somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বপ্নরে শুরু (সায়েন্স ফিকসান)

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হিমেল সিলভারের চাঁদটা দেখে ভীষন অবাক হল। ওর কাছে মনে হল চাঁদটা বেশ বড় এবং বেশি উজ্জ্বল। ও চাঁদটার দিকে তাকিয়ে হাঁটছিল তাই হঠাৎ করে আবিষ্কার করল ওর সামনে কেউ একজন দাড়িয়ে আছে। লোকটার দিকে তাকিয়ে ভীষন অবাক হয়ে গেল, কারণ লোকটা ড্রাইভিং সুট জাতীয় কিছু একটা পরে আছে। মুখোশের আড়ালে লোকটা কে তাও সে বুঝতে পারল না। ও রাস্তার ওপর কয়েক সেকেন্ডের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েছিল, কিন্তু আবার হাটা ধরল। লোকটাকে ক্রস করার সময় খেয়াল করল লোকটার হাতে চারটি করে আঙ্গুল। এটা দেখে হিমেল দাঁড়িয়ে পড়ল। কৌতুহলে লোকটাকে প্রশ্ন করল,“কে আপনি? এখানে কী করছেন?”
কিছুক্ষণ চুপ থেকে লোকটি বলল,“পর্যবেক্ষণ।”
“আশ্চর্য! আপনি ড্রাইভিং সুট পরেছেন কেন? আশেপাশেতো কোন নদী নেই।”
লোকটি প্রথমবারের মত চুপ থেকে বলল,“এটা স্পেস সুট।”
“স্পেস সু। আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারছি না। আপনার পরিচয়টা বলবেন কি?”
“আমার নাম সিগমারো এসেছি ‘বিটা সিগনী আলবিরিও’ থেকে।”
“কি অদ্ভুত নাম। এটা কোন জায়গা?”
“এটা একটি তারা।”
“তারমানে আপনি ঐ তারা থেকে এসেছেন? হাহ হাহ হা . . ,”
“এসেছি ঐ তারার একটি গ্রহ আলফা আলবিরিও থেকে। চল না ঐ পার্কটায় গিয়ে বসি।” হিমেল এই অদ্ভুত লোকটার ব্যাপারে কৈতুহলি তাই সিগমারো এবং হিমেল পার্কটায় এল। সিগমারো জিজ্ঞাসা করল, “কী ব্যাপার এই পার্কটায় বসার জায়গা নেই কেন?”
“এখানে বসার জায়গা থাকবে কেন এটাতো গোরস্থান।” জবাব দেয়ার পর ও নিজেই খুব ভয় পেয়ে গেল। হিমেল জেনেটিক্স এর ছাত্র, একটা চ্যাপটারের কিছু সমস্যা ছিল তাই ওর বন্ধুর বাসা গিয়েছিল। এখন বাড়ি ফিরছে। প্রতিদিনই প্রায় রাত করে বাড়ি ফেরে সে, কিন্তু আজ রাত বেশিই হয়ে গেছে। শহরটাও যেন আজ বেশি নির্জন লাগছে। ও মূল সড়ক দিয়ে আসছে অথচ কোন যানবাহন দেখেনি। কিন্তু এই রাস্তা দিয়ে প্রতি রাতে প্রচুর ট্রাক-বাস ছুটে যায় দূরের শহরে। হিমেলের মনে হাজার প্রশ্ন একসাথে চেপে ধরল। “লোকটা কে? সত্যিই কি এলিয়েন? ভিনগ্রহ থেকে যদি সত্যিই এসে থাকে এবং মানুষের নমুনা হিসাবে নিয়ে যেতে চায়! কিংবা যদি ডাকাত হয়?”
লোকটা তাকে হঠাৎ প্রশ্ন করল, “আচ্ছা তুমি আমাকে দেখে ভয় পাওনি কেন?”
হিমেল একটু যে ভয় পায়নি তা না কিন্তু বলল, “এমনেই, তা আপনি সত্যিই ভিনগ্রহের প্রাণী?”
“হ্যাঁ।”
“তবে আপনার এন্টেনা কই।”
“এলিয়ান হলেই কি এন্টেনা থাকতে হবে? তোমরা ভিনগ্রহের বাসিন্দাকে ওভাবে কল্পনা কর তাই ভাবছ আমার এন্টেনা নেই কেন? তুমি কিন্তু আমার কাছে একটা ভিন্ন গ্রহের প্রাণী তবে তোমার এন্টেনা কই।”
“ভাল যুক্তি; ঠিক আছে এন্টেনার কথা বাদ, কিন্তু আপনি আমার সাথে বাংলায় কথা বলছেন কিভাবে?”
“তুমি যে কথা বলছ তার একটা নিজস্ব কম্পাঙ্ক আছে, জানোতো নিশ্চয়?”
“হ্যাঁ”
“সেই কম্পাঙ্কের একটি গাণিতিক সমীকরণ আছে। সেই সমীকরনকে বিশ্লেষণ করে তার প্রতিউত্তরে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি করা হচ্ছে এবং সেই সমীকরণকে কম্পঙ্কে রূপান্তরিত করা হচ্ছে।”
“এত কিছু প্রক্রিয়া আপনার মাঝে এত দ্রুত ঘটছে!”
“ আমার মাঝে ঘটছে না। আমাদের স্পেসশীপে একটি কম্পিউটার আছে ওখানে সব কিছু প্রসেসিং হয়ে আসছে এবং আমার সুটে একটি স্পিকার আছে সেটি থেকে প্রয়োজনীয় কম্পাঙ্কের শব্দ সৃষ্টি করছে।”
“তারমানে আপনি আমার সাথে কথা বলছেন না। আর আমি শুধু বকবক করে যাচ্ছি। কী আশ্চর্য!”
“তুমি এটাকে বড় করে দেখছ কেন, আমাদের মাঝে ভাব বিনিময় হচ্ছে এটিই বড় কথা।”
“তা বটে। পৃথিবীতে আপনারা যেমন স্বাচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তেমনই আপনাদের গ্রহটাও আমাদের অনুকুল নিশ্চয়।”
“না আমাদের গ্রহটা হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ। তোমরা সেখানে বাঁচবে না। কারণ তোমরা সেখানে কার্বন পাবে না।”
“কার্বন না আমরা অক্সিজেন ব্যবহার করে বাচি।”
“ভুল কথা তোমরা কার্বন বিজারণের জন্য অক্সিজেন গ্রহন কর। তোমাদের অভিযোজনটা এভাবেই হয়েছে। কারণ কার্বন বিজারণের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন তোমরা পেয়ে যাচ্ছ। যদি অক্সিজেনের পরিবর্তে অন্য কোন জারক পেতে তবে তাই গ্রহণ করতে।”
“আপনার কথা ঠিক বুঝলাম না, একটু বুঝিয়ে বলবেন?”
“আমার জানা মতে তোমরা যা খাদ্য হিসাবে গ্রহন কর তার সবটাই জৈব যৌগ, অর্থাৎ কার্বন সমৃদ্ধ যৌগ। এসব খাদ্যকে ভেঙ্গে শক্তি নির্গত করতে তোমরা অক্সিজেন ব্যাবহার কর। প্রকৃত পক্ষে তোমাদের দেহের মাঝে এসব যৌগ অক্সিজেনের সাথে জারন-বিজারন বিক্রিয়ায় শক্তি নির্গত করে। আমাদের গ্রহটাও তোমাদের মতই, কিন্তু বাতাসে মুক্ত অক্সিজেনে নেই বললেই চলে। তাই আমরা শক্তির জন্য সরাসরি হাইড্রোজেন ব্যবহার করি। এবার বুঝেছ?”
“কিছুটা। তা আপনারা পৃথিবীতে কি মিশন নিয়ে এসেছিলেন? এমনেই দেখতে নিশ্চয় নয়।”
“আমরা মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছি একটি প্রতিষেধক টিকার জন্য। সেটা আমাদের খুব জরুরী নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য।”
“তাই! আমি কিন্তু জেনেটিক্সের ছাত্র। একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?”
“আমাদের গ্রহ উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে গেছে, যার মূল কারণ একটি ভাইরাস। এই ভাইরাস গর্ভবতী মায়েদের আক্রমণ করে এবং গর্ভের সন্তানের ডিএনএ এর সাথে সংযুক্ত হয়ে শিশুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পাল্টে দেয়।”
“তবেতো আপনাদের নতুন প্রজন্মের সৃষ্টি হয়েছে।”
“হ্যাঁ সেই নতুন প্রজন্মের একজন আমি।”
“আপনাদের কি পরিবর্তন হয়েছে?”
“সেই ভাইরাস আমাদের পিটুইটারি গ্রন্থিতে আক্রমণ করে আমাদের বেশকিছু বৈশিষ্ট্য যেমন, রাগ, ঘৃনা, আক্রোমণাত্মক মনোভাব নষ্ট করে ফেলেছে। তাই আমরা কোন বিষয়ে রেগে যাই না।”
“আপনারা এমন ভাইরাসের প্রতিষেধক খুঁজতে এসেছেন?”
“হ্যাঁ। কিন্তু আমরা দেখলাম তোমরা এখনও এ ব্যাপারে চিন্তা কর না। তাই আমরা আজ রাতেই ফিরে যাচ্ছি।”
“কোথায়? আলফা আলবিরিওতে?”
“না। নতুন গ্রহের সন্ধানে, যেখানে আমরা এই ভাইরাসের প্রতিষেধক পাব।”
“এমন একটি ভাইরাসের কেউ প্রতিষেধক খুজতে এতটা পথ পাড়ি দেয় নাকি? যাবার আগে ভাইরাসটা পৃথিবীতে ছেড়ে দিয়ে যান, তবে আমাদের গ্রহে শান্তি নেমে আসবে।”
“এটা করলে তোমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। তাই এই কাজটি করতে পারছি না। ”
“আমাদের এমন একটি ভাইরাস খুব দরকার।”
“সেটা তোমাদের আবিষ্কার করতে হবে। কিন্ত এই ব্যাপারটা তোমাদের অস্তিত্বের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে, যেমনটি আমাদের হয়েছে।”
“আপনাদের কি হয়েছে। আপনারাতো সুখেই আছেন।”
“শোন এই ভাইরাসে আক্রমণ করলে তোমার মাঝে থেকে প্রতিযোগিতার মনোভাব হারিয়ে যাবে। ফলে তোমাদের উন্নতি বাধাগ্রস্থ হবে, সর্বোপরি কেউ তোমাকে আক্রমণ করলে তাকে পাল্টা আক্রমণ করাতো দূরের কথা তুমি আত্মরক্ষা করার চেষ্টাও করবে না। অন্যের কাছে তোমার ব্যাপারে কোন কিছু গোপন থাকবে না কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে সব বলে ফেলবে।”
“এই কারনে আপনি সব বলে ফেললেন..” হাসি চাপতে পারে না হিমেল, কিন্তু অপর প্রাণীটিকে নির্বাক থাকতে দেখে অনেক কষ্টে হাসি চাপল সে। ওর হাসি থামলে সিগমা-রো বলল
“কী চাও নাকি ভাইরাসটি?”
“না চাই না। তবে আমি নতুন একটি ভাইরাস আবিষ্কারের চেষ্টা করব, যেটা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করবে। একটা শেষ প্রশ্ন আপনারা নিজেদের গ্রহে ফিরে না গিয়ে আবার ভ্রমণে বের হবেন কেন? যদি আর কোন গ্রহ না পান তবে?”
“আমরা এটা ভেবেই বের হয়েছিলাম যে এই মহাবিশ্বের কোথাও না কোথাও প্রাণের বিকাশ ঘটবেই। আর এখনতো এটা প্রমাণিত। আমরা তোমাদের দেখা পেলাম যারা এরূপ একটি ভাইরাস সমন্ধে এখনও কোন চিন্তাই করে না, তেমনি এমন গ্রহ নিশ্চয় পাব যারা আমাদের এই অবস্থাটা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। আমার সময় হয়ে আসছে আমাকে যেতে হবে।”
“ঠিক আছে। আবার দেখা হবে।”
“আমাদের আর দেখা হবে না। কারণ আমরা যখন ফিরে আসব তখন না আমি থাকব, না তুমি থাকবে।”
“কাউকে বিদায় দিলে আমরা এটা বলি।”
“ঠিক আছে, আবার দেখা হবে।” সিগমা-রো হাতের ঘড়িতে কিছু একটা অন করল। কিছুক্ষন পর হঠাৎ করে সে শূন্যে উড়ে গেল। তার জুতার নিচ দিয়ে প্রচন্ড বেগে বাতাস বের হচ্ছে। সেই বাতাসে আশেপাশের শুকনো পাতা উড়ে গেল। এর পর এক দৌড়ে হিমেল বাড়িতে এসে ঢুকল, “ওহ্ বাচা গেল সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে।” হিমেল ঘেমে গেছে তাই ফ্যানট চালু করে, বিছানায় গা এলিয়ে দিল। তার ঘুম এল না কিন্তু চোখে একটি স্বপ্ন এল, “সত্যিই এমন কিছু একটা আবিষ্কার করা দরকার যা মানুষের খারাপ দিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া।.......”








সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৪
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×