পুলিশের সঙ্গে সরকারের পেটোয়া বাহিনীতে এবার নতুন সংযুক্ত হয়েছে RAB। গতকাল তাদের অমানুষিক অত্যাচারের বর্ণনা করতে গেলেও শিউরে উঠতে হয়। বিনা কারণে বেধরক পিটুনি খাওয়া আপামর জনতার শ্রদ্ধা যে তাদের প্রতি এখন কেমন তা সহজেই অনুমেয়। সাংবাদিক বা মিডিয়াকর্মী কেউই তাদের লাঠির আঘাত থেকে রেহাই পায়নি।
গতকাল মোহাম্মদীয়া হাউজিং এর সাধারণ জনগণকে কারফিউ ভঙ্গের অজুহাতে RAB শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে লাঠির বাড়ি ছাড়াও গায়ের শার্ট খুলে তপ্ত রাস্তায় শুইয়ে বুট দিয়ে কোমড়ে লাথি মারে।
কলেজগেটে আমার চোখের সামনে কারফিউ ভঙ্গের অজুহাতে মধ্য বয়সী এক ব্যক্তিকে যেভাবে এক RAB সদস্য মোটা লাঠি দিয়ে বাড়ি দেন, তাতে করে দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রতি করুণা হলো।
শুধু সভা-সেমিনার করে মানবাধিকারের বুলি আওড়ালেই হয় না, কার্যক্ষেত্রেও যে তার প্রমাণ রাখতে হয় তা বোধ হয় তারা জানেন না!
এরকম অসখ্য ঘটনার জন্ম হয়েছে গতকাল। তা লিখে কুলানো যাবে না বলে পর্ব-৩ এর এখানেই ইতি টানলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

