বিজ্ঞান সাময়িকী 'সায়েন্স' এ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, এর মাধ্যমে অতি নবতারা (সুপারনোভা) গঠন সংক্রান্ত অনেক রহস্যের দ্বার উন্মোচিত হবে।
বিজ্ঞানীরা লাল রঙের যে নক্ষত্রের অবলুপ্তি দেখছেন তা সূর্যের চেয়ে ৫০০ গুণ বড়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভেতরকার শক্তির প্রভাবে নক্ষত্রটি বিস্ফোরিত হয়। আর বিস্ফোরণের ঠিক আগ মুহূর্তেই এর মধ্যে একটি উজ্জ্বল আলোকপ্রভা তৈরি হয়।
গবেষণায় যুক্ত জ্যোতির্বিদ কেভিন শওনিস্কি টেলিফোনে রয়টার্সকে বলেন, "আমরা ওই নক্ষত্রটির ধ্বংস দেখেছি। এতে সুপারনোভা গঠন প্রক্রিয়ার শুরুর সময়টি ধরতে পেরেছি আমরা।"
সুপারনোভা এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ যার মধ্য দিয়ে একটি উজ্জ্বল বস্তুর সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরিত নক্ষত্রটি হারিয়ে যাওয়ার আগে প্রায় একটি অতি নবতারা (সুপারনোভা) মাস জুড়ে মহাকাশে উজ্জ্বলতা ছড়ায়।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ওই নক্ষত্রটির বিস্ফোরণের স্যাটেলাইট ছবি পাওয়ার পর হাওয়াই দ্বীপে স্থাপিত টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন, নক্ষত্রটি বিস্ফোরিত হয়ে একটি অতি নবতারা (সুপারনোভা) তৈরি হয়েছে।
কেভিন শওনিস্কি বলেন, "বিস্ফোরণ ঘটার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে আলোকপ্রভাটি তৈরি হয়।"
গবেষকরা বলছেন, একটি নক্ষত্র বিস্ফোরণের সময় এ ভেতরকার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বড় নক্ষত্রগুলো যখন বিস্ফোরিত হয়, তখন ওই অতি নবতারা থেকে এমন আলোও বিকীর্ণ হয় যার ঔজ্জ্বল্য সূর্যের চেয়েও কয়েকশ গুণ বেশি।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



