রাত নয়টা বেজেছে, আর আমাদের ই-আড্ডার সময় শুরু। আমরা কয়েকজন ইষ্ট ওয়েষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রাক্তন ছাত্র (আমি, নাছের, টুসান, পিন্টু সুইডেনে থাকে, সাইফুর ও আরও অনেকেই) এবং আমাদের স্পেশাল বন্ধু JP. যদিও JP আমাদের থেকে বয়সে অনেক বড় তবুও আমাদের সাথে তার ভালই আড্ডা হয়। রাত নয়টার পর থেকে একে একে সবাই আমরা নেটে আসতে শুরু করি। আমাদের আড্ডার প্রধান মাধ্যম হলো skype , skype কে আমার একটা স্পেশাল ধন্যবাদ, কারন ফোনে আড্ডা অনেক ব্যয় বহুল আর শুধুই আড্ডা। মূলত এই আড্ডাটা একটি নলেজ শেয়ারিং সেশন। ও আগেই বলে রাখি, আমার মূলত আউটসোর্সিংয়ের কাজ করি oDesk এ; সাবাই কাজের সাথে জরিত, আর রাতের বেলাতে আমাদের আউটসোর্সিং। আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে থাকি যেমন প্রোগ্রামিং, টেকনোলজি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ইত্যাদি। আবার কখোনো কখোনো কোনো প্রোজেক্ট নিয়ে পুরো আলোচনা হয়। যাই হোক, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, সবার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। সবাই যার যার কাজে অনেক ব্যস্ত থাকি বা একেকজন দুরে দুরে থাকার কারনে নিয়মিত আড্ডা বা দেখা করাটা অনেকটাই দুরহ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। কাজেই এই ই-আড্ডাটা অনেকটাই অপরিহার্য হয়ে পরেছে।
এখন আমারা সবাই টেকনোলজিতে অনেক এডভানস্ আর সাবাই ইন্টারনেটে অভ্যস্ত,বিভিন্ন সোশাল নেটওর্য়াকিংয়ের সাইট ব্যবহার করি যেমন ফেসবুক, কিন্তু skype ব্যবহার করে আমরা বিনা খরচে আমাদের প্রিয়জন বা বন্ধু বান্ধবদের সাথে প্রতিদিন কথা বলতে পারি। যদিও অনেকেই skype ব্যবহার করে বাইরে কথাবার্তা করে থাকেন কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যোগাযোগটা হয় কাজের প্রোয়জনে বা মাঝে মাঝে। আমারা যারা দেশে আছি, তারা কিন্তু skype এর মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারি, কাজও হলো আবার নিয়মিত যোগাযোগও হলো। আশা করবো সাবাই skype ব্যবহার করবেন এবং সবার সাথে যোগাযোগ রাখবেন। সবাই ভালো থাকুন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



