আমি আর আমার এক বন্দু পচ্চিমে আইছিলাম একলগে। শীতকাল ছিলো, সবাই ওভারকুট গায় দিয়া ঘুরত। নানান ঝামেলায় ইনিশিয়াল দিন গুলা যাইতে যাইতে সামার আয়া পড়লো। তদ্দিনে আমরাও সুস্তির হইছি। কেম্পাছে যেদিক তাকাই হাফপ্যান্ট আর ছ্যান্ডো গেঞ্জি পড়া পরীর মতন মাইয়ারা। যেরম গায়ের রং সেরম সাজগুজ। মন্টা বড় উধাস হইয়া যাইতো। ঘাড় ঘুরাইয়া দেক্তে দেক্তে ঘাড় মটকাইয়া গেলো আমাগো। কল্পনায় কত কি কর্লাম কিন্তুক শিকা ছিড়তে পার্লাম না। যত সহজে ঘন্টা বান্ধন সম্ভব ভাব্তাম বেপার্টা আরেক্টু কঠিন বুজলাম। কিছু পুলাপানে গল্প কর্ত অমুক তমুক কান্ড কর্ছে। সবাই খালি সেকেন্ড হ্যান্ড থার্ড হ্যান্ড গল্প ছাড়ত, কিন্তুক ফাস্ট হেন্ড কর্ছে সেরম কাউরে পাইতাছিলাম না।
(আরো লেখাটা উচিত হইবো কি না চিন্তা কইরা লই
আমি ভুইলা গেছিলাম আমার লিখাটার টাইটেল কি। আমি ভাবতাছিলাম আমি যেন লিক্তাছি "শোভনের পচ্চিমা নারী ওভিজ্ঞতা", কিন্তুক সেইটা ত আমার লিখার কথা না, সুত্রাং নির্ভয়ে আরো কিছু যুগ করা যায়।
যেকুনো কারনেই হউক পর্থম পর্থম সাদা মাইয়াগো খুব ভালা লাগে। মোটাগুলা বাদে। মোটা মাইয়া এখন ওনেক কম। বিশেষ কইরা যুদি ১৪/১৫ থাইকা ২৪/২৫ বচ্ছরের গো স্টেটিসটিকস নেন। মারাত্মক ফিগারের মাইয়াগো সংখ্যা খুব বেশী। গরম কালে অরা খুব রেকলেছ গাড়ি চালায়। ঐটা খুব কইলজায় লাগে, কেন লাগে জানি না। ট্রাফিক লাইটে পর্লে পাশের লেনে গাড়িভর্তি সুন্দরি দেইখা দির্ঘশ্বাস ফেলছি আর ড্যাশবোর্ডের ধুলা উড়াইছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

