| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
আজ রাত ১২ই ফেব্রুয়ারী, দেশব্যাপী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এর ভোট গণণা চলছে ।
যত সমস্যার সৃষ্টি এই ভোট প্রয়োগ করা নিয়ে । কেউ বলছে ভোট দিতে হবে , কেন্দ্রে যেতে হবে
আবার কেউ বলছে যাবেন না , এটা কোন ভোট নয় ।আপনার ভোটের মূল্য এরা দিবে না ।গণভোট করতে হবে ।
সবচেয়ে দেখার বিষয়, বিএনপি বা জামাত উভয়ে একই কথা যার যার প্রয়োজনে ব্যবহার করেছে ।
ফলে আমজনতার বিশ্বাস করার কারন আছে যে, বক্তব্যটি রাজনৈতিক ও সুবিধাবাদী ।
২.
গনতন্ত্র বা ইসলামতন্ত্র এই দুই ধারার মূল কথাই হলো জনগনের সুখ সুবিধার ব্যবস্হা করার প্রতিশ্রুতি ।
গনতণ্ত্রর নির্বাচন পদ্ধতিতে আছে একটি প্লাটফরম অন্যটি জনগন ! ভোট হলো এর মাধ্যম। এখানে শরীয়া আইন কি ভাবে
প্রয়োগ করবে তার কোন ব্যাখ্যা নাই । জনগন সুবিবেচনা করে নির্ভয়ে ও বাধাহীন ভাবে সেই ভোট দিয়ে প্লাটফরম
ভরে দেবে এবং সেই মতে দেশ চলবে ।
বাংলাদেশের ইতিহাস বিবেচনায়, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি অথবা জাতীয় পার্টি কারও ইতিহাস গনতন্ত্র রক্ষায় সুখের নয়,
তাই জনগন কাউকে র্নিভয়ে বিশ্বাস করেনা , আজ এদেশের জনগন নানাহ বিড়ন্বনায় যন্ত্রনা কাতর এবার তাই অনেকে
জামাতকে ভোট দিয়ে পরিবর্তন দেখতে চায় । কিন্ত যে এনসিপিতে আস্হা রাখতে চেয়েছিলো , তাদের ডিগবাজী
অত্যন্ত র্মমাহত করেছে তরুন ভোটারকে , তাই অনেকে বলছে কাকে ভোট দিবে ? আমি বিভ্রান্ত !!
৩.
.......ভোট পর্যবেক্ষণ চলছে, ৫০০শ বেশী বিদেশী আর ৫০৪৫৪ জন দেশী পর্যবেক্ষক এই নির্বাচন যাচাই করছেন.......।
** আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে বাংলাদেশে যে ভোট হতে যাচ্ছে, তা ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ হিসেবে মূল্যায়িত হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের এক কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে কেউ কেউ মত দিয়েছেন।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করা; গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষা করতে না পারায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ; সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় ‘অনীহা’ এবং চাঁদাবাজি-ধর্ষণে জড়িতদের দায়মুক্তির অভিযোগে ইউনূস সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর কথাও উঠেছে ব্রিফিংয়ে।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে সোমবার ক্যাপিটল হিলে এ ব্রিাফং আয়োজন করা হয়।
** ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরে রুবিন বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছে, এটা কখনও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ধর্মের লেবাসে যারা সন্ত্রাসে লিপ্ত, যারা গণতন্ত্রে শ্রদ্ধাশীল নয়, যারা নারীর স্বাধীনতাকেও হরণ করছে প্রতিনিয়ত, তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক হয় কীভাবে?”১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন রুবিন।তিনি বলেন “ধর্মের দোহাই দিয়ে অন্যায়, অপকর্ম ও দুর্নীতির দায় থেকে রেহাই পেতে চায় জামায়াতে ইসলামী। তারা অপকর্ম ঢাকতেও ইসলামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, যা বাংলাদেশের জন্যে কখনও শুভ ফল বয়ে আনবে না।”
**পুলিশ সুপার বলেন,ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সৈয়দপুর আসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে টাকার পরিমাণ প্রায় ৭৪ লাখ বলে ধারণা করা হচ্ছে। টাকাগুলো গণনার কাজ চলছে।
**ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দেশে ও দেশের বাইরে থেকে আসা ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪৫ জনের পোস্টাল ভোট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে।প্রবাসীদের জন্য ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ টি ব্যালট পাঠানো হয়; এরমধ্যে ভোট দিয়ে দেশে ফেরত এসেছে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৬৬ জন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৫৫১ জন।
এদিকে দেশের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮ জনের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ভোট দিতে ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ২৯৪ জনের।
এ নির্বাচনে দেশে ও দেশের বাইরে থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার।
**কোনো ধরনের যানবাহন না থাকায় কখনো রিকশায় চেপে কখনো বা হেঁটে ৫৭ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে শেষ মুহূর্তে পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে দিয়েছেন পোস্টম্যান।সীমান্তবর্তী ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান।
বৃহস্পতিবার ভোটের সময় শেষ হওয়ার ৩ মিনিট আগে ওই পোস্ট ম্যান ডাকঘরে পৌঁছান। তারপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পোস্টম্যানের বহন করে আনা ব্যাগটি পোঁছে দেন পোস্টমাস্টার সুদীপ ঘোষ।
দদদ**বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় এই নারী ভোটার সাংবাদিকদের বলে দেন তিনি ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি
মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে ভোট দিয়েছেন। আর আব্বাসকে ভোট দেওয়ার কারণও তিনি ব্যাখ্যা করেন।
গোলাপী বলেন, “আব্বাস বহুত মাইর-মোর খাইছে। তাই তারে ভোট দিবার আইছি।
আমার পোলাও নাই, জামাইও নাই। কেউ নাই। তারে আয়া দিলাম ভোট।
”গণভোট নিয়ে জানতে চাইলে গোলাপী বলেন, “এসব হুনি নাই,জানিনা;একটা দিয়ে আসছি।”
গণভোটের সর্বশেষ তথ্য :
হ্যাঁ ভোট অর্জন ............ : ৪,৮০,৭৪,৪২৯ টি
না ভোট অর্জন .............: ২,২৫,৬৫,৬২৭ টি
৪.
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে কিছুদিন ধরে ভোটার উপস্থিতির হার কমাতে নানা ধরনের কর্মসূচি
পালন করছে আওয়ামী লীগ। উক্ত কারনে চলমান ভোটের দিনও ভোট কাষ্টিং কম হয়েছে ।
তারপরও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তোলার আভাস দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
প্রচার ও গণসংযোগ শেষে সারা দেশে ৭৯ আসনে তাঁরা মজবুত অবস্থান গড়ে তুলেছেন।
এসব আসনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
বিএনপির প্রার্থী ও জামাত প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকায় মনে করা হচ্ছে যে, জাতীয় পার্টি
ধরাশায়ী হতে পারেন ।
৫.
একটা কথা সবাই জানেন , বিএনপি মিত্রদের আসন ছাড় ও শরিকদের প্রতীক দিলেও জয়ের কোনপ্রকার
নিশ্চয়তা দেয়নি। ফলে সেসব আসনে প্রার্থী না থাকলেও স্বতন্ত্রের সঙ্গে লড়াই করে জিতে আসতে হবে।
পরিস্হিতি বিবেচনা করলে , ২১০টি আসনে বিএনপি সহজ জয় পাবে, অন্যান্য আসনে
হিসাব নিকাশ উল্টে যেতে পারে । ভোট প্রদানের হার সর্ব্বোচ্চ ৪৮% থেকে ৫০% হতে পারে, যদি ৫১% এর কম হয়
তাহলে বিএনপি বা আর্ন্তজাতিক মহলের কথা বলা বা উল্লাস করার মতো অবস্হা সৃষ্টি হবে ।
নির্বাচন কমিশন বলছে বেলা ১২টা পর্যন্ত ৩২.৮৮% ভোট হয়েছে ।
৬.
বিগত ভোটের মাঠে কি প্রতিফলন ছিল তা সংক্ষিপ্ত আকারে দেখে আসি :-
ইলেকশন বৎসর : ৭ই ডিসেন্বর ১৯৭০
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৮ টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৫৭.৬৯%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : .আওয়ামী লীগ ................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৬০ .......প্রাপ্ত ভোটের হার : ৭৪.৯০%...
বিজিত দল : বিএনপি ছিল না ................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
পরবর্তী দল : জাতীয় পার্টি ছিল না ............ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
ইলেকশন বৎসর : ৭ই মার্চ ১৯৭৩
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ১৫টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৫৪.৯১%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : .আওয়ামী লীগ ................. প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ২৯৩ ..............প্রাপ্ত ভোটের হার : ...৭৩.২০%...
বিজিত দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
পরবর্তী দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
ইলেকশন বৎসর : ১৮ই ফেব্রুয়ারী ১৯৭৯
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৩০টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৫১.২৯%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : বিএনপি ................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ২০৭................প্রাপ্ত ভোটের হার : .৪১.১৭%....
বিজিত দল : আওয়ামী লীগ .................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ৩৯...............প্রাপ্ত ভোটের হার : ২৪.৫৯%....
পরবর্তী দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
ইলেকশন বৎসর : ৭ই মে ১৯৮৬
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা :২৯টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৬১.১০%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : জাতীয় পার্টি ...................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৫৩...............প্রাপ্ত ভোটের হার : ৪২.৩৪%.....
বিজিত দল : আওয়ামী লীগ................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ৭৬ .................প্রাপ্ত ভোটের হার : ২৬.১৬%....
পরবর্তী দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
ইলেকশন বৎসর : ৩ মার্চ ১৯৮৮
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৯টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৪৮.৬৭%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : জাতীয় পার্টি....................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ২৫১ ...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ৬৮.৪৪%...
বিজিত দল : সম্মিলিত দল..................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৯ .............প্রাপ্ত ভোটের হার : .১২.৬৩%..
পরবর্তী দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .................প্রাপ্ত ভোটের হার : .............
ইলেকশন বৎসর : ১৩ই জানুয়ারী ১৯৯১
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৭৬টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৫৫.৪৫%
ফলাফল :
বিজয়ী দল :বিএনপি................................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৪০...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ৩০.৮১%...
বিজিত দল :আওয়ামী লীগ........................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ৮৮...........প্রাপ্ত ভোটের হার : .৩০.০৮% ..
পরবর্তী দল : জাতীয় পার্টি......................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ৩৫...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ১১.৯২%...
ইলেকশন বৎসর : ১২ই জুন ১৯৯৬
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৮২টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৭৫.৬০%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : আওয়ামী লীগ....................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৪৬..........প্রাপ্ত ভোটের হার : ...৩৭.৪৬%.....
বিজিত দল : বিএনপি.............................. প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১১৬...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ..৩৩.৬১%....
পরবর্তী দল : জাতীয় পার্টি........................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ৩২...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ....১৬.৪০%.......
ইলেকশন বৎসর : ১লা অক্টোবর ২০০১
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৫৫টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৭৪.৯৭%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : বিএনপি......................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৯৩...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ..৪০.৯৭%.......
বিজিত দল : আওয়ামী লীগ.................. প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .৬৩..............প্রাপ্ত ভোটের হার : ৪০.১৩%.......
পরবর্তী দল : জামাত ............... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৭............প্রাপ্ত ভোটের হার : .৪.২৮%.......
ইলেকশন বৎসর : ২৯শে ডিসেন্বর ২০০৮
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৩৯টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৮৭.১৩%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : আওয়ামী লীগ..................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ২৩০......,........প্রাপ্ত ভোটের হার : .৪৮.০৪%......
বিজিত দল : বিএনপি............................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ..৩০..............প্রাপ্ত ভোটের হার : .৩২.৫০%......
পরবর্তী দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
ইলেকশন বৎসর : ০৫ জানুয়ারী ২০১৪
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ১৩টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৩৯.৫৮%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : .আওয়ামী লীগ...................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .২৩৪..........প্রাপ্ত ভোটের হার : ৭২.১৪%........
বিজিত দল : জাতীয় পার্টি....................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .৩৪...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ৭.০০%........
পরবর্তী দল : .স্বতন্ত্র............................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ১৬..............প্রাপ্ত ভোটের হার : ১৫.০৬%.........
ইলেকশন বৎসর : ৩০শে ডিসেন্বর ২০১৮
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৪১ টি দল
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ৮০.২০%
ফলাফল :
বিজয়ী দল : আওয়ামী লীগ..................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ২৫৭..........প্রাপ্ত ভোটের হার : ৭৪.৬৩%..
বিজিত দল : জাতীয় পার্টি ...................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .২৬...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ৫.২২%.....
পরবর্তী দল : বিএনপি .......................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .০৭............প্রাপ্ত ভোটের হার : .১৩.০৬%..
সূত্র : বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ।
এই পরিসংখ্যান সমূহ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যখন অংশ গ্রহনমূলক ভোট হয়েছে, তখন কোন দলই
৪০% বা ৪৫% এর বেশী ভোট পায় নাই । এই পরিসংখ্যান আরো বলেযে, কখন একতরফা বা ভোট জালিয়াতি হয়েছে ।
--------------------------------------------------------আপনার মতামত দিন ----------------------------------------------------------
ইলেকশন বৎসর : ৭ই জানুয়ারী ২০২৪
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ২৮টি দল ( ৪৪টি নিবন্ধিত আছে)
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ---------------- ( নিবন্ধিত ভোটার : ১১৯৬৯১৬৩৩)
মোট আসন : ২৯৯ টি ( একটি স্হগিত : নওগাঁ ২ ) মোট প্রার্থী : ১৯৭০ জন
দলীয় আসনের অংশগ্রহনের হিসাব : নৌকা : ২৬৬, জাতীয় পার্টি : ২৬৫, তৃনমূল বিএনপি : ১৩৫, স্বতন্ত্র : ৪৩৬
এছাড়াও অন্যান্য অংশগ্রহনকারী : অন্যান্য : ৭৬৮, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি : ৭৯ , মহিলা : ৯৭ তৃতীয় লিঙ্গ : ১
..............................................................ফলাফল : .........................................................................
বিজয়ী দল : .....আওয়ামী লীগ................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
বিজিত দল : ......জাতীয় পার্টি................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
পরবর্তী দল : ...................................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....................প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
ইলেকশন বৎসর : ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা : ৫১টি দল ( ৫৯টি নিবন্ধিত আছে)
ভোটার অনুপাতে ভোট প্রদানের হার : ----------৪৮% ( নিবন্ধিত ভোটার : ১২,৭৭,১১,৭৯৩ )
মোট আসন : ২৯৭ টি ( ৩টি স্হগিত ) : মোট প্রার্থী : ১৯৮১ জন
দলীয় আসনের অংশগ্রহনের হিসাব :বিএনপি : ২৮৮, জাতীয় পার্টি : ২৬৫, জামাতে ইসলামী : ২১৫, স্বতন্ত্র : ২৪৯
এছাড়াও অন্যান্য অংশগ্রহনকারী : অন্যান্য : ৯৩৩, এনসিপি : ৩০ , তৃতীয় লিঙ্গ : ১
............................................................ফলাফল : .........................................................................
বিজয়ী দল : .....বিএনপি....................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ....২১৩...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
বিজিত দল : ....জামাত ..................... প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : ......৭৩...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
পরবর্তী দল : ....এন সি পি . ................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....০৪...........প্রাপ্ত ভোটের হার : ..................
পরবর্তী দল : ....স্বতন্ত্র .......... ................ প্রাপ্ত সংসদীয় আসন : .....০৮...........প্রাপ্ত ভোটের হার : .................
আপডেট : দেশে নির্বাচন চলছে সুষ্ঠ মতো এখন পর্যন্ত কোন বড় ধরনের বিপর্ষয় খবর আসেনি । কিছু স্হানে সমস্যা হয়েছে
কেন্দ্রে আগুন দেয়া হয়েছে , জাতীয় পার্টির ভরাডুবি ঘটেছে নির্বাচন চলছে । ৪৮% ভোট হয়েছে ।
আপনার পর্যবেক্ষণ কি বলে , কোন দল কত সীট পাবে বলে মনে করেন ? ভোট প্রদানের হার বা কি হবে ?
৭.
......................................... .এই আসনে ভোট পড়েছে ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ। ..........................................
আপনার মতামত জানান । এই লেখা আপডেট হবে প্রতি ৩ ঘন্টা পরপর ।
***ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বলেন, ‘যেসব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, তাদের নিয়ে একসঙ্গে দেশ পরিচালনা করতে চাই।’
***ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর ১৩টি আসনের পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। কাকরাইলে অবস্থিত উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে এ গণণা শুরু হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আবদুর রহিম।
***পোস্টাল ব্যালট গণনা করা আসন ১৩টি হলো ঢাকা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭ ও ঢাকা-১৮।
***ভোলার সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ৫১ নম্বর আলীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মহিলা কেন্দ্রে প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল। পরে ভোলা-১ (সদর) আসনের বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থর হস্তক্ষেপে ভোট গ্রহণ আবার শুরু হয়।
*** ঠিক শেষ মুহূর্তে ৪টা ৩০ মিনিটে দৌড়ে এসে ভোট দিয়েছেন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ভোট দিতে দেবে না শুনে চোখে পানি চলে এসেছিল। ১৯৯৬ সালের পর এবার ভোট দিতে পেরে তিনি গর্বিত। ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা–৬ আসনে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল কেন্দ্রে ঘটেছে এ ঘটনা ।
***ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে পাঁচজন তরুণ ভোটকেন্দ্রের বুথে গিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মেরেছেন। উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের লোহাবৈ বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
*** বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে, প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলি দিনভর ঐতিহাসিক ভোটের উপর আলোকপাত করেছে।
***দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি, আল জাজিরা, দ্য হিন্দু এবং অন্যান্যদের মতো বিশিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলি সরাসরি আপডেট এবং বিশ্লেষণ সম্প্রচার করেছে, যা এটিকে বিশ্বব্যাপী শিরোনামে পরিণত করেছে।
***রয়টার্স এই ঘটনাটিকে "শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম নির্বাচনে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন" হিসাবে বর্ণনা করেছে, এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভোটকে "অভূতপূর্ব" বলে অভিহিত করেছে।প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে
যে শেখ হাসিনার প্রশাসনের অধীনে বিতর্কিত চাকরি কোটা দ্বারা সৃষ্ট অস্থিরতার পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার ফলে
২০২৪ সালে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ শুরু হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে শত শত মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার আহত হন, যার ফলে হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং ভারতে চলে যান। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জেনারেশন জেড ভোটাররা কর্মসংস্থান, দুর্নীতিবিরোধী ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মতো বিষয়গুলি দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন।
***নিউ ইয়র্ক টাইমস জোর দিয়ে বলেছে যে ১২ কোটিরও বেশি নাগরিক নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করেছেন, এটিকে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে অনেক বাংলাদেশী এই ভোটকে ব্যাপক দুর্নীতি এবং কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে সুরক্ষা সহ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখেন।
***বিবিসির লাইভ কভারেজ তুলে ধরেছে যে এই নির্বাচন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম নির্বাচন, যা শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়, যার সময় ১,৪০০ বিক্ষোভকারী নিহত হন। আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং অস্থিরতার সময় রাষ্ট্রীয় দমনের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছিল, যদিও হাসিনা তা অস্বীকার করেছেন।
***গার্ডিয়ান নির্বাচনকে "তারেক রহমানের অধীনে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির একটি নতুন যুগের" ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছে, যিনি ১৭ বছর নির্বাসন শেষে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসে প্রধান বিরোধী নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, দুর্নীতির অবসান ঘটাবেন এবং দেশকে "নতুন পথে" নিয়ে যাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
***আল জাজিরা জোর দিয়ে বলেছে যে ভোট কেবল পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে না বরং গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করবে, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলে ধরে: বিএনপির তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. শফিকুর রহমান।
***পাকিস্তানের জিও নিউজ ভোটকে "২০২৪ সালের বিদ্রোহের পর ঐতিহাসিক" হিসেবে বর্ণনা করেছে, দীর্ঘ সারি এবং তীব্র নির্বাচনী প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করেছে।
***ভারতীয় গণমাধ্যমও নির্বাচনটি ব্যাপকভাবে প্রচার করেছে। দ্য হিন্দু বিএনপি এবং জামায়াতের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিযোগিতার খবর প্রকাশ করেছে, দুপুর পর্যন্ত ৩২ শতাংশ ভোটার ভোটদানের কথা উল্লেখ করে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পোলিং এজন্টে বের করে দেয়া, এই সংস্কৃতি আমি
ছোট বেলায় দেখেছি , তা থেকে আমরা এখনও উত্তরন ঘটাতে
পারি নাই ।
................................................................................................
রুমিন ফারহানা, তাসনিম জারা একই রকম অভযোগ করেছেন ।
অর্থাৎ যেখানে মূলপ্রার্থী শক্তিশালী আর নূতন চ্যালেন্জিং প্রার্থী দূর্বল থাকে ,
এসব ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্হা নেয়া উচিৎ কিন্তু তারা
প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে ।
২|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:০১
নিমো বলেছেন: ৫৫ শতাংশের ভোট ভোট খেলায় গণভোটের অবস্থা কী?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমি নির্বাচন শুরুর পূর্ব থেকেই বলে আসছি,
দেশের মোট জনগণের ৬০% সম্মতি না থাকলে
তাকে বৈধ গণভোট বলা যায়না ।
..................................................................
তারপরও সরকার ৫৫% ভোট হবে বলে তা বৈধতা
দেবার চেষ্টা করছে, কিন্ত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক
ঘোষিত বক্তব্য পাই ৪.৩০মি পর্যন্ত ৪৭.৯১% ভোট
হয়েছে , তাহলে এখানে না ভোট আছে ।
ফলে হ্যাঁ ভোট কাষ্টিং ভোটের ৪৫% হতে পারে,
তাহলে কি দাঁড়াল ???
সুতরাং বিষয়টি অধিকতর আলোচনা করে
সংসদে পাশ করা উচিৎ।
৩|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ফালতু ভোট হয়েছে। যাদের কেউ চিনে না এরাই জিতেছে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জনসাধারন ভোট দিয়েছে ,
যার যার এলাকায়,
তা ছাড়া বি.এন.পির অধিকাংশ প্রার্থী পুরানো এবং
অভিজ্ঞ তবে জামাতের প্রার্থী অনেককে চিনিনা ।
........................................................................
এলাকার লোকজন না চিনে ভোট দিয়েছে তা মনে
করার সংঙ্গত কোন কারন দেখিনা ।
৪|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৪
রাজীব নুর বলেছেন: যাক, বড় রকমের কোনো দূটর্ঘনা ঘতে নাই।
ভালোয় ভালোয় নির্বাচন হয়ে গেচে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বড় রকমের সমস্যা তখনই হয়
যখন প্রতিদ্বন্ধী দল সমূহ
পারস্পরিক হিংসা ও জেতার ক্রেজী মনোভাব
প্রর্দশন করে ।
......................................................................................
এখান সবাই কিভাবে নির্বাচন করে ক্ষমতার ভাগ নেয়া যায়,
তা নিয়ে ব্যস্ত ছিলো ।
আমি লিখে দিতে পারি এর পরবর্তী নির্বাচন অনেক সহিংস হবে ।
৫|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪
ডার্ক ম্যান বলেছেন: আগামী ২ বছরের মধ্যে আরেকটা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যদি বর্তমান নূতন সরকার তাদের ক্যারিশমা
প্রদর্শন করতে পারে তাহলে,
আওয়ামী লীগ কিছুই করতে পারবেনা ।
৫ বৎসর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪২
রিফাত হোসেন বলেছেন: অনেক জায়গায় পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেয় নি। আগের দিন ভয় দেখিয়েছে। ভোট কেন্দ্রের অফিসার পক্ষপাত করেছে। যারা আসলেই সমস্যা পরেছে তারা তাৎক্ষণিক গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে তবে সুরাহা পায়নি সাথে সাথে। তাই ভোট কেন্দ্রে সাময়িক অবৈধ কিছু হতে পারে। যা জয়ের পাল্লাকে এক দিকে ভারী করতে যথেষ্ট। সেনাবাহিনী বাহিরে active ছিল। যদি কিছু করে থাকে তাহলে আমলা কামলাদেরই মোবারকবাদ জানাতে হবে টু পাইস আয়ের জন্য! লীগের পর দলই ক্রেজ! জামাত ৭১ নিয়ে পরিষ্কার নয় তাই মানুষও কাছের নয়। কিন্তু একটি দলের পরাশক্তি হওয়া ভারসাম্য সৃষ্টি করে না।