মাননীয় নোটিশ বোর্ড,
এই ব্লগে আমি বহুৎ পুরাণ লোক। সবার মতোই আমারো নিজস্ব কিছু বিষয় আছে লেখনের। একপেশে মডারেশনও গায়ে লাগে সবার মতোই।
একটু শান্তভাবে জিগাই,
আমি গত কালকে একটা পোস্ট দিছিলাম। আমার নিক "সাধক শঙ্কু" প্রথম পাতায় ব্যান বইলা আইজুদ্দিন সাহেবের বদান্যতায় প্রাপ্ত নিক "বাংল৭১" এর মাধ্যমে লিংক দিছিলাম ফ্রন্ট পেইজে। অদ্য দ্বিপ্রহরে দেখি সেই পোস্ট গায়েব।
আমার পোস্টটাতে এমন কি আছে যাতে তারে হিটলারি কায়দায় লোকদৃষ্টির আড়ালে নেওয়া আপনাগো কাছে ফরজ মনে হইলো?
এইখানে দিনের পর দিন সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশবিরোধীরা পোস্টাইতেছে। খোলাখুলিভাবে ধর্মীয় জঙ্গীবাদ প্রচার করতেছে। এমন কি ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানরে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়া পোস্টাইতেছে তাদের ক্ষেত্রে আপনাদের নীতিমালা কোথায় থাকে? আপনারা বিদেশি কোম্পানি বুঝলাম। কিন্তু বিজনেস তো করতেছেন বাংলাদেশে। পাকিস্থানে তো আর না তাই না? বাংলাদেশে থাইকা বিজনেস করার সময় বাংলাদেশ বিরোধীদের যে কোন রকম পেট্রোনাইজ করার চেষ্টা করার সময় সম্ভাব্য প্রতিরোধ সম্পর্কে সম্যক ধারনা নিয়া রাখলে ভালো হইতো না?
জগত সংসারের কোন কিছুই নিরপেক্ষ না। তাই নিরপেক্ষতার দাবী করি না। সবারই এদিক ওদিক নানারকম ঝোঁক থাকে। তয় কোথায় কোন ঝোকের ফলাফল কি হয় বিজনেস ম্যান মনে হয় এইটা বুইঝা তার ঝোঁক নির্ধারণ করেন।
আপনারা বিতর্করে স্বাগত জানাইছেন অতি উত্তম কথা। আমার পোস্টের বক্তব্য বিতর্কের উর্ধে না। যাগো টার্গেট কইরা কথা কইছি তারা তো দিব্যি গায়ে ফু দিয়া বিচরণ করিতেছে। সেইখানে বিতর্কের কোন জায়গা না দিয়া ফটাস কইরা দিলেন পোস্ট মুইছা।
পোস্টটা আবার পড়েন :
গতকালকে একটা পোস্ট দিছিলাম। বাংল৭১ নিকে ফ্রন্ট পেইজে লিংক দিছিলাম যেহেতু প্রথম পাতায় ব্যান করা হইছে। আইজকা লগইন করতে গিয়া দেখি হয় না। ব্যাকে গিয়া öদেখি পোস্ট গায়েব। আমার পোস্টে কি ছিল কন তো? যে গায়েব হইলো?????
পোস্টটা তুইলা দিলাম :
মুক্তিযুদ্ধ কারা করছিল? আসলে কারা ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে? "গায়ের জোরে স্বপক্ষ শক্তি" মানে কি? রাজাকার-আল বদর-আল শামস রাই কি তাইলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা? ১৯৭১ সালের মার্চ-ডিসেম্বরে যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক-সামরিক সংগ্রামে ছিল , ১৯৭১ এর সাপেক্ষে তাগো ছাড়া আর কাউরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি কওনের কোন চান্স অন্তত ইতিহাসের রেফারেন্স থিকা নাই। কাদের সিদ্দিকি, মায়া চৌধুরী চোর-ছ্যাচ্চর যাই হোক ১৯৭১ এর ভুমিকা অনুসারে তারা মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মানে জামায়াতে ইসলামী,মুসলীম লীগ(কাইয়ুম),মুসলীম লীগ(কনভেনশন),নেজামে ইসলামী এই রাজনৈতিক দলগুলারে বুঝায়।
(চীনপন্থীরা দুই কুকুরের লড়াই কইছিল ঠিক। কিন্তু তার এক কুকুর যেহেতু পাকিস্থানী সেনাবাহিনি+জামাত-মুসলীম লীগের বাস্টার্ডরা সুতরাং তাগো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী পক্ষ কওয়া যায় না। তারা কোন অবস্থান থিকা আওয়ামী নেতৃত্বের বিরোধীতা করছে সেইটা বুঝতে গেলে বকরির বেরেন ফরম্যাট করা লাগবো। সবচাইতে বড় কথা জামাতের লগে রাজনৈতিক সম্পর্ক। জামাতের লগে সিরাজ শিকদার-হক-তোয়াহাদের সম্পর্ক রক্তারক্তির।এই জন্যই ১৯৯২ সালে ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির লগে সর্বহারা-পূর্ববাংলারা সক্রিয় ছিল। )
মুক্তিযুদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা থিকাই হইছে। ধর্মনিরেপেক্ষ চেতনা মানতে না পারলে থাকো মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী গো লগে ! অসুবিধা কি? আইনত তো সেইটা নিষিদ্ধ না! তারা ১৯৭২ থিকা ১৯৭৫ হারাম ছিল। রাজনীতির অধিকার পাইছে মেলেটারিগো কাছে। মেলেটারিরা বন্দুক দিয়া সংবিধান বদলাইছে, যেইটা আবার সুপ্রীম কোর্টে টিকে নাই। এরপর মেলেটারি আইতাছে ঘুইরা ঘুইরা। তারাই তোমার শ্রদ্ধেয় বুজুর্গ সাঈদী-নিজামীগো টিকাইয়া রাখছে। সেই দিক থিকা আইনের দোহাই দিয়া তুমি অস্তিত্বের বৈধতা দাবী করতেই পারো। কিন্তু পাবলিকের গালি থিকা মুক্তি পাওনের আশা করতে পারো না। পাবলিক আম্লীগ,বিএম্পিরে গাইল দেয়,আরো দিবো কিন্তু তাতে তোমাগো জন্য বরাদ্দ করা গালির স্টকে শর্ট পড়বো না।
আবার স্মরণ করি অমি রহমান পিয়ালের মহাবাক্য :
"থাকলে এমনেই থাকতো হইবো নাইলে ফুট"
এইটা পুরা দস্তুর একটা রাজনৈতিক পোস্ট। এইটারে মোছার অর্থ এইখানে যাদেরকে টার্গেট করা হইছে মুছনেওয়ালা তার বা তাদের পক্ষে।
ভালো থাকেন। সুস্থ থাকেন।
ভবদীয়
সাধক শঙ্কু

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



