somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এনকাউন্টার কেন হৃদয়ে ? (২)

০২ রা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(১)
Click This Link

দৃশ্যপটঃ ২
ওপেনিং শট - ৩০ ডিগ্রীতে অ্যাঙ্গেল করে ফ্রেম।
জুম ইন করে ফ্রেমে আসবে-
ব্ল্যাক ফোর্সের হেড কোয়ার্টার এর সম্মুখ ভাগ।
বাংলাদেশ আর ফোর্সের পতাকা উড়ছে পতপত করে ।

সেটঃ
ইনডোর- ব্ল্যাক ফোর্সের অফিস আর অস্ত্রাগার।
লিংক১- টেকঃ ১। ব্ল্যাক ফোর্সের স্পেশাল অপারেশনের প্রস্তুতি

(শেলফের ভেতরে রাখা ক্যামেরা রোলিং।)
শেলফের ডালা খুলবে একজন স্মার্ট অফিসার।
চকিতে হাতে নিবে তার হোলস্টার আর পিস্তল।
আর সাথে অতিরিক্ত দুইটা ভরা ম্যাগাজিন।

(স্ক্রীনে ক্লকওয়াইজ বিল্ড হয়ে পরের ফ্রেম।)
ঠাস করে অস্ত্রাগার এর গেট খোলা হবে।
সারি সারি রাখা অস্ত্র একে একে তুলে নেবে
সুসজ্জিত ব্ল্যাক ফোর্সের চৌকস সদস্যরা।

(পিক আপ ভ্যানের মেঝেতে ক্যামেরা রোলিং।)
ক্যাঁচ করে শব্দ করে ভ্যানের ডালা খুলে যাবে।
ক্যমোফ্লাজ করা সশস্ত্র সদস্যরা লাফিয়ে উঠবে।
(বোর্ডিং হয়ে গেলে )
খাট খাট করে ডালা লাগানো হবে তিনটি ভ্যানের।
(প্রায় এক সাথেই স্টার্ট নেবে তিনটি ভ্যান। )
ইঞ্জিন তিনটি গড়গড় শব্দ তুলে বেরিয়ে যাবে দ্রুততার সাথে।
চলে যাওয়া শেষ ভ্যানটির ঘুর্ণায়মান চাকায় জুম শট।
সেই ঘূর্ণির টানে ফ্রেমটাও একটা পাক খেয়ে মিলিয়ে যাবে।

দৃশ্যপটঃ ২
ওপেনিং শট -দিগন্তে সূর্যটা ডুব দিবে টুপ করে।
জুম আউট করে ফ্রেমে আসবে-
কাচা রাস্তায় ধূলা উড়িয়ে ব্ল্যাক ফোর্সের ভ্যান তিনটি ছুটে চলেছে।
আলতো করে ছেয়ে যাবে আঁধার, আর জ্বলে উঠবে হেডলাইট গুলো।

সেটঃ
আউটডোর- মধুপুরের কাছে জনমানবহীন জংগল আর ভেতরে গুন্ডাদের আস্তানা।
লিংক ২- টেকঃ ২। আস্তানায় ব্ল্যাক ফোর্সের অতর্কিত হানা

নিঃশব্দে ভ্যান থেকে নেমে-শাঁই শাঁই করে জংগলে ঢুকে পড়ে ব্ল্যাক ফোর্স।
অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে বেড়ালের মতই চুপিসারে তারা পৌঁছে যায় ডেরায়।
মূহূর্তেই চারদিক ঘিরে ফেলে সদস্যরা আর কড়া নজরে রাখে গুন্ডা সর্দারকে।
কমান্ডার এর ইশারার সাথে সাথেই শুরু হয় সশস্ত্র প্রহরীদের উপর গুলি বর্ষন।
আকস্মিকতায় দিশেহারা গুন্ডা দলের অনেকেই গোলাগুলিতে ধরাশায়ী হলো।
গুন্ডা সর্দার তার একান্ত সহচর নিয়ে গুলি বিনিময়ে আড়ালে যাবার চেষ্ঠারত।
কিন্ত শেষ রক্ষা হয় না; কৌশল এবং শক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করে ব্ল্যাক ফোর্স।
আত্মসমর্পন করে হাতকড়া পড়ে শান্ত হতে হয় গুন্ডা সর্দার আর তার সহচরকে।
(জুম ইন করে ফ্রেমে টীম কমান্ডার এর চেহারা; ক্লান্তি ছাপিয়ে প্রসন্নতায় ভরপুর।)
তিনি মিশন সাকসেস সংকেত জানিয়ে হতাহতের খোঁজ নিতে নির্দেশ দিবেন।
এ পর্যায়ে ক্যামেরা কেন্দ্রে স্থির থেকে চারপাশটা একবার পাক খেয়ে ঘুরে আসবে।
শেষে এসে ফ্রেম নাচনেওয়ালীর কাছে এসে থেমে যাবে; সে গুলিবিদ্ধ হয়ে অজ্ঞান।
কমান্ডার সংবাদ পেয়েই দৌড়ে ছুটে যাবেন সেখানে।
আর ওয়াকিটকি সেটে জরুরী চিকিৎসা সাহায্য চাবেন।

ফ্রেমে আসবে নাচনেওয়ালীর ফ্যাকাসে মুখ আর ভেসে আসবে কমান্ডারএর অনুরোধ বার্তা-
“THIS IS TANGO CHARLEE.
REQUESTING FOR IMMEDIATE MEDICAL EVACUATION. ONE OFFICER IS HIT AND SERIOUSLY INJURED.
I REPEAT ONE OFFICER IS HIT AND SERIOUSLY INJURED. REQUESTING FOR IMMEDIATE MEDICAL EVACUATION....”

আহত নাচনেওয়ালীকে (ওরফে ব্ল্যাক ফোর্সের সবচেয়ে চৌকস অফিসার)
ফোর্সের সদস্যরা স্ট্রেচারে করে নিয়ে আসবে খোলা আকাশের নীচে।
ফার্স্ট এইড দিয়ে আহত অফিসারের হাতটি খুব শক্ত করে ধরে আছেন কমান্ডার।
তিনি হলুদ ফ্লেয়ার জ্বালিয়ে রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রতীক্ষারত।

(ফ্রেমে আসবে জ্বলন্ত হলুদ ফ্লেয়ার।
হলুদ আলো জুম ইন করে হোয়াইট আউট।)

(কাট । প্যাক আপ।)



পরিশিষ্টঃ

আবহ সঙ্গীতঃ ঝিঁঝিঁ পোকা আর অটোম্যাটিক অস্ত্রের গোলাগুলি।
আলোক সজ্জাঃ পেট কাটা চাঁদ এবং হলুদ ফ্লেয়ার।
ক্যামেরাঃ পাঠকের দৃষ্টি।
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ ব্লগার ফয়সল নোই।
পরিকল্পনা আর পরিচালনাঃ উত্তরাধিকার।
:|

ছবি সূত্রঃ
Click This Link
(শেষ দৃশ্যঃ আসিতেছে...B-))
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:২০
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×