| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিউমার্কেট এর দিকের বারান্দায় দাঁড়ালে অনেক নিষিদ্ধ জিনিস দেখা যায়, সবসময় না!! আমার বারান্দাটার বাম পাশে আজিমপুর কবরস্থান এর পাঁচিল, লাফ দিলে কবরস্থান এর ভিতরে পরব, এত্ত কাছে!! আরো দেখা যায় চারুকলার হলের রাস্তা, বিশ্বাসে বিজয় মূর্তি, নিউমার্কেট এর দেয়ালের সামনে রাখা বিখ্যাত ডাস্টবিন যা বর্তমানে লোহার দরজা এবং দেয়াল দিয়ে ঘেরা(অনেকের এইটার ভিতরে যেয়ে এর ফায়দা নিচ্ছে) আর দেখা যায় নিউমার্কেট এর গেট, আগে আমার এক বান্ধবী ফোন করে জিগ্যাসা করত "দেখ তো ফারু আজকে মার্কেট বন্ধ না খোলা" তো যা বলছিলাম "নিষিদ্ধ জিনিস" বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম হাতে চায়ের কাপ,প্রাই দাঁড়ায়ে থাকি, মানুষ দেখি কিন্তু তারা আমাকে দেখে না, নিজেকে তখন অন্যরকম লাগে। মঙ্গল বার নিউমার্কেট বন্ধ, তাই রাস্তা ফাঁকা বিকাল ৬ টা, প্রথমে চোখ গেলো কবরের পাঁচিলের দিকে কবরস্থান এর ভিতরে তিনজন লোক বসে মনের সুখে টানতিসে আর অাঙুল উঁচায়ে একজন আরেকজন কে কি সব বলছে, তারপর চোখ গেলো রাস্তায়, টি স্টল এর সামনে(চারুকলার হলের রাস্তা) এক মহিলা দাঁড়ায়ে আছে, এবং কিছুক্ষণ পরপর একজন দুইজন করে এসে তার কাছ থেকে কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছে এবং দিয়ে যাচ্ছে , লেনদেন টা হচ্ছে খুব দ্রুত। খানিকক্ষণ এর মধ্যেইই মহিলার সঙ্গী কে আবিষ্কার করলাম সেই ডাস্টবিন এর গেটে তাকে দেখা যাচ্ছে না কিন্তু বোঝা যাচ্ছে কারন ওইখানেও কিছুক্ষণ পরপর লোক যাচ্ছে এবং সেই দ্রুতগতির লেনদেন হচ্ছে। আমি প্রায় আধাঘণ্টা সেইখানে দাঁড়ায়ে তাদের ডিলিংস দেখলাম। অবাক করা বিষয় সেই মহিলা এবং পুরুষ কিন্তু ফুসরত পাচ্ছিলো না হাফ ফেলার, চোখের ইশারা এবং দুই হাতের ব্যবহার, এক হাত দিয়ে টাকা নিচ্ছে এবং অন্য হাত দিয়ে জিনিস দিচ্ছে।তারা কখনোই পাশাপাশি দাঁড়াচ্ছিল না। মাঝে মাঝে মহিলাটা ইশারা করে দুই একজন কে ডাস্টবিন এর দিকে পাঠাচ্ছিল, হবে কোন স্ট্রেটিজি, যারা নিচ্ছিলো তারাও সচেতন ছিলো কেউ দেখছে না তো!! কেউ মোবাইলে কথা বলার ভান করে এগিয়ে আসছিলো, মহিলাটার কাছে এসেই ফোন নামিয়ে মুহূর্তের মধ্যে জিনিস নিয়ে পগারপার। ভোক্তা কারা বলি? রিকশাওয়ালা, স্টুডেন্ট যাদের প্যান্টের ব্যাকপকেটে লেকচার খাতা গোজা এবং অন্যান্য, হতে পারে গার্মেন্টস কর্মী,অথবা দোকানদার। সবার বয়স এই...২৩ থেকে ৩৫ এর মধ্যে হবে। ভোক্তাদের মধ্যে কোন মেয়ে ছিলো না এইটা একটা আশার কথা। মাগরিব এর আজান শুনে দেখলাম মহিলা তার ওর্নাটা টেনে মাথায় দিলো। দেখে মনে হল ওর ও তাইলে ধর্ম বোধ আছে!!
২|
২৯ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ৮:৩৩
রাজু বলেছেন: নাইচ গল্প। আমিও একবার একজন আসামিকে ডান্ডা বেড়ি পড়া অবস্থায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে করতে বতল খেতে দেখলাম (পাশে অবশ্য পুলিশ ও ছিল)। আজান দিতেই মুত শুদ্ধ জিপার ওপ কর পেললো। কথায় আছে চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী...
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ৮:২৬
ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
হাহাহাহ!