্ডা হয়ে গেছে। কিন্তু অবশেষে ঘরে ঘরে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার নিজেদের মধ্যে আন্ত:কোন্দল, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ছাড়া ছাত্রলীগের তেমন কোন কাজ ছিলো না। বলতে গেলে ঘরে বেকার বসে বসে খেয়েছে। বসে বসে খাওয়ার দিন শেষ। সরকার ঐতিহ্যবাহী এ ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মীদের ঘরে থাকা নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে।
সম্প্রতি মাঠে সরব হয়েছে বিরোধী দল। রোডমার্চ কর্মসূচি দিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের জাগাতে সক্ষম হয়েছে। বিরোধী দলকে মোকাবেলা করতে সরকারের নির্দেশে শীগ্রই মাঠে নামবে ছাত্রলীগ। ফলে ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের বেকারত্ব শেষ হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বলেন, “ছাত্রলীগের কাজ ঘরে বসে থাকা নয়। তাই ওদের ঘরে থাকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিরোধী দলকে মোকাবেলার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ছাত্রলীগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।” সরকারের এ নির্দেশের পর আবার পুরোনো পারফরম্যান্সে দেখা যাবে ছাত্রলীগকে। দেশবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে সে মাহেদ্রক্ষণের জন্য।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী এবং যোগাযোগমন্ত্রীকে দায়ী করেন তিনি। তার মতে দুই আবুলের জন্যই এরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতি তার শ্রদ্ধা আছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “আমি আমার নেতাকর্মীদের অতিসত্ত্বর ঘর ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছি। আশাকরি দ্রুত আমাদেরকে মাঠে দেখতে পাবেন।”

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

