মৌলবাদ, আত্মার একটা পুঁতিগন্ধময় স্ট্যাটাসের নাম। আত্মার এই পরিস্থিতিতে প্রচন্ড খারাপ কাজ করেও মানুষ নিজেকে " আল্লাহ বলেছেন আমি আশরাফুল মখলুকাত" বলে শান্তি পায়। শান্তি পায় অন্য ধর্মের মানুষকে মানুষ গন্য না করেও। শান্তি পায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে নিজ ধর্মকে ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে ব্যবহার করেও ( শুধুমাত্র এই কারনে ধর্ম তাঁদের খুব প্রিয় বিষয়)।
খুবই দুঃখের বিষয় যে আমাদের দেশে এই মৌলবাদ খুবই গভীর শেকর গাঁড়তে সক্ষম হয়েছে। সাধারন মানুষের জ্ঞানের পরিধী সিমীত হওয়ার দরুন এবং বিবিধ প্রচলিত রিতীর কারনে উপমহাদেশের এই নব্যস্বাধীন দেশটিতে ইসলামিক মৌলবাদ দারুনভাবে পালে বাতাস পেয়েছে। জামায়তে ইসলামি সহ অন্নান্য ছোটো বড় ইসলামি মৌলবাদী সংগঠনগুলি তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করার লক্ষ্যে দিনরাত নিজেদের ইসলামের ধারক বাহক সংরক্ষক হিসাবে পরিচিতি লাভের চেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখছেনা। এদের এই নিরলস চেষ্টায় কাজও হচ্ছে ব্যাপক।
সমস্যা আসলে আসছে কিছুটা ইসলাম ধর্মের গোড়া থেকেই। ইসলামে যিনি নবী নামে পরিচিত ( মোহাম্মদ ), তাঁর ইসলাম প্রচারের মূল কারন ই ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতা সহ ভোগ-সম্ভোগের অন্নান্য উপকরন করায়ত্ব করা। ইতিপূর্বে ঈসা নবী মানুষকে শুধু হেদায়েত বা সুপথ প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু নিজে কোনো ধর্মের ভিত স্থাপন করেন্নি। ইহুদী কর্তৃক ঈসা নিহত হওয়ার পর তাঁর কতিপয় সুযোগ সন্ধানী অনুচর তাঁকে প্রতীক বানিয়ে খ্রীষ্ট ধর্ম প্রচলন করে ও ব্যপকভাবে লাভবান হয় সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। এই দেখে মোহাম্মদ ভাবলেন ( এটা সহজেই অনুমেয় ) তিনি নিজেই একটা ফিলসফিকে ধর্ম হিসাবে প্রচার করবেন ও তার সুফল ভোগ করবেন।
এহেন পরিস্থতিতে যে ধর্মের উদ্ভব, তা থেকে আমি জামাতি কুকুর শেয়ালদের লম্ফ ঝম্ফ ছাড়া আর বেশী কিছু আশা করতে পারি না।
আজ স্বাধীনতা দিবসে খুবই ইচ্ছা হচ্ছে সেইদিনটি দেখতে যেদিন বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বোধোদয় ঘটবে, যেদিন সংবিধান প্রনয়নকারীরা রাজনৈতিক কারনে ধর্মকে বা ধর্মের নাম বা ইমেজকে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করবেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আইন প্রনয়নের মাধ্যমে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

