somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দৃষ্টির ছায়া আমারে তার ছায়া মাড়াইতে না করছে

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কমেন্টের উত্তরে অনেক কিচুই কইবার আছে, কিন্তু কিছুই কমুনা। কারন জানি কথা তার কানে যাইব না।

পইরা দেহেন::|
Click This Link
_____________________________________
(তার পোস্টে আমার আর তার পিরিতের আলাপ নীচে)

ভক্কডা বলেছেন: কি সব আখেরাত মাখেরাত বিশ্বাস করেন বুঝি না। ক্যান বোঝেন্না যে ধর্মে বর্নিত আল্লাহ আসলে নাই। থাকলে অনেক্কিছুই অন্যরকম হইত। এই যেমুন ধরেন আপনের আমার মত বেবাক মানুষই জন্ম সূত্রে মুসলমান হইত। আরো অনেক কিছুই অইত। কিন্তুক আপনেগো মতো জাইগা স্বপ্ন দেহইন্যা মানুষেরে কিছু কইয়া লাভ নাই। দ্যান, আরো ছবি দ্যান। আল্লার কাছে ফুন করেন যেন হ্যায় বেহেস্তের একটা দিশ্য ই মেইল কইরা পাঠায়া দেয়, আর নাইলে যেন জিব্রাঈলরে ব্লগিংএর মাইদ্যমে অহী প্রচারের কামে লাগায়া দেয়। তাইলে তো ধর্ম পরচার অনেক স হজ অইয়া যাইব! আপনে আমি চিল্লা চিল্লি কইরা কি আর বিধর্মীগো ইসলামের পথে আনতে পারুম? আল্লার তরপ থেইকা একটা স্প্যাম মেইল ই যথেষ্ট অইত। এই ধরেন বুশে সকালে কম্পিউটার খুইলা দেখলো আল্লার ইমেইল " আমি আল্লাহ কইতাছি বুশ অখনো সময় আছে খেস্টান ধম্মো ত্যাগ কইরা ইসলামে চইলা আসো"। বুশে পরিক্ষা নিরিক্ষা কইরা যকন দেকতো এইডা দুনিয়ার কুনু আইপির লগে মিলে না তখন কই যাইত? আইচ্চা বেহেস্তে ইন্টারনেট তো মনে অয় অবইশ্যই আছে। কি কন? অইখানে গিয়া আবার হুরিগো প্যাচে পইরা ছবি ব্লগিং করতে ভুইলেন্না কিন্তুক, অ্যাঁ..............
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
লেখক বলেছেন: মৃত মানুষেরাও হেসে উঠতো যদি আপনার মন্তব্য পড়ার সুযোগ থাকতো।

আপনি কি নাস্তিক? পরিচয় দিলে মন্তব্য লিখতে সুবিধা হয় যে কার সাথে কথা বলছি- মুমিন, মুশরিক, কাফের না কি মুলহিদ।

যা লিখেছেন, তাতে অবশ্য নাস্তিক্যের প্রকাশ পরিস্ফুট। কিন্তু তর্ক করে কি লাভ, কেননা আপনাদের মূর্খতা এমন যে এক পর্যায়ে "ঘাড় দিয়ে পুকুরপাড় ধাক্কানো শুরু করেন"। আমাদের আঞ্চলিক কথা, যার অর্থ হারজিত বুঝি না, আমার কথাই ঠিক।

যদি তর্ক করি তো বলবেন: (ইতিমধ্যে বলেছেনও) আল্লাহ্ নাই, আখেরাত নাই।
আমি বলবো: আল্লাহ্ আছেন এবং তিনি এই বিশ্বজাহান সৃজন করেছেন ও পরিচালনা করছেন।
আপনি বলবেন: না এসব এমনি এমনি হয়ে গেছে, কেউ সৃষ্টি করেনি।
আমি বলবো: দেখান তাহলে পৃথিবীর কোন জিনিস এমনি এমনি হয়েছে? নিউটনই তো বলে গেল যে, কোন জিনিস স্থির থাকলে চিরকাল স্থির থাকে আর গতিশীল থাকলে চিরকাল চলতে থাকে, যদি না কোন বহির্বল তাকে চলতে বাধ্য করে। তাহলে আপনাদের মানে বিজ্ঞানান্ধদের মতেও তো অবশ্যই যাবতীয় তৎপরতার পেছনে কোন না কোন শক্তির হাত অনিবার্য। তাহলে কি করে অস্বীকার করে বসেন সমগ্র সৃষ্টির পেছনে কারো না কারো শক্তিশালী হাত কার্যকর?
তারপরও আপনি ঘাড় দিয়ে পুকুরপাড় ধাক্কাতে থাকবেন: না না যাঁকে দেখি না, যাঁকে স্পর্শ করতে পারি না তিনি নেই।
আমি বলবো: অথচ বাতাস, বিদ্যুত কে না দেখেও অনুভবে বিশ্বাস করেন। ডাক্তারের কথায় অমুক অমুক ঔষধ খেলে রোগ ভালো হবে বলে বিশ্বাস করেন। শিক্ষাকের কথায় "ক" -এ চিহ্ন/চিত্রটিকে "কঅ" উচ্চারণ করে মুখ খাটিয়ে, কেন? বিশ্বাসের কারণে নয় কি?
তারপরও যদি আপনার ঘাড় সক্রিয় বহাল থাকে, তবে এহেন মূর্খতার জন্য করুণা ছাড়া আর কিছু বাকী থাকে না।

দুনিয়া যে একটা পরীক্ষা ক্ষেত্র, একথা আপনার দুর্ভাগা জীবনে কেউ আপনাকে শোনায়নি। তাহলে পরীক্ষার হলের সাথে দুনিয়াটার তুলনা করে মানবজাতির বিভাজনকে বিবেচনা করতে সক্ষম হতেন।

সমস্ত মানুষই ইসলামের উপর জন্ম গ্রহণ করে, তারপর তার বাবা-মা ও পরিবেশ তাকে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, গোত্রে গড়ে তোলে। কেননা, সৃষ্টির পর সকল রূহ আল্লাহ্ তা'আলাকে তাদের প্রতিপালক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে। পরীক্ষার হল "পৃথিবী"তে আছি বলে তা আমাদের স্মরণ থেকে সরিয়ে রেখেছেন আল্লাহ্। তারপর মৃত্যুদূত আসার সাথে সাথেই সব মনে পড়ে যাবে, মনে পড়ে যাবে পৃথিবীর দিনগুলোর যাবতীয় ছোট-বড় সুঘটনা-দুর্ঘটনাগুলোও।

এ মন্তব্যের জবাব দিলাম, কেননা চোখ দু'টো ঘুমে ঢুলু ঢুলু, তাই মেজাজ খারাপ হবার সম্ভাবনা কম। আশা করবো ভবিষ্যতে অপ্রাসঙ্গিক ও মূর্খতাসুলভ মন্তব্য আমার কোন ব্লগে না দিয়ে মুছে দেয়ার মত কষ্টটুকু থেকে আমাকে রেহাই দেবেন।

২৪টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×