মাটি আরেকটু ফাটলেই নেমে পড়ার অপেক্ষায় স্থানীয় বাংলাদেশীরা
যশোর সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ এর গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার জের ধরে সরকারিভাবে ভয়ংকর প্রতিবাদ হয়ে গেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিলো ৮.৮। প্রতিবাদের তান্ডবে দেশের তলায় ফাটল দেখা দিয়েছে।
শনিবার ভোর ৫টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার মাঠপাড়া উড়শি এলাকায় বিএসএফের গুলিতে আহত হন রাশেদুজ্জামান (২২) নামের একজন গরু ব্যবসায়ী। পরে বাংলাদেশ সীমান্তের
ভেতরেই তার মৃত্যু হয়।
এদিকে ভারতীয় বাহিনীর গুলি খেয়ে বাংলাদেশে এসে মরার অপরাধে রাশেদুজ্জামানের বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এক দেশের গুলি, আরেক দেশের গালি। ভারতে গুলি খেয়েছিস, এখন বাংলাদেশে গালি খাবি। শালা গরুচোরের বাচ্চা!” আদলতকে স্বপ্রণোদিত রুল জারির অনুরোধ করেছেন তিনি।
সকালে প্রতিবাদ শুরু হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে। তখন রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিলো ৫.৩। ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে পুরো মন্ত্রনালয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে প্রতিবাদ চলে যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে কিছুক্ষণ হাতাহাতি করে দুপুর নাগাদ প্রতিবাদের প্রকোপ পৌঁছে যায় ভারতীয় দুতাবাসের সামনে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মনি।
বিকেলের মধ্যে প্রতিবাদের মাত্রা ৮ ছাড়িয়ে যায়। মূলত এ সময় দেশের তলায় ফাটল শুরু হয়। র্যাব ও পুলিশ প্রহরায় প্রতিবাদ রওনা দেয় যশোর অভিমুখে। দিপুমনির সাথে সাহারা খাতুনও প্রতিবাদের পেছনে পেছনে যান। সাহারা খাতুন বলেন, “প্রতিবাদ কাকে বলে, ভারত এবার বুঝবে। তীব্র প্রতিবাদে সব ফাটিয়ে দিবো। শুধু তলা নয়, সামনে পেছনে ডানে বাঁয়ে সব ফাটাবো।”
এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদেরও তীব্র প্রতিবাদে ফেটে পড়ার অনুরোধ করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ফেটে গেছেন। তবে দীপুমনি এবং সাহারা খাতুন অক্ষত আছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

