| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোস্তফা সোহেল
আমি আমার মত করে অন্যদের যতটুকু ভালবাসি অন্যরা আমাকে ততটুকু ভালবাসে না।
মা মারা যাওয়ার পরে
আমি তার স্মৃতি হিসেবে
কিছু একটা রাখতে চাইছিলাম।
মায়ের পরিহিত কোন শাড়ি,
চাদর অথবা এক টুকরো কাপড়।
মায়ের ব্যবহৃত চশমাটা
মা তায়াম্মুমের জন্য যে মাটি ব্যবহার করতেন সেটি।
না কোন কিছুই মায়ের স্মৃতি হিসেবে
আমার মনপুত হচ্ছিল না।
অনেক ভেবে দেখলাম
মায়ের স্মৃতি হিসেবে
আমার আলাদা করে কিছুই রাখার দরকার নেই।
মায়ের সাথে আমার স্মৃতি আজন্মের
মায়ের সাথে আমার স্মৃতি নাড়ি নক্ষত্রের!
২|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০০
রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর কবিতা।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মায়ের স্মৃতি নিয়ে লেখা কবিতা খুব সুন্দর হয়েছে । পাঠে মুগ্ধ ।
আপনার কবিতাটি অত্যন্ত সংযত অথচ গভীর আবেগে রচিত। শুরুতে দেখা যায় মা চলে যাওয়ার পর সন্তানের
স্বাভাবিক প্রবণতা, কোনো একটি দৃশ্যমান বস্তু স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা। শাড়ি, চাদর, চশমা
কিংবা ব্যবহৃত মাটি এইসব দৈনন্দিন জিনিসের উল্লেখ কবিতাটিকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড় করায়েছে। এগুলো
কেবল বস্তু নয়; এগুলো স্পর্শের, উপস্থিতির এবং স্নেহের প্রতীক।
তবে কবিতার আসল শক্তি শেষ অংশে যেখানে আপনি উপলব্ধি করেন, আলাদা করে কিছু সংরক্ষণ করার প্রয়োজন
নেই। মায়ের স্মৃতি কোনো নির্দিষ্ট জিনিসে সীমাবদ্ধ নয়; তা সন্তানের চেতনায় আজন্মের এমনকি নাড়ি নক্ষত্রে
জড়িয়ে থাকে। মায়ের সাথে আপনার স্মৃতি আজন্মের এই পঙ্ক্তি একধরনের অস্তিত্ববাদী ঘোষণা; মা যেন
কেবল সম্পর্ক নন, তিনি সত্তার অংশ।
কবিতার ভাষা সরল, কিন্তু ভাব গভীর। কোনো অতিরঞ্জন নেই, তবু আবেগ প্রবল। এই সংযমই কবিতাটিকে
মনোজ্ঞ ও আমাদের কাছে হৃদয়গ্রাহী করে তুলেছে।
আপনার কবিতাটি পাঠে মায়ের স্মৃতি নিয়ে আমার মানষ পটে জমে থাকা স্মৃতিগুলি নিয়ে একটি কবিতা লেখার
ভাবনা চলে এসেছে। মাত্র ঘন্টা খানেক আগে নির্বাচন নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছি । দিনে দুটি পোস্ট দেয়া শুভন
দেখায় না বিধায় পরে এক সময় মায়ের ম্মৃতি নিয়ে ভাবনায় আসা কথাগুলি নিয়ে একটি পোস্ট দিবার আশা
রাখছি ।
শুভেচ্ছা রইল