এবার দেশের জন্য মন্ত্রী আমদানির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিগরিরই বিদেশী মন্ত্রীর পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে মন্ত্রীপাড়া। মন্ত্রী আমদানির সিদ্ধান্ত নিলেও ঠিক কোন কোন মন্ত্রনালয়ের জন্য আমদানি করা হচ্ছে, তা এখনই প্রকাশ করবে না সরকার।
এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়লেও মন্ত্রীদের দাম বাড়েনি মোটেও। সেক্ষেত্রে মন্ত্রীসভার ব্যর্থ মন্ত্রনালয়গুলোর জন্য মন্ত্রী আমদানি করা একটি সঠিক সিদ্ধান্ত।” যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনও মনে করেন মন্ত্রী আমদানির এখনই সময়। তিনি বলেন, “বিদেশী মন্ত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, এজন্য নির্বাচনের আগে সারাদেশের সড়কগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।”
তবে মন্ত্রী আমদানির সরাসরি বিরোধিতা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। তিনি মনে করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ যেসব মন্ত্রনালয় ইতোমধ্যে সফলতার সাক্ষর রেখেছে, তাদের হাতে আরো কিছু দায় দায়িত্ব তুলে দেয়া দরকার। ফলে টাকা পয়সার সাশ্রয় হবে। অবশ্য অর্থমন্ত্রী বলেছেন মন্ত্রী আমদানির জন্য টাকার অভাব হবে না।
সৌদি আরব, সিয়েরা লিয়ন, আফগানিস্তান, সুদান এবং রাশিয়া থেকে মোট ৭ জন মন্ত্রী আমদানী করা হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে মন্ত্রী আমদানি করা হলেও পরবর্তীতে ফলাফল পর্যালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী আমদানির উদ্যোগ নেয়া হতে পারে।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আফ্রিকার বাজারে ছাত্রলীগ নেতাদের রপ্তানী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। যদিও এ বিষয়ে আর কোন অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

