[গুজব ছড়ানোর মত বিলাসিতা আমার নেই। যা লক্ষ্য করছি, আমার ক্ষুদ্র বিবেচনায় বিশ্লেষন করার পরই এই লেখাটির অবতারণা করতে হলো। আমার বিশ্লেষন ভুল প্রমানিত হোক, এটাই কামনা।]
গত কয়েকদিন আগের কথা। ব্লগে ইসলাম ও তার নবীকে নিয়ে অত্যন্ত কদর্য ভাষায় কিছু মন্তব্য এসেছিল। যে বা যারা এ কাজটি করেছেন, তার মধ্যে অন্তত একজন হিন্দু ধর্মানুলম্বি। নাম নিতাই ভট্টাচার্য। যিনি মুসলমান নিক নিয়ে নাস্তিকের ছদ্মাবরনে খুবই অশ্লিল ভাষায় ইসলাম মুসলমান এবং নবীকে নিয়ে মন্তব্য করে থাকেন। তার ভাষা এতই কদর্য যে, কোন মুসলমান যদি অন্য ধর্ম নিয়ে এ রকম কথা বলতো, তাহলে সামু থেকে চিরদিনের মত তার বিদায় ঘন্টা বেজে যেতো। অথচ অজ্ঞাত কারণে এই ঘৃণাবাদি লোকটি দিব্যি সামুতে অবস্থান করছে।
নাস্তিকতার ছদ্মাবরণে আরো যারা একধরনের সাম্প্রদায়িক ঘৃণাবাদ ছড়াচ্ছেন, তাদের মধ্যে কিছু কমন বৈশিস্ট আছে। যেমন নিজেদের প্রগতিশীল, কবি, অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত বলে দাবি করা ইত্যাদি। আবার বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষ্যে ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বললেই হয় তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেন, কিংবা চুপিচুপি মাইনাস দিয়ে কেটে পড়েন।
অথচ দেখা যায় ইসলাম নিয়ে কেউ পোস্ট করলে সেখানে কদর্য মন্তব্য করেন। অথচ অন্য ধর্ম নিয়ে কেউ পোস্ট করলে, সেখানে বাহাবার ফুলঝুড়ি বহিয়ে দেন।
এই দু ধরনের আচরণ কি নির্দেশ করে সেটা বোধকরি খোলাসা করে বলার অবকাশ নেই।
স্বাধীনতা বিরোধি রাজাকার পরিবারের সদস্য বর্তমান আইন প্রতিমন্ত্রি কামরুল ইসলামের একটি সাক্ষাতকার শোনার সোউভাগ্য হয়েছিল। সেখানে তিনি তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি আইন করবেন বলে মন্তব্য করেছিলেন। এর আগে সরকারে কিছু কুকর্মের সচিত্র দলিল ইন্টারনেটে ফাঁস হয়ে যাবার কারণে বাংলাদেশে কিছুদিন ফেইস বুক এবং ইউ টিউব নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক চাপের কারনে সেই ফাঁস আলগা করতে বাধ্য হলেও, ইন্টারনেটে আঃ লিগের কুকর্ম ফাস হয়ে যাবার জায়গা গুলি বন্ধ করা উন্মাদ পরিকল্পনা পরিহার করেনি।
১/১১ এর পর থেকে মিডিয়ার উপর একটা চাপ লক্ষনীয়। বিশেষ করে বাংলাদেশি জাতিয়বাদে বিশ্বাসি মিডিয়ার উপর রীতিমত খড়্গ নেমে আসে। এর সাথে আঃ লিগের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল। একারণেই শফিক রেহমানের নিজ হাতে গড়া যাযাদি থেকে তাকে বের করে দিয়ে তার মালিকানা দেয়া হয়েছিল আঃ লিগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরির ভাই সাইদকে। সম্প্রতি ইত্তেফাকের মালিকানা দেয়া হয়েছে আওয়ামি বান্ধব সাজাপ্রাপ্ত আসামি (পরে মনে হয় জামিনে মুক্তি পেয়েছিল) ব্যাঃ আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে। যদিও ইত্তেফাকে আগেও আওয়ামি সমর্থক বলে পরিচিতি রাহাত খানই সম্পাদক হিসেবেই ছিলেন। বাকি গুলি এমনিওই আওয়ামী লিগ আর ভারত সমর্থক হিসেবে কুখ্যাত। বাকি ছিলেন মাহমুদুর রহমান। তাকেও কি হাল করা হয়েছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
টিভি চ্যানেল্গুলির মধ্যে সাইখ সিরাজ আর ফরিদুর রেজা সাগর ..... (চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

