লোডশেডিং সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম ব্যহত করা সম্ভব হচ্ছে। অত্যন্ত সফলভাবে তৈরী পোষাক শিল্প খাতটিকে স্থবির করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন আছে। কেউ কেউ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এই খাতটিকে স্থবির করার বিষয়ে দ্বিমত পোষন করেছেন। তবে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদদের ধারনা লোডশেডিং রপ্তানী করা গেলে তৈরী পোষাক শিল্প অপো অধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত নিজের দেশে মূল্যবান লোডশেডিং অব্যাহত রেখে তুলনামূলক কমমূল্যবান বিদ্যুতকে বাংলাদেশে রপ্তানীর পরিকল্পনা গ্রহন করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষত পশ্চিমা দেশগুলিতে লোডশেডিং-এর ব্যাপক অভাব রয়েছে। কিছুকিছু দেশে লোডশেডিং দু®প্রাপ্য হয়ে পড়েছে। এই প্রোপটে লোডশেডিং সেবা রপ্তানীর জন্য দ্রুত উদ্যোগ গ্রহন করা প্রয়োজন। বিশিস্টজনদের মতে লোডশেডিং রপ্তানীর বিশাল বাজার যেন না হারায় সে বিষয়ে সচেষ্ট হওয়ার এখনই সময়। এছাড়া লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সম্ভব। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের লোডশেডিং উপভোগ করার জন্য আগ্রহী করা সম্ভব।
লোডশেডিং-এর বাম্পার উৎপাদনে দেশবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান এই সাফল্য সকলের। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে অচিরেই বছরের একটি দিনকে 'জাতীয় লোড শেডিং দিবস' ঘোষনা এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের স্বার্থে দেশবাসী চব্বিশ ঘন্টা লোডশেডিং মেনে নিতেও রাজী থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


