সত্য আড়াল করতে ধর্ষক, গালিবাজ তথা আওমি টেকনিক এবং আমাদের করনীয়
মনে করুন আপনি আওমি এক নেতার সরকারে থাকার সুবাদে এবং মুক্তিযুদ্ধের নাম নিয়ে লুটপাটের বিবরন দিয়ে একটা লেখা পোস্ট করলেন। অথবা উচ্চপদে আসীন কোন ব্যাংক কর্তার দূর্নীতি এবং রাষ্ট্রদ্রোহী ভুমিকা নিয়ে একটা পোস্ট দিলেন। সেই পোস্টে আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা সরাসরি বিষয়ে কথা না বলে মূল বক্তব্যকে আড়াল করার জন্যে যে যে টেকনিক ব্যবহার করতে পারে তা আমার আভিজ্ঞতার আলোকে এক এক করে বর্ননা করা হলো।
টেকনিক ১:
আপনাকে জামাত শিবিরের সমর্থক হিসাবে প্রমান করার চেষ্টা করা হবে। জামাত আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা মূল বক্তব্য যাহাই হোক না কেন, এমন একটা কমেন্ট করবে যাতে ইসলাম বা জামায়াত জড়িত থাকে। আপনি যদি জামাতের সমর্থক হন -তাহলে সেই ফাঁদে পা দেবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থেকে যায়। শুরু করলেন ডিফেন্ড করা এবং যদি আক্রমন করেন তাহলে সেটা চলে যাবে বিএনপির বিরুদ্ধে - সুতরাং কমেন্টকারী আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা তখন দুরে দাড়িয়ে হাসবে -কারন লেখার মুল বক্তব্য আড়াল করে এখন রাজনৈতিক বিতর্ক প্রাধান্য পেয়েছে - যাতে আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা দুধ-ভাত হিসাবে নিজেকে ফুলে মতো পবিত্র হিসাবে সরিয়ে নেবে।
প্রতিকার: পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবং কমেন্টকারীকে স্মরন করিয়ে দিন পোস্টের মুল বক্তব্যটা আসলে কি ছিল।
টেকনিক ২:
বহুল ব্যবহূত এই টেকনিকটা চালু হয় মুলত ৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে। কোন কারনে রাজনৈতিক মতভেদ হলেই আপনাকে পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস হিসাবে লেবেল করা হবে। বিশেষ করে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় চালিকা শক্তি হিসেবে প্রমান করানোর জন্য এই অভিযোগটি বহুল ব্যবহূত হয়। দেখা গেল যাকে পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস বলা হয়েছে - সে জীবনে কোনদিন পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস পক্ষে একটা শব্দও উচ্চারন করেনি - বরঞ্চ তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে নিন্দা করেছে এবং বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে অমিমাংসিত বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার। আপনি যদি সেনসেটিভ হন - তাহলে এই ট্রাপে পড়ে যেতে পারেন। তাহলে আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীর মুখোশ উন্মোচনের মুল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাবেন এবং তাদের উদ্দেশ্য স্বার্থক হবে।
প্রতিকার: পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবং কমেন্টকারীকে স্মরন করিয়ে দিন পোস্টের মুল বক্তব্যটা আসলে কি ছিল।
টেকনিক ৩:
এটা ভয়াবহ টেকনিক। আপনি একটা পোস্ট দিয়ে হয়তো রোজা শেষ করে তারাবী পড়ে এসে রিল্যাক্স মুডে কম্পিউটার খুলে সামহোয়ারে গিয়ে দেখলেন একজন আপনার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় একটা পোস্ট দিয়ে তাতে আকডুম-বাকডুম বলে উপসংহারে আপনাকে “মুক্তিযুদ্ধ বিপক্ষ” হিসাবে চিহ্নিত করেছে। এটা হজম করা সত্যই কঠিন। একজন মানুষ নিজেকে মুসলমান দাবী করে কিভাবে অন্য একজন সম্পর্ক না জেনেই তাকে মুক্তিযুদ্ধ বিদ্বেষী হিসাবে ঘোষনা দেয়! এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানো কঠিন। এটা হলো মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা আড়াল করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের একটা টিপিক্যাল টেকনিক। শেখ মুজিবুর রহমান করেছে, শেখ হাসিনা করেছে, ভারতের হিন্দু উগ্রবাদী সরকার করছে, বাংলাদেশের আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা করছে। একদল ধর্ষকের কুটকৌশল হলো মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে নিজেদের কৃতকর্মকে আড়ালে পাঠানো।
প্রতিকার: পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবং মনে রাখবেন আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা কোন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নয় নয় কোন বাংলাদেশের আম জনতার সংগঠন। এটা একটা ভারতের দালালদের সংগঠন। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে যখন ওরা কোন মতামত দেয় সেটা অবশ্যই তাদের দাদাদের মতাদর্শকে অনুসরন করেই দেয়। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ বা ৭১ এর পটভূমি বিষয়ক ওদের বক্তব্যকে তেমন গুরুত্ব না দেওয়াই বাঞ্ছনীয়।
টেকনিক ৪:
এটা নরমাল টেকনিক। আপনি দেখবেন আপনার পোস্টের মন্তব্যর জায়গায় নতুন এবং অপরিচিত নিকে গালাগালি করা হয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে গালাগালিগুলো চরম অপমানজনক। আবার কিছু কিছু নিক আছে যারা ভদ্র ভাষায় (যেমন ছাগল অন্ধ, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, কুপমন্ডুক, ধর্মান্ধ, রাজাকারের বাচ্চা, প্রতিক্রিয়াশীল, গালিবাজ ইত্যাদি ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে আপনাকে গালাগালি করবে।
প্রতিকার: সেখানেও মাথা ঠান্ডা রেখে গালিবাজদের চিহ্নিত করুন এবং গালি মুছে নিকগুলো ব্লক করে দিন।
মুল বিষয় হলো - ৭১ এর আবরনের বোরখা পড়ে ধর্ষক/ দূর্নীতিবাজ/ সন্ত্রাসীদের রক্ষার চেষ্ঠাকে ব্যর্থ করার একটাই পথ - তা হলো সত্য এবং সঠিক ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌছে দেওয়া এবং সবাইকে সেই ইতিহাস ভুলে যাওয়ার থেকে নিবৃত্ত করা।
একদিন বাংলাদেশের সবাই এই মুখোশধারী মুক্তিযুদ্ধের ব্যাবসায়ীদের আসল চেহারা চিনতে পারবে। মানুষ জানবে - এরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে জীবনপাত করার কথা বললেও নিজেদের ছেলে মেয়েদেরকে সর্ম্পক করায় সেই সকল আপরাধে অপরাধীদের সাথে। জোট বাধে তাদের সাথে। ছেলে মেয়েদের পাঠায় সৌদী আরব, পাকিস্তান এবং ইরান এবং তুরস্কে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহনের জন্যে - যাতে ধর্মভীড়ু মানুষের উপর খবরদারী করতে পারে। মানুষ জানবে - মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি লেবাসধারী এই সকল ধর্ষকেরা দৃশ্যত কোন বৈধ আয়ের সংস্থান না থাকা স্বত্তেও বিলাস বহুল জীবনযাপন করে - এরা মুক্তিযুদ্ধের নামে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশীদের কাছ থেকে অর্থ এনে নিজেদের জীবন যাপনে জৌলুশ বাড়ায়। এরা সরকারী ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের ভোগের জন্যে গাড়ী-বাড়ীর মালিক হয়। এরা ক্ষমতার জন্যে পারে না এমন কোন কাজ নেই - নীতি আদর্শের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ১৮০ ডিগ্রী ঘুরেও এরা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়।
একটা সুন্দর এবং আধুনিক বাংলাদেশ তৈরী লক্ষ্যে আমাদের দৃঢ়তার সাথে সকল মুখোশধারী আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজী আর তাদের সমর্থকদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।