নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

করুণাধারা

করুণাধারা

জীবন যখন শুকাইয়া যায় করুণাধায় এসো

করুণাধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মা বিষয়ক

১১ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৪

এক

মা দিবসের দুদিন আগে পৃথিবীর দুই প্রান্তে দুজন মায়ের মৃত্যু ঘটেছে প্রসব কালীন জটিলতায়। এই জটিলতা বিষয়ে আমার এই পোস্ট।

মা হওয়ার অনুভূতি আনন্দময়, কিন্তু এর সাথে থাকে শারীরিক এবং মানসিক অনেক কষ্টের অনুভূতি। অনেক কষ্ট সহ্য করার পরেই একজন মা সন্তানের জন্ম দিতে পারেন। সন্তান জন্ম দেওয়াও সহজ কোনো কিছু নয়, এতে সবসময় মায়ের মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে। সন্তান জন্মদান কালীন মায়ের মৃত্যুর ঘটনা শুধু অনুন্নত দেশে নয়, উন্নত দেশেও ঘটে থাকে। কয়েকদিন আগে আমেরিকায় জন্মদান কালীন এক মায়ের মৃত্যুর ঘটেছে। তিনি গর্ভধারণের পুরো সময় সুস্থ ছিলেন, সুস্থ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকা হাসপাতালে পৌঁছালেন এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রসব কালীন এক বিরল জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। সন্তান জন্মদান কালীন এমন অনেক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যাতে উন্নত বিশ্বের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাতেও মায়ের প্রাণহানি ঠেকানো যায় না, আমাদের দেশে তো এমন সবসময় ঘটছে। মৃত্যু ঝুঁকি তৈরি হয় এমন চারটি পরিস্থিতি নিয়ে লিখছি, আরো অনেক আছে কিন্তু সেগুলো লিখি নি।

১) এ্যামনিওটিক ফ্লুইড এম্বোলিজম (AFE)এ্যামনিওটিক ফ্লুইড এম্বলিজম এমন একটা বিপজ্জনক জটিলতা যাতে এ্যামনিওটিক ফ্লুইড প্রসবের সময় বা সন্তান জন্মের অল্প সময়ের মধ্যেই মায়ের রক্তের সাথে মিশে যায় এবং এরফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মায়ের হার্ট লাংস অকার্যকর হয়ে ব্রেন সেল মারা যেতে শুরু করে। AFE এর কারণ জানা যায়নি, কিন্তু এটা এত দ্রুত ঘটে যে প্রতিরোধ করা খুবই দুরূহ। AFE ঘটে খুব কম, কিন্তু AFE হলে মায়ের বাঁচার সম্ভাবনা প্রায় শুন্য।

২) প্রসব কালীন মৃত্যু সবচেয়ে বেশি ঘটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেরক্ত ক্ষরণে মৃত্যু। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ নানা কারণে হতে পারে, কিন্তু যথাসময়ে ব্যবস্থা নিতে পারলে মাকে বাঁচানো সম্ভব। কিন্তু ব্যবস্থা না নিতে পারলে মা খুব অল্প সময়ের মধ্যে শকে চলে যেতে পারে, যার ফলে পরবর্তীতে মৃত্যু ঘটতে পারে।

৩) অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মায়েদের ডায়বেটিস এবং ব্লাড প্রেসার বেড়ে যাবার মত সমস্যা তৈরি হয়। দুই কারণেই জটিলতা সৃষ্টি হয়ে মায়ের মৃত্যু ঘটতে পারে। ব্লাড প্রেসার অতিরিক্ত বেড়ে গিয়ে কখনো প্রিএকলেম্পশিয়া এবং একলাম্পশিয়া হয়, একলেম্পশিয়াএতে স্ট্রোক করার এবং হার্ট কিডনি ইত্যাদি অকার্যকর হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এটাও একটা বিপজ্জনক অবস্থা যা অল্প সময়ের মধ্যে এমন জটিলতা সৃষ্টি করে যে অনেকক্ষেত্রেই তার সমাধান করা যায় না, ফলে মায়ের মৃত্যু ঘটে।

৪) স্পাইনাল এনেস্থেসিয়া বা এপিডিউরাল, যা প্রসবের ব্যথা কমাতে দেয়া হয়, সেটাও মায়ের মৃত্যুর কারণ হতে পারে এমন কোনো কোনো ক্ষেত্রে।

- ওষুধ ভুলবশত রক্তনালীতে বা খুব গভীরে চলে যায়। এর ফলে খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যথাসময়ে চিকিৎসা না দিতে পারলে মৃত্যু ঘটতে পারে। একে বলা হয় local anesthetic toxicity।

- High spinal block, এপিডিউরাল দিতে গিয়ে স্পাইনাল কর্ডের ভুল জায়গায় বেশি ওষুধ চলে যেতে পারে। এক্ষেত্রেও অচেতনতা, শ্বাসকষ্ট এই সব সমস্যা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা না করলে মৃত্যু ঘটতে পারে।

- এপিডিউরালের পরে রক্তচাপ হঠাৎ খুব কমে যেতে
পারে। সাধারণত ডাক্তাররা রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন । কিন্তু এই অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মৃত্যু হতে পারে।

(আমি কয়েকটা ঘটনা শুনেছি, যেখানে এনেস্থেসিস্ট এপিডিউরাল পুশ করেই চা খেতে চলে যাওয়ায় রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেটা ধামাচাপা দিতে রোগীর স্বজনদের বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু ঘটেছে!)

৫) এপিডিউরাল দেওয়ার সময় ভুলভাবে প্রয়োগের কারণেও Amniotic Fluid Embolism হতে পারে, ফলে কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্রেইন সেল মরতে শুরু করে।

আমাদের দেশে অশিক্ষা- অজ্ঞানতার কারণে প্রসবের জটিলতা বুঝতে না পারায়, যথাসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় অথবা ভুল চিকিৎসায় অনেক মা সন্তান জন্মের সময় মারা যান। কিছুটা সচেতনতামূলক ব্যবস্থা নিলেই সেই মৃত্যু এড়ানো সম্ভব। কয়েকদিন আগে সন্তান সম্ভাবা একজন মারা গেলেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ডাক্তার হওয়া এবং উন্নত হাসপাতালে নেয়া সত্ত্বেও গর্ভাবস্থার জটিলতার কারণে সন্তান জন্মের সময় মা মারা গেলেন। view this link

এটা খুবই হতাশাজনক, চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই উৎকর্ষের সময়েরও মায়েদের মৃত্যু ঠেকানোর কোনো তরিকাই পাওয়া যায় না!

অবশ্য সন্তান প্রসবের সময়ের আগেও এদেশের অনেক মায়ের মৃত্যু হয় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় পেটে লাথি খেয়ে। গুগল করলেই এমন অনেক খবর দেখা যায়।

দুই

এত কষ্টকর এবং বিপজ্জনক সময় পার করে মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়া যায়, অথচ এই মাতৃত্ব নিয়ে আমাদের দেশে অনেকে মশকরা করেন। সন্তান ধারণ করা মায়েদের সাথে তাঁরা গরুর সাদৃশ্য খুঁজে পান, বলেন যে গরুর বাচ্চা জন্মাতে যদি সিজারিয়ান না লাগে তবে মানুষের বাচ্চা জন্মাতে কেন সিজারিয়ানের দরকার! কেন সিজারিয়ানের দরকার হয়, সেটা বুঝতে যতটুকু বিজ্ঞান শিক্ষা থাকা দরকার কিংবা মানবিকতার বোধ থাকা দরকার তা সম্ভবত আমাদের দেশের অধিকাংশ পুরুষেরই নেই। কারণ অনেকেই এই গরুকে সমর্থন করছেন। অবশ্য সমর্থনের কারণ হতে পারে যে সিজারিয়ান না করলে স্ত্রীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে, ফলে স্বামীর নতুন আরেকটা বিয়ে করার সম্ভাবনা বাড়ে! আবার মাদানী হুজুরের মতো লোক নতুন বিয়ের কারণ হিসেবে স্ত্রীর গর্ভাবস্থাকে উল্লেখ করেন। এই লোকের সমর্থনকারীও কম নেই।

এদের সবার জন্য কিছু ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। প্রথমে তাদের পেটের সাথে ক্লিং wrap দিয়ে সময়ের সাথে সাথে বর্ধমান ওজন ভালোমত পেঁচিয়ে দিতে হবে, ছয় মাসে যা তিন কেজি হবে এবং তারপর আরও বাড়তে থাকবে। এরপর হাত-পায়ের আঙ্গুলের সমস্ত গিরায় আর হাঁটুতে হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি মেরে এমন ব্যথা করে দিতে হবে যেন চলতে ফিরতে সবসময় ব্যথা অনুভূত হতে থাকে। যদিও এই সামান্য কিছু দিয়ে এদের বোঝানো যাবে না অন্তঃসত্ত্বা হবার যাতনা।

আশা রাখি, এদেরকে প্রসবের যাতনা বোঝাবার ব্যবস্থাও শিগগিরই হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিয়ে প্রসব যন্ত্রণার সিমুলেশন করা যন্ত্র তৈরি হবে, মাদানী হুজুরদের সেই যন্ত্রের ভেতরে চব্বিশ ঘণ্টার জন্য ঢুকিয়ে দেয়া হবে।

তিন:

যত রকম গালি আছে তার মধ্যে সংখ্যায় সবচাইতে বেশি এবং মানে নিকৃষ্টতম গালির সবগুলো মাকে নিয়ে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরীব পুরুষ নির্বিশেষে এইসব গালি দিতে থাকেন অবলীলায়!!! জানিনা কোন মানসিকতার মানুষ এমন গালির সৃষ্টি করতে পারে।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যেসব মায়ের সন্তান সফল হয়ে মুখ উজ্জ্বল ও গৌরবান্বিত করেছে
—এমন ১১ জন গরবিনী মাকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়েছে।

.........................................................................................
সম্মাননা পাওয়া মায়েরা হলেন প্রশাসন ক্যাটাগরিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের মা বেগম ফরহাত ইসলাম;
আইন ও বিচার ক্যাটাগরিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বরিশালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মোহা. রকিবুল ইসলামের মা বেগম রোকেয়া রশীদ;
আইনশৃঙ্খলা ক্যাটাগরিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামের মা মোসা. রাজিফা আজাদ;
শিক্ষা ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক তানিয়া হকের মা সেলিমা হক;

সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলামের মা রাজিয়া আহমেদ;

চিকিৎসা ক্যাটাগরিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ প্রসাদের মা সরস্বতী প্রসাদ;
সংগীত ক্যাটাগরিতে চ্যানেল আই-সেরাকণ্ঠ ২০০৯ চ্যাম্পিয়ন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনালের মা সায়মা মনির মিনু;
অভিনয় (নারী) ক্যাটাগরিতে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের মা সৈয়দা শারমিন; অভিনয় (পুরুষ) ক্যাটাগরিতে নাট্যাভিনেতা,

মডেল ও পরিচালক জিয়াউল হক পলাশের মা ফাতেমা আক্তার কাজল এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্ট অদম্য মেধাবী তহবিল থেকে শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্ত খাইরুম ইসলামের মা শিরিন আক্তার।

১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার একটা খবর শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ স্বপ্নের শঙ্খচিল। মনে হচ্ছে এই সম্মাননা এবছর থেকে শুরু হয়েছে। কয়েক বছর আগে দেখেছিলাম একজন আমরা বাবাকে কবি হিসেবে একুশে পদক দেয়া হয়েছিল, তখন তার যোগ্যতা ছিল কেবলমাত্র আমলার বাবা হিসেবে। পরে অবশ্য সেটা প্রত্যাহার করা হয়।

২| ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো লেখা।

১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব নুর।

ভালো লেখাটা একটু পড়ে দেখলে হত না? :D

৩| ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। মা-বিষয়ক খুব গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি নিয়ে অনেকদিন পরে ব্লগে আসার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন। বড় হওয়ার পর যতবার বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যুর খবর শুনেছি, ততবার খুব ব্যথিত হয়েছি। মনে হয়েছে, এমন তো হবার কথা নয়। এই মৃত্যু তো হবার কথা ছিল না।

বেশ কয়েক বছর আগে ভারতে সব প্রসবকালীন নার্সদের ট্রেনিয়য়ের জন্য অতুল গাওয়ান্ডে-এর এই টেড টকটি শুনেছিলাম: কোনো কিছুতে দক্ষ হতে চান? তাহলে একজন কোচ নিন।। মনে হলো, হায়রে, আমাদের দেশে কেন অতুল গাওয়ান্ডে-রা জন্মায় না, শুধু এই মাদানী, পাদানীরাই শুধু জন্মায়! আর আমাদের দেশে বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু কেন বন্ধ হয় না!

১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রাবণধারা!

ইদানিং লিখতে গেলে লেখা খাপছাড়া হয়ে যায়। এমনকি মন্তব্য করতে গেলেও দেখি যা বোঝাতে চেয়েছি, লেখার পর তার অর্থ বদলে গেছে। সেজন্য এখন আর পোস্ট দেবার উৎসাহ পাই না। মা হওয়ার যাত্রাপথ যে কতটা বিপজ্জনক সেটা অনেকেই জানেন না, কিছু কিছু কারণে সন্তান দেবার সময় মায়ের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যায়। গত এক সপ্তাহে এমন দুটি মৃত্যুর খবর পড়ে মনে হলো এ নিয়ে লিখি, যদি কেউ নতুন কিছু জানতে পারে।

অতুল গাওয়ান্ডের কথা শুনলাম। ধন্যবাদ লিঙ্ক দেবার জন্য। আমাদের দেশে অতুল গাওয়ান্ডের মত লোকের কথা শোনার চাইতে হুজুরদের কথা শুনতে মানুষ বেশি আগ্রহী। আজকে দেখলাম একজন প্রশ্ন করছে, সিজারিয়ান এর মাধ্যমে বাচ্চা হলে গুনাহ হবে কিনা!!

৪| ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:০২

শায়মা বলেছেন: ঐ গরুদের শিক্ষা দেবার ব্যবস্থা খুবই পছন্দ হয়েছে। নিজে হাতে দিতে পারলে আরও ভালো হত .... :)

১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯

করুণাধারা বলেছেন: এই গুলিকে শিক্ষা দেবার দরকার! যত দিন যাচ্ছে এরা ততই বাড়াবাড়ি করছে। এমন একটা মেশিন তৈরি করা গেলে খুব ভালো হতো। ‌

আজকাল কিছু লিখতে গেলেই অন্যরকম লিখে ফেলি। ‌ সামনে হাঁটতে পিছিয়ে যাবার মত... :(

৫| ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:০০

করুণাধারা বলেছেন: আরেকবার আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ রাজীব নুর। এক্ষুনি চলে যাবেন না, আরো কেউ মন্তব্য করতে আসতে পারে।

৬| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:১০

মেহবুবা বলেছেন: Amniotic fluid embolism এর বিষয় টা ভেবে আতঙ্কে থাকি যখনই কারো প্রসবের সময় হয়। বাচ্চা জন্মগ্রহণ করবার পর স্বস্তি। আল্লাহ্ সকল মাকে সুখী করুন।
তোমার শেষ অধ্যায়ে "গালি" প্রসঙ্গে যেটা মনে হয় তা হোল সব মানুষের কাছে সবচেয়ে আপন, প্রিয় এবং স্পর্শকাতর জজায়গা হোল মা, সেই মাকে নিয়ে খারাপ কথা বললে সবচেয়ে বড় আঘাত হানা হয়, তাই এহেন অবতারনা।

১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৪

করুণাধারা বলেছেন: বাচ্চার জন্ম দেয়ার সময় মাকে যে কতটা বিপদ পার করতে হয় সেটা সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। আমারও খুব ভয় লাগে Amniotic Fluid Embolism এর কথা ভেবে।

সব মানুষের কাছে সবচেয়ে আপন, প্রিয় এবং স্পর্শকাতর জজায়গা হোল মা, সেই মাকে নিয়ে খারাপ কথা বললে সবচেয়ে বড় আঘাত হানা হয়, তাই এহেন অবতারনা। হ্যাঁ, এটা একটা ভালো ব্যাখ্যা হতে পারে। ধন্যবাদ মেহেবুবা।

১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: স্যরি, মেহবুবা হবে।

৭| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৯

শায়মা বলেছেন: সব আপুরা আজ ব্লগে !!! ব্যাপার কি???

মেহবুবা আপু হুমায়রা আপু করুনাধারা আপু, ছবি আপু অনেককে দেখা গেলো.....

আপুদের জন্য একটা বিশেষ ডে বানাতে হবে ব্লগে সেদিন সবাই আসবে একটা পোস্টে।

১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

করুণাধারা বলেছেন: বানাও একটা বিশেষ ডে, তারপর সাজুগুজু করে চলে এসো... :D

মেহবুবার কথায় সুরঞ্জনার কথা মনে পড়ল! ওকে আমি অন্য নামে জানি, ওর ফোন নাম্বার আমার কাছে ছিল, কিন্তু জানতাম না যে ও এই ব্লগের সুরঞ্জনা! যখন জানলাম সেসময় আমি মানবীর অনুপস্থিতি নিয়ে খুব চিন্তিত ছিলাম, তাই ওকে ফোন করে জিজ্ঞেস করলাম কোন ভাবে খবর নিতে পারে কিনা। জানালো যে জানে না। ‌ তখন আমার মনে পড়ল, শায়মার বয়স কত জানা যাক। কারণ আমি খুবই দ্বন্দ্বে পড়েছিলাম একদিকে বলছে উনিশ বছর বয়স, আবার কোন কোন পন্ডিতি লেখা পড়ে মনে হচ্ছে আশি বছর বয়স। কিন্তু তোমার সুরঞ্জনা আপু এতটাই পাজি, তোমাকে পরীস্থানের বাসিন্দা করে রাখার জন্য তোমার সম্পর্কে কোন তথ্যই দিল না, খালি হাসতে লাগলো। আবার বলে তোমার সাথে ওর দেখা হয়েছে!

তুমি না অনলাইন অফলাইন মেলাও না, তাহলে দেখা হল কি করে! :|

৮| ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১৯

মেহবুবা বলেছেন: নজর দিও না শায়মা, আপুরা সব ভ্যানিশ হয়ে যাবে সাইন থেকে! সবচেয়ে চালু আর জবরদস্ত আপু সুরঞ্জনা দেখো না ভ্যানিশ ( অনেক হিংসা করতাম)!

১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১

করুণাধারা বলেছেন: সত্যিই। অনেক আপুরা ভ্যানিশ হয়ে গেছে একেবারে হঠাৎ করে। সামু পাগলা, ওমেরা, মানবী আর কারা কারা... কথা হলো এরা একেবারে ভ্যানিশ, এদের কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সুরঞ্জনা তো ভ্যানিশ হয়নি, সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে! ব্লগ কেন ছেড়ে গেল কে জানে।

৯| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:০৭

মেহবুবা বলেছেন: সুরন্জনা অহংকারে আসে এখানে। ঐযে ওনাকে নিয়ে কবি কবিতা লিখেচে না, "সুরঞ্জনা যেও নাকো..."

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩০

করুণাধারা বলেছেন: সুরন্জনা অহংকারে আসে এখানে। ঐযে ওনাকে নিয়ে কবি কবিতা লিখেচে না, "সুরঞ্জনা যেও নাকো..."

ঠিক! এটাই আসল কারণ। :D

১০| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪১

শায়মা বলেছেন: তখন আমার মনে পড়ল, শায়মার বয়স কত জানা যাক। কারণ আমি খুবই দ্বন্দ্বে পড়েছিলাম একদিকে বলছে উনিশ বছর বয়স, আবার কোন কোন পন্ডিতি লেখা পড়ে মনে হচ্ছে আশি বছর বয়স। কিন্তু তোমার সুরঞ্জনা আপু এতটাই পাজি, তোমাকে পরীস্থানের বাসিন্দা করে রাখার জন্য তোমার সম্পর্কে কোন তথ্যই দিল না, খালি হাসতে লাগলো। আবার বলে তোমার সাথে ওর দেখা হয়েছে!

তুমি না অনলাইন অফলাইন মেলাও না, তাহলে দেখা হল কি করে! :|




হা হা হা হা হা হা হা আপুনি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! মরে যাবো হাসতে হাসতে!!!!!! আমি উনিশ!! সত্যি বলছি উনিশই আমি। বিশও হতে পারবো না কিন্তু!!!!!!!!!!! হাহাহাহাহাহাহাহহাহাহা

যাইহোক আপুনি আমি সত্যি মাঝে মাঝে অবাক হই এত আবিষ্কার করতে চেয়েছো তুমি আমাকে!!!!!!!! আমার প্রেমিকদের একজনও মনে হয় তোমার মত করে আমাকে জানতে চায়নি!!!!!!!!!!!! হহাহাহাহাহাহাহাহাহা

আচ্ছা শোনো এই ব্লগের সুরঞ্জনা আপুই মনে হয় সেই আপু যে আমাকে সবার আগে আবিষ্কার করে ফেলেছিলো। একটা পত্রিকার লেখা থেকে। সেই লেখা ব্লগেও প্রকাশিত ছিলো। আমি তো তাড়াতাড়ি করে সেই লেখা ব্লগ থেকে ডিলিট করে দিলাম । মনে হয় কয়েক হাজার বার পঠিত ছিলো কয়েক শো কমেন্ট নিয়ে। হাহাহাহাহহাহাাহহাহাহাহাহাহা

সুরঞ্জনা আপুকে তারপর থেকে একটু ভয় পেতাম। আরও আবিষ্কার করে ফেলে নাকি তাই!!!!!!!!!!! হা হা হা হা হ্যাঁ সুরঞ্জনা আপুনি খুবই বুদ্ধিমতী, সুলেখিকা এবং আমাকে ভালোবাসা একজন মানুষ !

তাদের বাড়িতে সামু টিমের অনেককককককককক মানুষজন গিয়েছিলো একবার। সেই লেখায় আপুনি লিখেছিলেন আমাকে নিয়ে সবার আলোচনা সেটা পড়ে আমি হাসতে হাসতে হাসতে হাসতে...... লেখাটা আমার প্রিয়তে আছে।

তখন আমি সবার কাছে রক্ত মাংসের মানবী ছিলাম না। এখন হয়ে গেছি। ইচ্ছা করে হইনি আপুনি!!!!!!!!! ধরা পইড় গেছি আমি রঙ্গিলা জালে ...... হা হা হা হা

দাঁড়াও লেখাটা খুঁজে আনি!!!!!!!!

১১| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৯

শায়মা বলেছেন: লেখক বলেছেন: সত্যিই। অনেক আপুরা ভ্যানিশ হয়ে গেছে একেবারে হঠাৎ করে।

সামু পাগলা, --- আহারে এই আপুনি সবার আগে আমার চিলেকোঠার প্রেম পড়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু লিখা শেষ হবার আগেই হারিয়ে গেলো!!! আমি তাকে ভীষন মিস করি। অনেক চিন্তা হয় আমার তার জন্য!!!

ওমেরা - ওমেরা আপুনিটাও রাগ করেই চলে গেলো ব্লগ থেকে মনে হয়!! দু একজনের সাথে পুরাই অকারনে গন্ডগোল হয়ে গেছিলো তার। যা হয় আর কি ...... আমাদের এই ব্লগে যা হইতো ...... শিশুসুলভ কান্ড পান্ড!!! হা হা

মানবী- এই আপুনি খুবই সু লেখিকা ছিলো কিন্তু আমার রং ঢং তিনি দুই চোক্ষে দেখতে পারতো না !! তাই মনে হয় রাগ করে ব্লগ ছেড়ে চলে গেলো ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে শুনেছি আপুনি নাকি অসুস্থ ছিলো!! অনেক চিন্তা হয় আপুনিটার জন্য!!! যদি কখনও আপুনি জানতে পারে আমি জানতে চেয়েছিলাম কেমন আছে সে তবে যেন এসে বলে যায় ভালো আছে.....


কিন্তু সুরঞ্জনা তো ভ্যানিশ হয়নি, সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে! ব্লগ কেন ছেড়ে গেল কে জানে - ওহ আপুনিরও সাইকোটোমাসিস আছে আর কি....... রাগ দুস্ক বেদনা চেপে যায় । সহজে বলে না। তবে আপু একটু রাগ করেই ব্লগ ছেড়েছে। কারণটা না বললেও আমি বুদ্ধিমতী বালিকা উহা বুঝেছিলাম। :)

রাগের কারনগুলো একটু খুঁজে বের করতে হবে আর কি!! তবে সেই সময় কি আর আছে জীবনে বলো!!!!!!!

১২| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৯

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: গর্ভাবস্থা ও সন্তানপ্রসব- এই দুটো পরিস্থিতি আমরা পুরুষরা কখনও অনুধাবন করতে পারব না, বড়জোর অনুমান করতে পারি। যারা তাচ্ছিল্য করে তারা নির্বোধ।

১৩| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:০৬

শায়মা বলেছেন: সিলেটে ব্লগ ডে তে আড্ডা ও খানাপিনা!


হা হা হা আপুনি এই সেই পোস্ট!!!

৬০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১:৩৭১

বিপ্লব৯৮৪২ বলেছেন: হায় হায় আপনার না এই পোস্ট আগামীদিন দেয়ার কথা?

প্রথম কমেন্ট আমিই করব ভেবেছিলাম। এখন দেখি মেধাতালিকাতেও নেই।



এবার “শায়মা” নামক ব্লগারের ব্যাপারে কি কথা হয়েছে তা একটু বলি।

এর আগে একটি ছোটগল্পের সংক্ষিপ্ত কাহিনী বলি। টিনএজ ছেলেদের আলোচনার একটি বড় অংশ থাকে তার সদ্য প্রেম নিবেদনকারি কোন প্রেমিকাকে নিয়ে। দার্জিলিং এর এক হোস্টেলে মাধ্যমিক শ্রেনির ছাত্রদের এক আলোচনায় সবাই যথারীতি এ নিয়ে আলাপ করছিল কিন্তু আলোচনায় যোগ দিতে পারছিল না একগোবেচারা, কারন তার এখনো কোন প্রেমিকা জোটেনি। অন্যের চাপাচাপিতে সেও নিতান্ত অনিচ্ছায় মানসম্মানের ভয়ে স্বীকার করলো তারও একখান প্রেমিকা আছে নাম অন্নপুর্না।

সবাই তো খুশি, যাক সবার একটা করে আছে। এখন মোবাইলের যুগ। সবাই মোবাইল খুলে যার যার প্রেমিকার ছবি অন্যের সাথে শেয়ার করতে লাগল আর বাহাদুরি করতে লাগল কার প্রেমিকা কার চেয়ে কত সুন্দর।

হঠাত সবার খেয়াল হল সেই গোবেচারা যথারীতি চুপ, সে তার প্রেমিকার কোন ছবি দেখাচ্ছে না। সবার নজর এখন তার দিকে। সবার আক্রোসের চোখ দেখে সে ভাবল, এ থেকে নিস্তার নেই, ছবি তাদের দেখাতেই হবে।

যেহেতু তার কাছে তখন কোন ছবি ছিল না সে কথা দিল পরবর্তি হলিডেতে একেবারে চাক্ষুস দেখাবে। সে কয়দিনের অপেক্ষা কারো সইছিল না, সবাই ধরে নিয়েছিল সেই গোবেচারার প্রেমিকাটিই সবচেয়ে সুন্দরী হবে আর এই চিন্তায় সবার মাঝে একটু হতাশা ও কাজ করছিল।

যাহোক নির্ধারিত দিনে স্কুলবাস বোঝাই করে সেই ছেলেটি সবাইকে নিয়ে রওনা দিলো তার প্রেমিকাকে দেখানোর জন্য।সবার মাঝে সেই সুন্দরীকে দেখার, তার সাথে চান্স পেলে একটু কথা বলার উত্তেজনা।

শহরের একটু খোলামেলা উঁচু টিলাতে নিয়ে সবাইকে আংগুল দিয়ে একটি পর্বতের চুড়া দেখিয়ে বলল, ঐ যে আমার প্রেমিকা অন্নপুর্না। তার এই ঘোষনায় সবার মনের অবস্থা কি হয়েছিল আপনারা কল্পনা করে নেন।



আমাদের শায়মা আপার ব্যপারটাও তেমনি। একজন তো বলেই ফেলল সে ছেলে না মেয়ে কেউ তাও জানেনা । হতে পারে কারো ছাইয়া নিক।

আমার তো মাঝে মাঝে মনে হয় এটা এলার মতো কোন কম্পিঊটার প্রোগ্রাম যে “শায়মা “ নাম দেখলে সেই পোস্টে গিয়ে রিডারের মত কাজ করে আর একটা কমেন্ট রেখে আসে। প্রোগ্রাম রচয়িতা তার প্রোগ্রাম নিয়ে এত মাতামাতি দেখে মনে মনে বেশ খুশি হয়।

বলে রাখি অন্য সবার মত আমার এনিয়ে বিন্দু মাত্র কোন আগ্রহ নেই। প্রোগ্রামটি মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট দেয়, বলতে হয় আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স কোয়ালিটি খারাপ না।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:০৯০

লেখক বলেছেন: বাহ! বিপ্লব আপনি তো খুব সুন্দর করে বর্ননা করলেন!
তবে শায়মা কে কেউ ছাইয়া নিকে সন্দেহ করেনি এটা নিশ্চিত!
হাজার গুনে গুনান্বিত শায়মা একটি রহস্য! সেই সুদুর আকাশের নিহারিকার মত!



হা হা হা হা হা হা এই মন্তব্য যখনই মনে পড়ে তখনই হাসি আমি!!!!!!!! মানুষ আমাকে এক্কেরে আসমানে উঠায় দিয়েছিলো....... :P

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৭

করুণাধারা বলেছেন: পোস্ট পড়লাম। এতটাই হাসলাম যে ভাবলাম কিছু বলে যাই...

অনেক অনেক অনেক থ্যাংকস এই রাত দুপুরে এত মজার একটা কমেন্ট দেখানোর জন্য।
আর দোয়া করো আমি যেনো আর ১% যেটুকু মানুষ আছি সেটুকুও রোবো হয়ে যাই।:)


মন্তব্য করেছ রাত দুটোয়! এত সময় দিতে ব্লগে!

কিন্তু তোমার রোবোট হয়ে কাজ নেই। তুমি পরী হয়েই থাকো, মাঝে মাঝে রাজকন্যাও হতে পারো।

বিপ্লবের গবেষণা পত্র দেখে চমকিত। আহারে! তোমার উৎপত্তি, অবস্থান, আকার নিয়ে ভাবতে ভাবতে মনে হয় মাথাটা একেবারেই গেছিল... শেষ পর্যন্ত শায়মা কম্পিউটার প্রোগ্রাম...

মানুষ আমাকে এক্কেরে আসমানে উঠায় দিয়েছিল তারপর কি নেমে এসেছ নাকি?

বাকি কথা পরে হবে!

১৪| ২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:০৩

শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি ......

এখন একটু নেমেছি। মানে পুরাটা নামিনি বটে তবে আসমান থেকে ধরায় ধরা পড়তেই হলো!!! হা হা হা

ধরায় যখন দাও না ধরা
হৃদয় তখন তোমায় ভরা
এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহি রে॥
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে।


এখনও কিন্তু চোখের বাহিরে আছি!!!!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.