somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গত ৫২ বছর আমাদের শিক্ষার মান নীচের দিকে গেছে!

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমাদের প্রাইম মিনিষ্টার, শিক্ষামন্ত্রী কিংবা প্রেসিডেন্ট একবারও প্রশ্ন করেননি যে, আমাদের শিক্ষার এই অবস্হা কেন, কেন আমাদের পড়ালেখার সুনাম নেই? কেন ঢাকায় ভারতীয় ও অন্য বিদেশীরা এত চাকুরী পাচ্ছে, কেন জাতীয় ইউনিভার্সিটির ছাত্রদেরকে কেহ চাকুরী দিতে চাহে না? কেন জেনারেল শিক্ষার বাহিরে, মাদ্রাসা ও ক্যাডেট সিষ্টেমের দরকার?

আমাদের কোন ইউনিভার্সিটিতে অন্য কোন দেশের লোকজন পিএইচডি করতে আসবে না। এখন সামান্য পরিমাণ অন্য দেশী ছেলেমেয়ে আমাদের দেশে ডাক্তারী পড়তে আসছে, যারা নিজ দেশে কোনভাবে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না; এরা আসছে প্রাইভেটে, মোটামুটি সার্টিফিকেট কেনার জন্য। আমাদের আমলারা ট্রেনিং ও শিক্ষার জন্য গত ৫২ বছর ধরেই বিদেশে যাচ্ছে, শিক্ষা পাচ্ছে; কিন্তু দেশে ফেরত এসে আমাদের শিক্ষা নিয়ে কিছু বলছে না।

আজকের বিশ্বে আমাদের জাতির যেই প্রোফাইল: জ্ঞান-বিজ্ঞান, টেকনোলজীতে আমাদের যেই অবস্হান, আমাদের শিক্ষার মান কোনভাবে বিশ্বমানের হওয়ার সম্ভাবান নেই। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হার যেই বেহাল অবস্হা, ইহাকে মেরামত করা মোটামুটি অসম্ভব ব্যাপার; কারণ, আমাদের সেই ধরণের আগ্রহী, অভিজ্ঞ ও দক্ষ লোকজন নেই, শিক্ষক নেই।

দেশের ৩০% ছাত্রদের উপর সরকারের সঠিক কোন কন্ট্রোল নেই, এগুলো প্রাইভেট সংস্হাগুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত; সেখানে কি পড়াচ্ছে, কারা পড়াচ্ছে, কোন কিছুতে সরকাররের তেমন হাত নেই। জাতীয় ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েরা ওখানে কি পড়ছে, আদৌ পড়ছে কিনা, কেহ খবর রাখে না; কওমীরা ছেলেমেয়েদের কেন ধর্ম পড়াচ্ছে ১০/১২ বছর? প্রাইভেটে পড়াতে কেন এত বেশী ফি নিচ্ছে? এগুলো নিয়ে সরকারের লোকেরা মাথা ঘামাচ্ছে না।


শিক্ষায় বৈপ্লবিক কিছু পদক্ষেপ নিলে কম সময়ে ইহাকে মেরামত করার চেষ্টা চালানো যেতো; কিন্তু জাতি যেভাবে চলছে, কোন একটা সেক্টরে এককভাবে বিপ্লব ঘটবে না; আমাদের সব সেক্টরের সাথে তাল মিলিয়েই শিক্ষা ব্যবস্হা চলতে থাকবে; ফলে, আগামীকালও কিছু ঘটতে যাচ্ছে না! যাহা ৫২ বছর নীচের দিকে গড়ায়েছে ইহার অধপতন থামানোর কোন লক্ষণ নেই!




সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:২৭
২২টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গরমে নিউইয়র্কের লোকজন ক্রেংককি হয়ে যায়।

লিখেছেন সোনাগাজী, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৯



ঐতিহাসিক ঘটনা, আমি তখনো চাকুরীতে ছিলাম; আগষ্ট মাসের সন্ধ্যায় ঘরে ফিরছি সাবওয়ে ট্রেনে; এই সময় সাবওয়ের ষ্টেশনগুলো দোযখের মত গরম, ডিজাইনে সমস্যা থাকার সম্ভাবনা; ব্লগার হাসান কালবৈশাখী... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহ সাহেবের ডায়রি ।। কবিতা-স্পর্ধিত মিলন

লিখেছেন শাহ আজিজ, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:১৭



কখনো সখনো নকল মলিন
হয় মনে এই জীবনবেলা
ধুসর বিকেলবেলা
শুধাই অস্ফুট স্বরে ‘হ্যাগা’
বাটপাড়ি অথবা জোচ্চুরি
কিছুইকি হয়নি শেখা লেকাজোকা
জীবন নামক অন্ধকুঠরিতে
গামছা দিয়ে চোখ দুটো বাঁধা
অথবা
তমসা ঘেরা চাঁদহীন নধর রাতে
প্রহরী ঘোরে নিঃশব্দে... ...বাকিটুকু পড়ুন

টেলস ফ্রম দ্য ক্যাফেঃ যে ক্যাফে আপনাকে নিয়ে যাবে অতীত ভ্রমনে

লিখেছেন অপু তানভীর, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩১

যদি আপনি জানতে পারেন যে আপনার শহরেই এমন এমন একটা ক্যাফে আছে যেখানে গিয়ে আমি অতীতে গিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন তাহলে আপনার মনভাব কেমন হবে? এমন যদি কিছু সম্ভব হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেয়েরা বেবি বাম্পের ছবি দিলে তোমাদের জ্বলবে কেন???

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৬



- ছবিতে - আরমিনা।

আমরা যখন কোন স্পেশাল মুহূর্ত সেলিব্রেট করি তখন ফেসবুক ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করি। এটা এখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কেউ প্রিয় মানুষের সাথে রেস্টুরেন্টে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুখ মুরালি

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৫৬


ফুলটি দেখতে যে,ন সুন্দর তার নামটিওচমৎকার "সুখ মুরালি"।
২০১৮ সালের কথা, বৃক্ষকথা গ্রুপের বেশ কয়েকজন বৃক্ষপ্রেমির সাথে আমি গিয়েছিলাম মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে। হাঁটতে হাঁটতে দেখতে দেখতে একসময় গার্ডেনের পশ্চিম-উত্তর কোনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×