| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
প্রিয় পাঠক, আজ আপনাদের সামনে এমন এক ব্যক্তির গল্প তুলে ধরব, যার কীর্তিকলাপ শুনে আপনি নিজেকে প্রশ্ন করবেন — এটা আসলেই মানুষ, নাকি পৌরাণিক কোনো রাক্ষস? না, এটা কোনো রূপকথা নয়। এ এক জীবন্ত বাস্তবতা। একবার ভাবুন তো, আপনি কতগুলো বাড়ি কিনতে চান? একটা? দুটো? হয়তো তিনটে, যদি খুব বড়লোক হন?
আমাদের নায়ক জাবেদ সাহেব একটু অন্যরকম স্বপ্ন দেখেন। তিনি ভাবলেন, "আরে বাবা, একটা-দুটোয় কি হবে? কম করে হলেও আটটা দেশে ২৯৭টা বাড়ি থাকা চাই!" আর সেই সাথে ৩০টা অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট তো বোনাস ! শুধু কম্বোডিয়াতেই ১১৭টা বাড়ি। মানে, কম্বোডিয়ার যদি প্রতিটা বাড়িতে একদিন করেও থাকতে চান, তাহলে চার মাস লেগে যাবে শুধু সেই একটা দেশেই! দুবাইতে ৫৯টা, মালয়েশিয়ায় ৪৭টা, আমেরিকায় ৪০টা। থাইল্যান্ড, ভারত, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম : কোথায় নেই তার সাম্রাজ্য?
সাধারণ মানুষ একটা ফ্ল্যাট কিনতে সারাজীবন ঋণের বোঝা বয়ে বেড়ায়। আর জাবেদ সাহেব? তিনি তো আন্তর্জাতিক রিয়েল এস্টেট মোগল! এবার একটু হিসাব করি। ৬২০টা বাড়ি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। এর সাথে যোগ করুন ৮টা প্রতিষ্ঠান যার মূল্য আরও ২ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। দেশেও আছে ৯৫৭ বিঘা জমি। ওহ, ভুলেই গিয়েছিলাম! আরও আছে ৪ কোটি ৬৪ লাখ শেয়ার। এবং আমেরিকায় বিনিয়োগ করা এক কোটি ডলার। টাকায় কত হয় জানেন? প্রায় ১১৮ কোটি টাকা ! রূপকথার গল্পেও এত সম্পদের কথা শোনা যায় না।
আগের যুগে ডাকাতরা বন্দুক নিয়ে ব্যাংকে ঢুকত। আধুনিক যুগে? স্ত্রীকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানিয়ে দিন, তারপর নিজে পর্দার আড়াল থেকে চালান। জাবেদ সাহেব ইউসিবি ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিলেন। এমনিতে ঋণ নিতে হলে অনেক কাগজপত্র, জামানত, আর কত কী লাগে! কিন্তু যখন নিজেই মালিক, তখন কেন এত ঝামেলা? ব্যাংকের নিজস্ব তদন্তেই ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছিল। কিন্তু কে শোনে কার কথা! ঋণ মঞ্জুর হয়ে গেল। আর সেই টাকা? হুন্ডি-হাওলার মাধ্যমে সোজা বিদেশে !
যে ব্যাংকে হাজার হাজার সাধারণ মানুষের সঞ্চয় ছিল, সেটা এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। কিন্তু জাবেদ সাহেবের কী আসে যায়? তিনি তো লন্ডনে বসে আরাম করছেন! ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আল জাজিরা একটা তথ্যচিত্র বানাল : "মন্ত্রীর কোটি কোটি ডলার"। আন্তর্জাতিক মিডিয়া যখন খোঁজখবর নেয়, তখন আর লুকানো যায় না। আরও মজার ব্যাপার হলো, জাবেদ সাহেব নির্বাচনী হলফনামায় বিদেশের এই বিশাল সম্পদের কথা একটি শব্দও উল্লেখ করেননি! মানে, আপনি-আমি যদি ১০ হাজার টাকা আয় গোপন করি, তাহলে আইনে ধরা খাই। আর হাজার হাজার কোটি টাকা গোপন করলে? সেটা তো নেতৃত্বের কৌশল!
এরপর যখন তদন্ত শুরু হলো, গাড়িচালকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হলো ২৩ বস্তা নথিপত্র। বিদেশের সম্পদ আর ঋণের সব হিসাব। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর জাবেদ সাহেব এখন যুক্তরাজ্যে। নিরাপদ দূরত্বে। বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে ৩৬ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। ইন্টারপোলের রেড নোটিশেরও আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু চিন্তা নেই! আটটা দেশে এত বাড়ি থাকলে পলাতক জীবনও তো আরামদায়ক হবে। একেক দিন একেক দেশে থাকবেন। একঘেয়েমি হওয়ার সুযোগই নেই !
এবার আসি আসল প্রশ্নে। এটা কি মানুষ নাকি রাক্ষস? পৌরাণিক কাহিনীতে রাক্ষসদের বর্ণনা পাওয়া যায় — তারা নাকি নির্দয়, লোভী, আর সাধারণ মানুষের রক্ত শোষণ করে। তারা গুপ্তধন লুকিয়ে রাখে পাহাড়ের গুহায়, সমুদ্রের তলায়। জাবেদ সাহেব? তিনি গুপ্তধন লুকিয়ে রেখেছেন কম্বোডিয়ায়, দুবাইতে, মালয়েশিয়ায়। তিনি সাধারণ মানুষের সঞ্চয় শুষে নিয়েছেন ব্যাংক ডাকাতির মাধ্যমে।
এই গল্প শুনে আমরা হাসি, কাঁদি, রাগ করি। কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো : এই ব্যবস্থা কীভাবে এত বছর টিকে ছিল? কেন কেউ প্রশ্ন করেনি? কীভাবে একজন মানুষ এত সম্পদ গড়ল, আর কেউ টের পেল না? হয়তো উত্তর খুঁজতে হবে আমাদের নিজেদের মধ্যেই। কারণ একজন জাবেদ একা এত বড় সাম্রাজ্য গড়তে পারে না। তার সঙ্গী ছিল আমাদের নীরবতা, আমাদের উদাসীনতা, আমাদের "চলে যাক" মনোভাব।
সমকাল : https://www.ittefaq.com.bd/770208
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৪১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এগুলো কি আসলেই সত্য নাকি?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মিথ্যা হবার কোনো কারণ নেই। ব্যাংক গুলো সব খালি হয়ে গেছে।
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৪৯
আলামিন১০৪ বলেছেন: কবরের জায়গা কিনে নাই?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কিনেছে হহয়ত !
৪|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৫৪
মাথা পাগলা বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: এগুলো কি আসলেই সত্য নাকি?
হুম সত্যি! ২৬ লক্ষ ভারতীয়, "মুজিব ভাই" নির্মাণে ৪২০০ কোটি টাকা খরচ, হাসিনার করে যাওয়া বাংলাদেশ বিরোধী হাজার চুক্তিগুলোর মতোই সত্যি। এরা বলতে বলতে এতোটাই বলে ফেলে পরে ১০০ টা বাংলাদেশের সম্পদ যোগ করলেও চুরির টাকার সমান হয় না।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জ্বালা অন্তর জ্বালা!
৫|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৩
ক্লোন রাফা বলেছেন: এখন আপনার কাছে আমার প্রশ্ন এই বাড়ি গুলো উনি কত বছরে গড়েছেন । তার হিসাব কি আপনার কাছে আছে⁉️আর আদৌ কি তার এতগুলো বাড়ির তথ্য প্রমাণ কি কোথাও দেখেছেন ⁉️ সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তিনি কি অবৈধভাবে এই সম্পদ অর্জন করেছেন। নাকি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে এই সম্পদ পেয়েছেন ⁉️
আপনারা ইলন মাস্কের উদাহরণ টানেন, টাটা বিরলার উদাহরণ তো আমাদের পাশের দেশেই। পৃথিবীতে প্রচুর ধনকুবের রয়েছে। ট্রাম্পের সম্পদের অনুমান করতে পারবেন আপনি!
ফাইনাল কথা উনি কে? উনি কি আখতারুজ্জামান বাবুর ছেলে? যদি তাই হয় তাহলে তারা বৃটিশ আমল থেকেই প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। যে সময় বাঙালি কোনো উল্লেখ যোগ্য ব্যাবসায়ী ছিলেনা আমাদের এই অঞ্চলে। সওদাগর ছিলেন তার পুর্বপুরুষরা।সো এগুলো রুপকথা নয়।
আমার দাদীর পিতা লাট সাহেব উপাধি পেয়েছিলেন বৃটিশদের দ্বারা। সো লাট সাহেব উপাধি কেনো পেয়েছেন জানেন! কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য নয়। ধন সম্পত্তির জন্যই।
মুল বিষয় হলো অন্যায় ও অবৈধ উপার্জন নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত সকল সময়। এবং সকলের জন্যই।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তিনি আগে থেকেই লাটসাহেব হলে এমপি হওয়ার কি দরকার ছিলো? জনগণ কে টুপি পড়াতে খুব মজা লাগে আপনাদের।
৬|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০৮
নতুন নকিব বলেছেন:
দুর্বৃত্তদের হাতে পড়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাংকগুলো লুট করেছে। বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা পাচার করেছে। জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ওরা দেশটাকে ফোকলা করেছে। আর এসবই ওরা করেছে নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার থেকে মাফিয়া চেতনার দিকেই বেশি ঝুকে পড়েছিলেন। ২০১৪ পর্যন্ত তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে যান। আর বিদেশি শক্তিগুলোর দায় আছে।
৭|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৩
ক্লোন রাফা বলেছেন: আপনি আসলেই ছাগল ‼️কমেন্ট আবার পড়েন তারপর উত্তর দিয়েন । আমেরিকায় কোনো কোনো ইহুদির ৫০০ বাড়ি আছে। কারন এটাই তাদের ব্যাবসা। সস্তায় কিনে রেখেছে এখন বাড়ি ভাড়া দিয়েই কোটি কোটি ডলার আয় তাদের।
আর লাট সাহবের বংশের কেউ এমপি হোতে পারবেনা এমন কি নিয়ম আছে ⁉️
এর পুর্বে’তো মোটামুটি সবাই যারা বিশাল ধনসম্পদের মালিক তারাই এমএলএ, এমপি নির্বাচন করতো। কারন তাদের নির্বাচন করার জন্য চাঁদাবাজির দরকার হইতো না।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি তার নির্বাচনের আগের সম্পদ বিবরণী কমেন্টে এড করে দিন। দেখি কেমন ভালো মানুষ ছিলেন এই বাটপার!
৮|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৪
বাকপ্রবাস বলেছেন: শেখ হাসিনার বিকল্প নাই
আওয়ামিলীগ এর বিকল্প নাই
চেতনাবাজদের বিকল্প নাই
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হা হা ।
৯|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ইউসিবিএল ব্যাংক হতে প্রভাব খাটিয়ে ২৫ কোটি টাকা লোন নিয়েছে লোকটি। বিষয়টি জেনেও কারো কিছু
করার ছিলনা ।
তার পর “Money begets money” বাংলায় যাকে বলা হয় “টাকা থেকে টাকাই জন্ম নেয়” এই বিখ্যাত
অর্থনৈতিক তত্ত্বটিকে কাজে লাগিয়ে বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে বিপরীতে ক্ষুদ্র আমানত কারিগন
লোন নিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ হারিয়েছেন ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।
এই তত্ত্বে মতে যার কাছে টাকা আছে, সে টাকা বিনিয়োগ করতে পারে ব্যবসায়, জমিতে, শেয়ারে, ব্যাংকে বা
উৎপাদনে। সেই বিনিয়োগ থেকে আবার লাভ আসে, যা নতুন করে আরও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করে।
এভাবে অর্থ নিজেই নিজের বৃদ্ধির পথ তৈরি করে নেয়। কিন্তু কথা হল যাদের আমানত তুলে নিয়ে তাদেরকে
প্রাথমিক পুঁজিহীন করে তুলেছে , সেরকম হাজার হাজার পুঁজি হারানো আমানত কারীদের পক্ষে এই চক্রে
প্রবেশ করাই কঠিন করে তুলে।
প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তি সহজে ঋণ পায়, কম ঝুঁকিতে বড় বিনিয়োগ করতে পারে এবং যে কোন পরিনতির
ধাক্কা সামলাতে পারে। বিপরীতে, ক্ষুদ্র আমানত কারীগন জীবিকা নির্বাহের চাপে সঞ্চয় বা ব্যাংক হতে লোন
নিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ পায় না। ফলে ধনী আরও ধনী হয়, কিন্তু দরিদ্র তুলনামূলকভাবে পিছিয়েই থাকে।
এই বাস্তবতাই “Money begets money” তত্ত্বটির প্রয়োগ দুর্ণিতীগ্রস্থ ব্যাংকিং জগতকে একেবারে পঙ্গু
বানিয়ে ফেলেছে। এই প্রবনতা ও ব্যাংক কালচার থেকে জাতি কবে মুক্তি পাবে তা আল্লাই জানেন ।
ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আমানতের খেয়ানত করে ব্যাংক সমুহের এই কলংকময় অধ্যায়ের অবসান কি ঘটবে?
নাকি Old wine in new bottle আকারেই চলবে তা দেখার অপেক্ষায় রইলাম!!!
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: Old wine in new bottle আকারেই চলবে তা দেখার অপেক্ষায় রইলাম!
১০|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২২
রাসেল বলেছেন: কোন মহিমাবলে তারা একসময় নিষ্পাপ হয়ে যায়? আমার ধারণা—দুর্বল মামলা এবং দালালচক্রের পরিকল্পিত ‘নিষ্পাপ’ প্রচারণাই তাদের ধোয়া তুলসী বানিয়ে দেয় (এই পোস্টেই তার প্রমাণ দেখা যাবে)।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারা পাওয়ার এবং টাকার বলে সব কাজ থেকে রেহাই পেয়ে যায় ।
১১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: শেখ হাসিনা বিদেশীদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বলতেন। অথচ তাঁর দলের লোকেরা বিদেশে বিনিয়োগ করতেন। বিষয়টা তাহলে কি হলো?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রানু কার থেকে বিষয়টা বুঝে নিতে হবে ।
১২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২২
শ্রাবণধারা বলেছেন: আওয়ামী লীগকে এই বড় বড় ডাকাত গুলোই ডুবিয়েছে।
ব্লগের হেলমেট-হাতুড়ি বাহিনীগুলা যে রামছাগল এটা বোঝা যায় যখন তারা এই ডাকাতগুলোর পক্ষে কথা বলে। এই বুদ্ধিহীন রামছাগলগুলোকে কানমলা দিতে ভুলবেন না! ![]()
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মতো কানমলা দিতে পারি না । আশা করি শিখিয়ে দিবেন । ![]()
১৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: #শ্রাবণধারার মন্তব্য পছন্দ হইয়াছে
১৪|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০২
রাজীব নুর বলেছেন: কোনটা সত্য কোনটা বানোয়াট বুঝি না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এটা কোনো রূপকথা নয়। এ এক জীবন্ত বাস্তবতা।
.....................................................................................
এটা একমাত্র বাংলাদে শে ই সম্ভব
তাই মেধাবী , দরিদ্র ও সৎ মানুষের স্হান হয়না এইদেশে ।