নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কুকুরের অধিকার রক্ষার ব্যাপারে তুমি আন্তরিক নও। যা আমাকে কষ্ট দেয়।

অর্ক

Mail: [email protected]

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

যুদ্ধ বিরোধী কবিতা: তোমরা বিড়াল হত্যার উৎসবে মেতেছো

০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৪২



আর আমি ভীষণ দুঃখ পেলাম দেখে
দল বেধে বিড়াল হত্যার উৎসবে মেতেছো
কুয়াশাচ্ছন্ন বরফসাদা হিম রাত শীতের
তোমরা বিরাটকার কালো আলখাল্লা পরা
উলের ভারি দস্তানা ও মোজা হাতে পা’য়ে;
পাশবিক উল্লাসে শীর্ণকায় শিশু বিড়ালটিকে
কামড়ে আঁচড়েহাঁচড়ে চিবিয়ে ছিড়েখুঁড়ে
রক্তগঙ্গায় লটপট রেখে গেছো খোলা সড়কে।

ইশ কোনওদিন সে মিউমিউ শুনবো না আর!
ভালো পরিচিত ছিলো, প্রায়শ দেখতাম
প্রতিবেশীর ছাদের কার্নিশে অলস শুয়ে
কখনও এদিকসেদিক পায়চারিরত।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৭

অর্ক বলেছেন: ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের সময় লিখেছিলাম। আহা, সময় বয়ে যায়! খুবই অস্থির অশান্ত সংঘাতময় যুদ্ধোন্মাদ হয়ে উঠেছে পৃথিবী। যুদ্ধের উদ্দেশ্যই হচ্ছে, প্রতিপক্ষকে মেরে ফেলা। এখানে মানবিক আবেগ অনুভূতির কোনোই মূল্য নেই। যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই।

২| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি খেয়াল করেছি রিপাবলিক নেতারা পাওয়ারে আসলেই ওয়ার করবেই ; এটা অলিখিত নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে ।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮

অর্ক বলেছেন: পরিস্থিতি অনেকসময় বাধ্য করে। ডেমোক্র্যাটদের সময়ও হয়। ট্রাম্পের আগের মেয়াদে যুদ্ধ হয়নি। ধন্যবাদ।

৩| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউক্রেন রাশিয়া একটা ফাউল ওয়ার শুরু করেছিলো।

৪| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে দারুন এক রূপক কবিতা ।

আর আমিও দেখি
তোমরা উৎসবে মেতেছো
একটি শীর্ণকায় বিড়ালের রক্তে লাল হয়ে ওঠা পথের পাশে।
তোমাদের চোখে অদ্ভুত উল্লাস
যেন নিষ্ঠুরতারও এক অদ্ভুত উৎসব আছে পৃথিবীতে।

সেই ছোট্ট মিউমিউ
একদিন কার্নিশে অলস শুয়ে থাকতো
শীতের কুয়াশায় গুটিয়ে নিতো শরীর
কখনও এদিক সেদিক হেঁটে বেড়াতো
নিরীহ জীবনের সহজ নিশ্চিন্ততায়।

আজ সে নেই।
রক্তাক্ত নিস্তব্ধতায় পড়ে আছে
মানুষের পাশবিক আনন্দের ইতিহাস হয়ে।

তখন মনে পড়ে পৃথিবীর মানচিত্র
যেখানে আগুন জ্বলছে
Russia–Ukraine War-এর ধ্বংসস্তূপে
যেখানে শিশুর কান্না ভেসে আসে
Israel–Hamas War-এর ধূসর আকাশে
আর বহু বছরের রক্তমাখা বাতাস বয়ে যায়
Syrian Civil War-এর ক্লান্ত শহরগুলোর ওপর দিয়ে
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ইজরাইল আর মধ্যপ্রাচ্চের
দেশ গুলির শহরের মাঝেও সেই
মিউ মিউ শব্দই শুনা যাচ্ছে ।

সেখানকার সাধারণ মানুষও
এই বিড়ালটির মতোই
নিঃসহায়, নীরব
কারও উল্লাসের অদৃশ্য শিকার।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যায়
একটি ঘর
একটি খেলনা
একটি অসমাপ্ত শৈশব।

কোনও এক মায়ের ডাক
আর কোনওদিন ফিরে আসে না
যেমন আর শোনা যাবে না
সেই পরিচিত মিউমিউ।

তবু মানুষ যুদ্ধের মঞ্চে দাঁড়িয়ে
বিজয়ের পতাকা তোলে।

আর পৃথিবী নিঃশব্দে জিজ্ঞেস করে
কেন এই উল্লাস?
কেন এই রক্তের উৎসব?

কারণ প্রতিটি যুদ্ধের বিজয়ের নিচে
লুকিয়ে থাকে অসংখ্য নীরব কান্না
অসংখ্য হারিয়ে যাওয়া প্রাণের গল্প।

সেই ছোট্ট বিড়ালের মতো
যার মিউমিউ একদিন
মানবতার বিবেক হয়ে
চিরকাল ভেসে থাকবে শীতের কুয়াশায়।

শুভেচ্ছা রইল অর্ক বরাবরে ।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮

অর্ক বলেছেন: বাহ দারুণ! ধন্যবাদ ভাই।

৫| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সুন্দর কবিতা।

#আলী ভাইয়ার কবিতাও সুন্দর

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮

অর্ক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

৬| ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ইরানে যেই হত্যা হচ্ছে এই হত্যার দায় কার বলে মনে করেন? এতো এতো নারী শিশু ও নিরপরাধ সাধারণ জনগণ হত্যার মাঝে আমেরিকার কি বীরত্ব আছে?

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

অর্ক বলেছেন: আপনি ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন না। ইরান সম্পূর্ণ বর্বর অসুস্থ একটি রাষ্ট্র। ইরানের সম্পদ দিয়ে ইরানিরা বাকি জীবন আরামে শুয়েবসে খেতে পারতো। শুধু তেল বিক্রি করেই সুখী জীবন পেতে পারতো। সেটা না করে খোমেনি আট দশটা জঙ্গি সংগঠন পেলেপুষে মধ্যপ্রাচ্য অস্থির করে রেখেছে দীর্ঘসময়।

যুদ্ধের পরিস্থিতি যেন না হয় এ ব্যাপারে সবাইকে কাজ করতে হবে। চোরের দশদিন তো গেরস্তের একদিন। সে দশা ইরানের। সাধারণ মানুষ অসহায়। শাসকদের ভুলের জন্য তাদের ভুগতে হয় সবদিক দিয়ে। ব্যাপারটা বুঝতে হবে। পুলিশ অপরাধী ধরতে গেলে- অপরাধীর পরিবার রাস্তায় গড়াগড়ি দেয়, কাঁদে, বিলাপ করে। মানবেতর পরিবেশ তৈরি হয়। সেটা দেখে পুলিশকে বলবেন অপরাধীকে ছেড়ে দিতে!

ইয়েমেনে কতো ইয়েমেনী হত্যা করলো সৌদি এর মাঝে জানেন?

হ্যা, এটা ঠিক ইরানের মানুষ দুর্ভাগা। শাহ পাহলভিও নিষ্ঠুর বর্বর মহা দুর্নীতিবাজ শাসক ছিলো। তবে রক্ষণশীল ছিলো না। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের স্বাধীনতা ছিলো। তারপর দীর্ঘ মোল্লাতন্ত্রের অভিশাপ। ইরানের সমাজব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। রাতারাতি সুফল আসবে না। ইরানিদের উচিত আমেরিকা ইসরায়েলকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করা।

অনেক জটিল বিষয়। আপনি অনলাইনে জানার চেষ্টা করেন। ধন্যবাদ। ইরানকে নিরস্ত্র না করা গেলে আগামীতে আরও বড়ো বিপদে পড়তো বিশ্ব। এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। ইতোমধ্যেই প্রচুর রক্তপাত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ইরানের এই মোল্লাতন্ত্রের কারণে। এখন সুদিনের প্রত্যাশা।

৭| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ইরানের মাটি পানি ও আবহাওয়া কৃষি উৎপাদনের জন্য খুবই অনুকূল পরিবেশ। বাংলাদেশের তুলনায় ইরানের সমতল ভূমি কম তারপরও ইরানে গম উচ্চ ফলন হয়। ভোজ্য তৈল জাত শষ্য উচ্চ ফলন হয়। তুলা উচ্চ ফলন হয়। খেজুর, আঙুর, আপেল, কমলা, পিচ, পাম সহ যতো ধরনের ফল আছে প্রায় সবগুলো ইরানে ফলে তাও উচ্চহারে। সাথে না বললেই নয় ইরানের ফল খুবই খুবই সুস্বাদু। এছাড়া ইরানের আছে বিশ্ব বিখ্যাত জ্বালানী তৈল। খনিজ সম্পদ সব সময় একটি দেশের জন্য আর্শীবাদ হয় না, অভিশাপ ও হয়! যার জ্বলন্ত উদাহরণ: ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, নাইজেরিয়া সহ আফ্রিকার সকল দেশ।

ইরানে যেই পরিমান আঙুর কমলা আপেল ফলে তা আমরা ইউটিউবে ও দেখতে পাবো না। শুধু ফল বিক্রি করে ইরান ভালো থাকার কথা।

সমস্যা হচ্ছে ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশ যেমন জামাত পালন করছে, ইরানে মোল্লাতন্ত্র পালন করছে। যুদ্ধ করে যে সব কিছুর সমাধান সম্ভব নয় এটি মোল্লাতন্ত্র বোঝার কথা না। ফলাফল আমাদের চোখের সামনে। ইরান অসুস্থ রাষ্ট্র না। ইসরায়েল আমেরিকা কি চায় তা ইরাক লিবিয়া সিরিয়া যুদ্ধের পরিণতি দেখে যদি না বুঝতে পারেন তাহলে অনলাইনে আর কি জানার চেষ্টা করবেন!

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১১

অর্ক বলেছেন: এতো রংঢং না করে সোজা বলেন কি বলতে চান! সাদ্দাম গাদ্দাফি ফেরেস্তা ছিলো? শেষে ভুল তথ্য দিলেন ইরাক লিবিয়া যুদ্ধে ইসরায়েল ছিলো না। গাদ্দাফি পতনের যুদ্ধে সরাসরি আমেরিকা না ন্যাটো ছিলো। এজন্যই জানতে বলা। দীর্ঘসময় স্বৈর শাসনে বিপর্যস্ত রাষ্ট্র দুটি। দশ বিষয়ে আলোচনা সম্ভব নয়। আমেরিকার সব কাজ আমি নিজেও সমর্থন করি না। কিন্তু এটা ভালো পদক্ষেপ। ইরানের ৬০-৭০ ভাগ মানুষ মুক্তি চেয়েছিলো খোমেনির মোল্লাতন্ত্র থেকে। পঞ্চাশ বছর ধরে জীবন দিয়ে আসছে তারা। এবার সুযোগ হলো। দেখা যাক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.