কমেন্টের উত্তরে অনেক কিচুই কইবার আছে, কিন্তু কিছুই কমুনা। কারন জানি কথা তার কানে যাইব না।
পইরা দেহেন:
Click This Link
_____________________________________
(তার পোস্টে আমার আর তার পিরিতের আলাপ নীচে)
ভক্কডা বলেছেন: কি সব আখেরাত মাখেরাত বিশ্বাস করেন বুঝি না। ক্যান বোঝেন্না যে ধর্মে বর্নিত আল্লাহ আসলে নাই। থাকলে অনেক্কিছুই অন্যরকম হইত। এই যেমুন ধরেন আপনের আমার মত বেবাক মানুষই জন্ম সূত্রে মুসলমান হইত। আরো অনেক কিছুই অইত। কিন্তুক আপনেগো মতো জাইগা স্বপ্ন দেহইন্যা মানুষেরে কিছু কইয়া লাভ নাই। দ্যান, আরো ছবি দ্যান। আল্লার কাছে ফুন করেন যেন হ্যায় বেহেস্তের একটা দিশ্য ই মেইল কইরা পাঠায়া দেয়, আর নাইলে যেন জিব্রাঈলরে ব্লগিংএর মাইদ্যমে অহী প্রচারের কামে লাগায়া দেয়। তাইলে তো ধর্ম পরচার অনেক স হজ অইয়া যাইব! আপনে আমি চিল্লা চিল্লি কইরা কি আর বিধর্মীগো ইসলামের পথে আনতে পারুম? আল্লার তরপ থেইকা একটা স্প্যাম মেইল ই যথেষ্ট অইত। এই ধরেন বুশে সকালে কম্পিউটার খুইলা দেখলো আল্লার ইমেইল " আমি আল্লাহ কইতাছি বুশ অখনো সময় আছে খেস্টান ধম্মো ত্যাগ কইরা ইসলামে চইলা আসো"। বুশে পরিক্ষা নিরিক্ষা কইরা যকন দেকতো এইডা দুনিয়ার কুনু আইপির লগে মিলে না তখন কই যাইত? আইচ্চা বেহেস্তে ইন্টারনেট তো মনে অয় অবইশ্যই আছে। কি কন? অইখানে গিয়া আবার হুরিগো প্যাচে পইরা ছবি ব্লগিং করতে ভুইলেন্না কিন্তুক, অ্যাঁ..............
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
লেখক বলেছেন: মৃত মানুষেরাও হেসে উঠতো যদি আপনার মন্তব্য পড়ার সুযোগ থাকতো।
আপনি কি নাস্তিক? পরিচয় দিলে মন্তব্য লিখতে সুবিধা হয় যে কার সাথে কথা বলছি- মুমিন, মুশরিক, কাফের না কি মুলহিদ।
যা লিখেছেন, তাতে অবশ্য নাস্তিক্যের প্রকাশ পরিস্ফুট। কিন্তু তর্ক করে কি লাভ, কেননা আপনাদের মূর্খতা এমন যে এক পর্যায়ে "ঘাড় দিয়ে পুকুরপাড় ধাক্কানো শুরু করেন"। আমাদের আঞ্চলিক কথা, যার অর্থ হারজিত বুঝি না, আমার কথাই ঠিক।
যদি তর্ক করি তো বলবেন: (ইতিমধ্যে বলেছেনও) আল্লাহ্ নাই, আখেরাত নাই।
আমি বলবো: আল্লাহ্ আছেন এবং তিনি এই বিশ্বজাহান সৃজন করেছেন ও পরিচালনা করছেন।
আপনি বলবেন: না এসব এমনি এমনি হয়ে গেছে, কেউ সৃষ্টি করেনি।
আমি বলবো: দেখান তাহলে পৃথিবীর কোন জিনিস এমনি এমনি হয়েছে? নিউটনই তো বলে গেল যে, কোন জিনিস স্থির থাকলে চিরকাল স্থির থাকে আর গতিশীল থাকলে চিরকাল চলতে থাকে, যদি না কোন বহির্বল তাকে চলতে বাধ্য করে। তাহলে আপনাদের মানে বিজ্ঞানান্ধদের মতেও তো অবশ্যই যাবতীয় তৎপরতার পেছনে কোন না কোন শক্তির হাত অনিবার্য। তাহলে কি করে অস্বীকার করে বসেন সমগ্র সৃষ্টির পেছনে কারো না কারো শক্তিশালী হাত কার্যকর?
তারপরও আপনি ঘাড় দিয়ে পুকুরপাড় ধাক্কাতে থাকবেন: না না যাঁকে দেখি না, যাঁকে স্পর্শ করতে পারি না তিনি নেই।
আমি বলবো: অথচ বাতাস, বিদ্যুত কে না দেখেও অনুভবে বিশ্বাস করেন। ডাক্তারের কথায় অমুক অমুক ঔষধ খেলে রোগ ভালো হবে বলে বিশ্বাস করেন। শিক্ষাকের কথায় "ক" -এ চিহ্ন/চিত্রটিকে "কঅ" উচ্চারণ করে মুখ খাটিয়ে, কেন? বিশ্বাসের কারণে নয় কি?
তারপরও যদি আপনার ঘাড় সক্রিয় বহাল থাকে, তবে এহেন মূর্খতার জন্য করুণা ছাড়া আর কিছু বাকী থাকে না।
দুনিয়া যে একটা পরীক্ষা ক্ষেত্র, একথা আপনার দুর্ভাগা জীবনে কেউ আপনাকে শোনায়নি। তাহলে পরীক্ষার হলের সাথে দুনিয়াটার তুলনা করে মানবজাতির বিভাজনকে বিবেচনা করতে সক্ষম হতেন।
সমস্ত মানুষই ইসলামের উপর জন্ম গ্রহণ করে, তারপর তার বাবা-মা ও পরিবেশ তাকে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, গোত্রে গড়ে তোলে। কেননা, সৃষ্টির পর সকল রূহ আল্লাহ্ তা'আলাকে তাদের প্রতিপালক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে। পরীক্ষার হল "পৃথিবী"তে আছি বলে তা আমাদের স্মরণ থেকে সরিয়ে রেখেছেন আল্লাহ্। তারপর মৃত্যুদূত আসার সাথে সাথেই সব মনে পড়ে যাবে, মনে পড়ে যাবে পৃথিবীর দিনগুলোর যাবতীয় ছোট-বড় সুঘটনা-দুর্ঘটনাগুলোও।
এ মন্তব্যের জবাব দিলাম, কেননা চোখ দু'টো ঘুমে ঢুলু ঢুলু, তাই মেজাজ খারাপ হবার সম্ভাবনা কম। আশা করবো ভবিষ্যতে অপ্রাসঙ্গিক ও মূর্খতাসুলভ মন্তব্য আমার কোন ব্লগে না দিয়ে মুছে দেয়ার মত কষ্টটুকু থেকে আমাকে রেহাই দেবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

