আর কখনও এমন করে দেখা হবেকি ?
ত্রিশটি আবেগ উচ্ছল প্রান, ভালোবাসার সমুদ্রসঙ্গমে ।
প্রভাত কিরন অস্তমিত হবে মৃত্যুর চাদরে
ধূসর গোধুলি মাড়িয়ে, বিভাবরির কুন্তলকালো তিমির বিদূরিত করে
রুপালী আবাহনে জাগবে পূর্ণিমার মায়াবিনী চাঁদ
হেমাঙ্গী উত্তরী বায় কাঁপন ধরাবে অস্থিমজ্জার কার্নিশে কার্নিশে ।
সেই উন্মাদ সমীরনে, ত্রিশটি ঘনযৌবনা প্রান কি মাতবে বন্ধুত্বের উলঙ্গ নৃত্যে ?
উড্ডীন স্বপ্নগুলো নিষ্প্রভ হয়ে যাবে কি অতলান্তিক স্মৃতির গহ্বরে ?
স্বপন্ চুয়ান অভিলাষ নিংড়ে
ভবিষ্যৎ যখন হিমাদ্রী শেখরে মূর্তিমান,
দুর্গম পরিখা উদ্ভাসিত সাফল্যের সন্তাপিত অনুরণনে,
নিয়তির ওষ্ঠে বিকশিত চেতনার চুম্বনঘন অগ্নিস্ফুলিঙ্গ
বন্ধুত্বের সেই অঙ্কুরিত বৃক্ষে পত্রপল্লবে এ বসন্ত আর পাব কি ?
ষোড়ষীর চুম্বন উপেক্ষিত জীবনে আজ মাহেন্দ্রক্ষন
নিমিলিত বাতায়নে অদম্য আশার নিতম্বদোলা নৃত্য
বিচ্ছেদ যাতনা তবু হিম নয়, হিমাদ্রী সম
যেন ত্রিবেনীর মোহনায় ফেনিল ঊর্মি সফেন ।
চিত্তদেবীর অগ্নিবীনার ঝংকারে তবু মলিন অমৃত
নবান্নের উন্মত্ত দোলায় দোদুল্যমান ত্রিশটি শরৎশশি ।
জানিনা আর কখনও হবেকি এ মহামিলনের মহাযজ্ঞ ?
বিমূর্ত সময়ের বুকচিরে রচিত হবেকি-
প্রানে প্রানে মিলনের বসরাই গোলাপের প্রোমদকুঞ্জ ?
জানি, একদিন নিয়তির বন্দরে বসে হবে শুধু স্মৃতি রোমন্থন
মনেহবে, ত্রিশটি জ্যোতিম্ময়ী যৌবন যেন ত্রিশটি স্রোতস্বিনী-নদী,
ত্রিশটি স্রোতস্বিনী-নদী যেন স্বাধীন বাংলার মানচিত্র ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



