somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তা শে র দে শ

০২ রা মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আদালতের মন্তব্য, আদালতের ভাষা

১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১২ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ (এই বেঞ্চেরই একজন বিচারপতির সাম্প্রতিক কিছু অহেতুক করা মন্তব্য বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে) বাংলা ভাষার 'পবিত্রতা' রক্ষায় সর্বতোভাবে চেষ্টা করার আদেশ জারি করে। তার আগের দিন প্রথম আলোর উপসম্পাদকীয়তে 'ভাষাদূষণ নদীদূষণের মতোই বিধ্বংসী' শিরোনামে সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের একটি নিবন্ধ ছাপা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রকিব উদ্দিন আহমেদ নিবন্ধটি আদালতের নজরে আনেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার আরজি জানান। শুনানির পর আদালত রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন ওই আদেশ দেন। (রিপোর্ট: প্রথম আলো, ১৭-০২-২০১২)
আদালত নমস্য কয়েকজন বাঙালির নাম উল্লেখ করেছেন। এতে এরকম ধারনা হতে পারে, এদের ভাষা বাংলা, তাই বাংলা পবিত্র। আবার পবিত্রতার ব্যাপারটি বোধগম্য নয়। বাংলায় কোন ধর্মগ্রন্থ আছে বলে আমরা জানি না, বাংলা তো প্রাকৃতজনের ভাষাই ছিল - সংস্কৃতের মতো শিক্ষিতজনের ভাষা না। পবিত্রতার অজুহাত দিয়ে সংস্কৃতকে সাধারণ থেকে পৃথক রাখার ফলটা কী হয়েছে? না, সংস্কৃত ভাষা হিশেবে মারা গেছে! বাংলার 'পবিত্রতা' রক্ষা করতে চাওয়ার ফল এমন ভয়ঙ্কর হবে নাতো?
হাইকোর্টের এমন আদেশের পর কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা সাধুবাদ জানিয়ে সম্পাদকীয় ছেপেছে। ব্লগে এবং অন্যান্য বিকল্প মিডিয়াগুলোতে এই ভাষার রাজনীতি নিয়ে অনেকে লিখছেন। ই-ম্যাগাজিন সাময়িকী-তে আহমেদ শামীম-এর লেখাটা আগ্রহীরা পড়তে পারেন। লিঙ্ক: http://www.samowiki.net/details.php?id=543
এদিকে আমরা লক্ষ্য করি, প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী এলেই আমাদের পত্রিকাগুলোতে বাংলা ভাষার হাল-হাকিকত নিয়ে সম্পাদকীয়-উপসম্পাদকীয় ছাপা হতে থাকে। খোদ আদালতেই বাংলা ভাষা ব্যবহৃত হচ্ছে না, সন্মান পাচ্ছে না - এটা নিয়ে এবারো লেখালেখি হচ্ছে - এবার আদালতের এই আদেশের পরও। আদালত তার আদেশে টেলিভিশন-রেডিওর বদলে দূরদর্শন-বেতার ব্যাবহার করেছেন। রেডিও বা টেলিভিশনের বদলে তাদের পরিভাষা ব্যাবহারের আদৌ দরকার আছে কি? বিশেষ করে যেখানে 'দূরদর্শন' ভারতের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন, এবং তাতেও বাংলায় অনুষ্ঠান হয়। এমনকি রকিব উদ্দিন আহমেদও আদালতে বলেন, 'আমাদের রেডিওটিভিতে বিকৃত উচ্চারণে বাংলা ভাষার ব্যবহার হচ্ছে।' নাকি এটা স্রেফ ফেব্রুয়ারী মাস বলেই ভাষার মাসের জজবায় আদালত ঐ শব্দদ্বয় চয়ন করেছেন?

গরু মেরে জুতা দান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফরকারী ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের কাছে ড: ইউনূসকে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট করার প্রস্তাব দিয়েছেন। সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল‍ ২২শে ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি এই অনুরোধ করেন। সচরাচর বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হন উত্তর আমেরিকান (কানাডা বা ইউএসএ) আর আইএমএফ-এর এমডি হন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে। যেমন বর্তমান বিশ্বব্যাংক প্রধান রবার্ট জোয়েলিক একজন আমেরিকান এবং আইএমএফ এমডি ক্রিস্টিন ল্যাগার্দে একজন ফ্রেঞ্চ। রবার্ট জোয়েলিক-এর পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হবে কিছুদিনের মধ্যেই। কে পরবর্তী বিশ্বব্যাংক প্রধান হবে তাই নিয়ে দুনিয়া জুড়েই জল্পনা-কল্পনা চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাব।
প্রধানমন্ত্রী যদি সদ্য বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া আমেরিকান স্টেট ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি রবার্ট ব্লেকের কাছে এ প্রস্তাব পারতেন, তবে তাকে সাধুবাদ জানানো যেত। কিন্তু এমন কোন খবর আমরা শুনিনি। তিনি অনুরোধ করলেন ইইউ-এর কাছে - তাদের কাজ আইএমএফ নিয়ে, বিশ্বব্যাংক নয়। ফল হয়েছে এই যে, আমাদের মনে পড়ছে, গরু মেরে জুতা দানের সেই প্রবাদটা। ইউনূস বাংলাদেশের বিদেশি প্রভুদের বিশেষ করে বর্তমান আমেরিকান সরকারের নয়নের ধন - তাকে নিয়ে বিব্রত সরকার এই প্রস্তাব দিয়ে দু'টো পাখি হাসিল করলো - প্রথমত, বোঝানো গেল প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার ড: ইউনূস বলে যে রটনা আছে তা ভুল এবং দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন যে প্রক্রিয়ায় আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক প্রধাণ নির্বাচন হয় তা নিয়ে পশ্চিমের বাইরে অসন্তোষ আছে (ব্যাপারটা সত্য, কিন্তু বাংলাদেশ কখনো আপত্তি করেছে বলে শোনা যায়নি)। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নতুন নতুন ধারনা দিতে ভালবাসেন। যেমন জাতিসংঘে বিশ্বশান্তির মডেল দিলেন গত সেপ্টেম্বরে।
সর্বশেষ: অ্যাম্বাসাডর ড্যান মোজেনা জানালেন, ইউনূস যদি রাজি থাকেন, তবে এটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আবার বিদায়ী ওয়ার্ল্ড ব্যাংক প্রধান নসিহত করেছেন, পরবর্তী প্রধানও যেন হন আমেরিকান। ড: ইউনূস আমেরিকার আদরের সৎ ছেলে কিন্তু আপনতো নন!
লন্ডন বেসড প্রভাবশালী পত্রিকা দি ইকোনমিস্ট আওয়ামী সরকারের শুরু থেকেই নানাভাবে বিরক্ত করে যাচ্ছে। ২০০৮-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে নগদ অর্থ এবং অন্যান্য যেমন মিডিয়া বা ইন্টেলিজেন্স দিয়ে সহায়তা করেছে ইন্ডিয়া-এমন একটা গুরুতর অভিযোগও করেছিল তারা। দি ইকোনমিস্ট ড: ইনূস এবং প্রধানমন্ত্রী ইস্যু নিয়ে সাম্প্রতিক সংখ্যায় একটা আর্টিকেল ছাপিয়েছে। তাতে এটাকে পদ্মা সেতুর ফান্ডিং নিয়ে অসহায় সরকারের একটা চতুর পদক্ষেপ বলা হয়েছে। এদিকে আজকের পত্রিকায় এক বিজ্ঞপ্তিতে ড: ইউনূস এই প্রস্তাবের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রিয় শেখ হাসিনার সাথে এখানেও জিতলেন ইউনূস তাঁর ভদ্রতাবোধ দিয়ে। তিনি ঐ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেছেন, এই প্রস্তাব তিনি আগেও পেয়েছিলেন খোদ আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের কাছ থেকে। ঐ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরো জানান, ''২০০৫ সালের শেষের দিকে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী জনাব খালেদা জিয়া আমাকে জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল পদে মনোনয়ন দানের প্রস্তুতি নেন এবং আমার সম্মতি চান। জাতিসংঘের নিয়ম অনুসারে সেবার পদটি একজন এশিয়াবাসীর প্রাপ্য ছিল। আগে থেকে কয়েকটি ইউরোপীয় এবং এশিয়ান দেশ আমাকে আগ্রহী হওয়ার জন্য উত্সাহিত করছিলেন। আমি তাদেরকে আমার অপারগতার কথা জানিয়ে যাচ্ছিলাম।''
সুতরাং, বিজ্ঞপ্তির ভাষা অনুযায়ী, এ ধরনের পদের ব্যাপারে তার আগ্রহ নেই এবং বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এও জানিয়েছেন, ''সারা জীবন আমি যে কাজ আমার মতো করে করতে পারি এবং আমার কাছে যেটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, সেটাই করে গেছি।'' কিন্তু বিশেষ করে খালেদা জিয়া যে তাকে আগে এই ধরনের বিশ্বসংস্থার প্রধাণ হবার আহ্বান জানিয়েছেন-এটা উল্লেখ থাকায় ইউনূস যেমনটা আশা প্রকাশ করেছেন ঐ বিজ্ঞপ্তিতে-'এতে আশান্বিত হয়েছি যে এখন থেকে আমার প্রতি এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে। এর ফলে আমার এবং আমার মতো অনেক দেশবাসীর মাথার ওপর থেকে দুঃখ ও দুশ্চিন্তার একটা বিরাট বোঝা নেমে যাবে।'-সেটা না হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আর ইউনূস নিশ্চিত থাকত পারেন, পদ্মা সেতুর অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত থাকলে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানের এই 'বৈপ্লবিক' পরিবর্তন হোত না। লিঙ্ক: Click This Link

পুড়লো কোরান তালেবানদের দেশে

বাগরাম বিমান ঘাঁটি আফগানিস্তান-এ ন্যাটো বাহিনীর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেই কেন্দ্রে কিছু আফগান এবং পাকিস্তানি বন্দী ছিল। তাদের কাছে পাওয়া কিছু বই-পত্রাদি পুড়িয়ে ফেলা হয়। এদের মধ্যে ছিল কিছু কোরান শরিফ। কোরান ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। ইসলামি আইন এবং বিধানাদির সবচেয়ে বড় উৎস। বন্দীদের কাছে পাওয়া বই-পত্রাদি বোধহয় পশতু বা আরবি বা উর্দু বা ফারসি ভাষায় ছিল। যেহেতু এইসব ভাষার সাথে আরবি বর্ণমালার মিল প্রচুর, তাই এই ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। তবে, কোরান একটা সেনসিটিভ বিষয়। কোরানের পাতা ডুবিয়ে ফেলতে হয় - পোরানো নয়! কাজেই ভবিষ্যতে এই ব্যাপারে অধিক সচেতনতা কাম্য।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ওবামা আফগান কাউন্টারপার্ট হামিদ কারজাইয়ের কাছে চিঠি লিখে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আর এটা নিয়েও রক্ষনশীল রিপাবলিকানরা ব্যাপক সমালোচনা করছে। ওসামা-পতনের পরও ইসলামফোবিয়া কাটছে না পশ্চিমের।

রাবি-তে সমকাম প্রসঙ্গে

খবরটা মশলাদার হওয়ার কারণে সবাই পড়েছেন আশা করা যায়। তবু যারা পড়েননি তাদের জন্য লিঙ্ক দেয়া গেল: Click This Link
এখন প্রশ্ন হোল, এটা আদৌ খবর হতে পারে কী না? খবর হতে পারে ট্যাবলয়েডগুলোর - দায়িত্বশীলতার 'প্রতীক' প্রথম আলো-র নয়। তবে এটা ঠিক, এই ঘটনা আমাদের সামনে কিছু ইন্টারেস্টিং বিষয় তুলে ধরেছে। বাংলাদেশের তরুন-তরুনীরা এমনিতে রাজনীতিবিমুখ-শিক্ষিত তরুণীদের তো কথাই নেই। কিছু বামধারার ছাত্র সংগঠন বাদে, রাজনীতি করে-এমন নারী শিক্ষার্থী পাওয়া দুষ্কর। রাজনৈতিক সংগঠনগুলো মিছিল বা র‍্যালিগুলোর সামনের দিকে রাখে নারীদের। এরা ব্যানার ধরেন। সংগঠনগুলোর দুটো লাভ হয় এতে। প্রথমত, মিছিলের 'সৌন্দর্য' বাড়ে আর দ্বিতীয়ত, পুলিশি আক্রমণ থেকে নিজেদের বাঁচান যায়।
এখন দেখতে পাড়ছি, নারীরা নিজেরাই আন্দোলন সংগঠিত করছেন, এমনকি নেতৃত্বও দিচ্ছেন। এসব সুখবর।
কিন্তু আন্দোলনের কারণটা জানলে হতাশ হোতে হয়। এক শিক্ষার্থীর নামে সমকামিতার অভিযোগ উঠেছে। এই 'অভিযোগ উঠেছে কেন'-এটা নিয়ে আন্দোলন! কাউকে সমকামিতার দায়ে শাস্তি দেয়া হয়েছে, তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন এমনটা হলে তারা প্রচুর হাততালি পেতেন। আবার, যার বিরদ্ধে অভিযোগ, তিনি যে সত্যি সমকামী নন, সেটা অন্যরা কীভাবে পরখ করলেন? কীভাবে বোঝা গেল যে, অভিযোগ 'ভিত্তিহীন', 'বানোয়াট'? কীভাবে তারা 'খোঁজ' নিলেন? যেভাবেই নিয়ে থাকুন, 'খোঁজ' নিয়ে যদি তারা বুঝতে পারতেন যে, ছাত্রীটি সমকামী-তখন তাদের অবস্থান কী হোত? তারা কি সমকামীর অধিকারের কথা বলতেন নাকি তাকে বহিষ্কার করা হোত? সমকামিতা আমাদের সমাজে এখনো একটা ট্যাবু-আলোচনাটাও অস্বস্তিকর। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝেও!

হাসি দিয়ে আসি বলি

জন অনেক দিন ধরেই কম দামি, সেকেন্ড হ্যান্ড কিন্তু ভাল একটি মোটর সাইকেল খুঁজছিলো। শেষ সে এরকম একটা মোটর সাইকেল পেয়ে গেল। তবে সমস্যা ছিল একটাই। মোটর সাইকেল এর ট্যাংকে একটি লিক ছিল। তাই বৃষ্টি নামলে ঐ ছিদ্রটি ভ্যাসেলিন দিয়ে বন্ধ করা ছাড়া জনের হাতে আর কোন উপায় ছিল না। এজন্য তার পকেটে সবসময় ভ্যসেলিনের কৌটা থাকতো।
এই অবস্থায় একদিন জনের বান্ধবী অ্যানি জনকে তার বাড়িতে ডিনার খেতে আমন্ত্রণ জানালো। জন যথাসময়ে তার বাইক নিয়ে অ্যানির বাসায় হাজির হলো। অ্যানি বাইরে এসে জনকে জানালো বাড়িতে এক অদ্ভুত অবস্থা বিরাজমান। বাসায় ধোঁয়ার মতো অনেক থালা-বাসন, ডিশ, পাত্র জমে গেছে। কিন্তু কেউই তা ধুঁতে রাজি নয়। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে আজ ডিনারে যে সবার আগে কথা বলবে সে সব পরিস্কার করবে! তাই জনকে কোন মতেই কথা বলা যাবেনা। একথা শুনে ধুরন্ধর জনের মাথায় তখনই দুষ্ট বুদ্ধি খেলে গেল।
বাড়ির ভেতর ঢুকে জন দেখলো রান্নাঘরে মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত প্লেট আর ডিশেরর স্তুপ। যা দেখে জনও একটু ভয় পেয়ে গেল। যাই হোক ডিনারে ছিল মোট ৪ জন। জন, অ্যানি, অ্যানির বাবা ও মা। ডিনারে কেউ কোন কথা বললো না। জন তার খেল শুরু করলো ডিনার শেষ হবার পরেই। সে অ্যানিকে হ্যাঁচকা টানে ডাইনিং টেবিলেই শুইয়ে দিয়ে তার উপর উপগত হোল তার বাবা মার সামনেই! অ্যানি প্রথমে কিছুটা বিরক্ত হলেও পরে মজা পেয়ে গেল। তার মা ভীষণ অবাক চোখে তাকিয়ে রইলো আর বাবা রাগে ফুঁসতে লাগলো। কিন্তু কেউ কোন কথা বললো না। অ্যানির সাথে শেষ করে জন একই কায়দায় তার মাকেও টেবিলে উঠিয়ে তার উপরেও উপগত হোল। এবার অ্যানি রাগে ফুঁসতে লাগলো, তার বাবা রাগে মাথার চুল ছিড়তে শুরু করলো। অ্যানির মা তো দারুণ খুশি। কিন্তু এবারো কেউ কোন কথা বললো না।
হঠাৎ বাইরে বিদ্যুৎ চমকানোর শব্দ হলো এবং বৃষ্টি শুরু হলো। জন তার বাইকের কথা ভেবে বাইরে যাবার জন্য পকেট থেকে ভ্যাসলিনের কৌটা বের করে টেবিলে রাখলো। ভ্যাসেলিন দেখে ভয়ে অ্যানির বাবা আর চুপ থাকতে পারলো না! সে চিৎকার করে বলে উঠলো, "যথেষ্ট হয়েছে! আর কিছু করতে হবে না! আমিই সব প্লেট-ডিশ পরিস্কার করবো।'

রাজশাহী









সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×