'গোলাপী এখন বিরোধী দলে'। তাই গ্ল্যামার একটু কম। ব্যাপার না, এটাই নিয়ম।
বয়সের কারণে খালেদা জিয়াকে বিএনপি চেয়ারপারসনের পদ ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তৃনমূল বিএনপি নেতা মো. আখতারুজ্জামান ব্যানার্জী। তিনি মনে করেন খালেদাকে দিয়ে আর রাজনীতি হবে না। তিনি সাজগোজের বিষয় ভালো বুঝেন, বিউটি পার্লার ব্যবসায় তার ভবিষ্যত উজ্জ্বল। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কিশোরগঞ্জের এ নেতা মঙ্গলবার তার মহাখালীর বাড়িতে সাবেক দল সম্পর্কে নিজের মতামত তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেন।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর ব্যানার্জী মনে করছেন, দিনের পর দিন খালেদার সৌন্দর্য বেড়েই চলেছে। “আপনার বয়স হয়েছে, চিন্তার করার ক্ষমতা কমে গেছে। আপনার (খালেদা) রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া এখন সময়ের প্রয়োজন। নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করুন। বিউটি পার্লার ব্যবসায় নেমে মেয়েদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন।”, বলেন তিনি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, হরতালসহ নানা বিষয়ে দলকে বাঁশ মারতে গিয়ে ১৯৯৪, ১৯৯৫ এবং ১৯৯৮ সালে দল থেকে তিন দফা বহিষ্কৃত হয়েছিলেন সাবেক এ সংসদ সদস্য।
বিএনপিতে নতুন নেতৃত্ব আনার পরামর্শ দিয়ে ব্যানার্জী বলেন, “তারেক-কোকো পঁচে কম্পোস্ট সার হয়ে গেছে। এ সার ব্যবহার করে প্রচুর কাঁঠাল গাছ লাগাতে হবে। দেশে ছাগলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু সে অনুপাতে ছাগখাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি হয়নি। বিএনপির উচিত সরকারের নিরবকালীন সময়ে এসব পদক্ষেপ নেয়া।”
তারেক ও কোকোর কম্পোস্ট সারে পরিণত হওয়ার পুরো কৃতিত্ব তাদেরকে দিচ্ছেন না বহিষ্কৃত এ নেতা। তিনি মনে দলের কিছু টেবিল চামচ এবং কাঁটা চামচও এর কৃতিত্বের ভাগিদার।
তৃনমূল নেতা আখতারুজ্জামান ব্যানার্জী
স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের অতীত কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, “মওদুদ আহমদ ছিলো এরশাদের মিউচুয়াল সেক্স প্রকল্পের কেরানী। সারাদিন নোটখাতায় হিসেব রাখতো কতোজন এলো আর গেলো। তার মতো নেতারা বিএনপিকে কনডম ছাড়া রেপ করবে। ফলে এইচআইভি এইডস এর ঝুঁকিতে পড়বে বিএনপি।”
নিজে বহিষ্কৃত হলেও ‘তৃণমূল বিএনপি’ নামে একটি অঙ্গ সংগঠন গড়ে বিএনপির ল্যাঞ্জা ধরে কোনমতে রাজনীতির ফিল্ডে ছাগলের সাড়ে ৩ নাম্বার ছা হিসেবে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন মি. ব্যানার্জী। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপির অনেক নেতা তার সঙ্গে রয়েছেন। তবে নাজমুল হুদার মতো নেতারা নেই। কারণ তৃণমূলের ছোট্ট অফিস রুমে এতো মোটা নেতাদের যায়গা দিতে পারবেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

