.
.
প্রেয়সী ,
"দেখিতে পেয়েছি পর্বত মালা
দেখিতে পেয়েছি সিন্ধু
দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে দু'পা বাড়াইয়া
থ্যাবড়া নাকের পাশে গড়া
একটি তিলের বিন্দু ।"
...
পত্রের প্রথমেই আমার 40বিঘা সরিষা ক্ষেতে ফুটে ওঠা সরিষা ফুলের ভালবাসা নিও । ভালবাসা নিও আমার 15বিঘা ভিটা বাড়ির আম আর কাঁঠাল গাছগুলোর । ভালবাসা নিও এই বুড়োর যে অতি সম্প্রতি তোমার ভালবাসায় পতিত হয়েছে ।
তুমি জানোনা কি উত্থাল পাতাল এ মনে চলছে । বামপাঁজরের নিচে চিনচিন করে ব্যথাটাকে ডাক্তার বলছে হার্ট এ্যটাকের ব্যথা । কিন্তু আমি জানি এই ব্যথা শুধু তোমারই জন্য । তোমার মতো রুপবতী আমার পার্শ্ববর্তী এলাকায় থাকতেও আমি এটা এতদিন জানতে পারিনি ভেবে অতিযত্নে ধরে রাখা আমার মাথার একমাত্র চুলটি ছিড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে । ইচ্ছে করে আজই গিয়ে তোমার বাঁপের সকলকিছু দখল করে তোমাকে চতুর্থ স্ত্রী মর্যাদা দিয়ে ঘরে নিয়ে আসি । কিন্তু না ! আমি তা করবো না । আমি জানি ভালবাসা জোর করে পাওয়া যায় না । আমি তোমাকে জয় করতে চাই ।
আমি বিশ্বাস করি তোমার স্পর্শ পেলে আমার এই ঝুলানো চামড়ায় যৌবনের টান ধরবে , পাঁকা দাড়ি কাঁচা হবে , হারিয়ে ফেলা শক্তি পুনরুদ্ধার হবে । আমি আবার অমৃত স্বাদ খুঁজে পাবো । তোমার টানাটানা হরিনী চোখদুটি যেন আমাকে বাঘ বানিয়ে ফেলে , তোমার চিকন কোমড় আমার ক্ষিপ্রতা বাড়ায় , তোমার মিষ্টি হাসি আমার ইনসুলিন কমিয়ে দেয় । তোমার সমতল নাক যেন রাখালিয়া বাঁশি বাজায় , তোমার কন্ঠ যেন ড্রাম বাজাতে থাকে । হাসির ঝংকারে যেন ধুতুরা ফুটে । আমি এ সব কিছুতেই পাগল । পাগল বলেই বারবার তোমাদের এলাকায় যায় এই অমাবস্যার কোমড় ব্যথা নিয়েও । তুমি এই পাগলকে একটু ঠাঁই দাও । পাগলের পাগলামী আর বাড়ায়োনা ।
ইতি
তোমার পাগল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


